1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা : দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকা
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
মুন্সীগঞ্জে ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স-২০২৬’ পেল ইউনুছ খান মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজঃ প্রবাসীদের কল্যাণ ও সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ দূতাবাসের পাশে থাকবে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাব তাহিরপুরে কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের নির্বাচনে প্রচার সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন মোক্তার আবেদীন রাজু। পটিয়ায় বিএনপির বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা। জামালগঞ্জে কারিতাসের উদ্যোগে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচি পালিত। ঝালকাঠির রাজাপুরে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউএনও রিফাত আরা মৌরি* নতুন ঘর পেয়ে আবেগে কাঁদলেন জনম দুঃখী হতদরিদ্র জবেতন বিবি* কিশোরগঞ্জে জামাত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলেকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত তাহিরপুর উপজেলা কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের নির্বাচনে সিনিয়র সহ- সভাপতি পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ। নবীনগরে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর সাপাহারে ১৬ বিজিবি’র আওতায় নতুন আদাতলা বিওপি ক্যাম্পের উদ্বোধন।

অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করতে আইন আছে আইনের প্রয়োগ নেই

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ৭২ Time View
91

কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মাটি কাটা বন্ধ করতে
সংবাদমাধ্যম গুলো প্রায়ই দেখা যায় লোহাগাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নদ-নদী, খাল-বিল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার খবর প্রকাশিত হচ্ছে। সেই সব খবর দেখলেই বোঝা যায়, লোহাগাড়া উপজেলায় কেউ-ই পরিবেশের কথা ভাবে না। এই যেমন লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ , চরম্বা , কলাউজান, পদুয়া ইউনিয়নের আমিরাবাদ ইউনিয়নের রেললাইনের চতুর পাশে সারারাত ফসলি জমির মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে শক্তি শালী দুইটা গ্রুপ চরম্বা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কেটে নিয়ে যাচ্ছে অন্যদিকে টংকবতি ও ডলু খাল সহ বিভিন্ন খালের বালু চরে টংকবতি ও বালু নদ থেকে ২৪ পাওয়ার সম্পন্ন মেশিন বসিয়ে অবাধে বালু এবং মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে।
যদিও এই এলাকায় সরকারিভাবে কোনো বালুমহাল নেই, তারপরও স্থানীয় জামাত শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীরা জোটবদ্ধ হয়ে সিন্ডিকেট করে মাটি ও বালু উত্তোলনের কাজটি করে যাচ্ছেন। এই সিন্ডিকেটে আবার প্রভাবশালী নেতারা পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ ভাবে মোটা অংকের বিনিময়ে সহযোগিতা করছেন, ইউপি সদস্য ও ঠিকাদারও যুক্ত আছেন। স্থানীয়দের এমন অভিযোগের ব্যাপারটি জানা যায়।
নদ-নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হলে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটে। এর খেসারত দিতে হয় স্থানীয় জনসাধারণকে। পাশাপাশি কাল ভাঙন, রাস্তাঘাট ভেঙে যাওয়া, কালের গতিপথের পরিবর্তন ঘটে এবং সর্বোপরি জলবায়ু ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ফসলি জমি ও পাহাড় কাটা রোধে সরকারের পক্ষ থেকে একটি আইন করা হয়েছে—বালুমহাল মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০। এই আইনের ধারা ৪-এর উপধারা (গ) মতে,বালু বা মাটি উত্তোলন বা বিপণনের উদ্দেশ্যে ড্রেজিংয়ের ফলে কোনো নদীর তীর ভাঙনের শিকার হতে পারে—এরূপ এবং উপধারা (ঙ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন উক্ত বোর্ড কর্তৃক চিহ্নিত সেচ, পানিনিষ্কাশন, বন্যানিয়ন্ত্রণ বা নদীভাঙন রোধকল্পে নির্মিত অবকাঠামো সংলগ্ন এলাকা হইলে বালু বা মাটি উত্তোলন নিষিদ্ধ।’ এ ছাড়া এ আইনের ধারা ৫ (১)-এ বলা হয়েছে, ‘পাম্প বা ড্রেজিং বা অন্য কোনো মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাইবে না।’
আইন থাকার পরও যখন এ ধরনের নিষিদ্ধ কাজটি করা হয়, তখন আমাদের মনে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক, তাহলে স্থানীয় প্রশাসনের কাজটা কী? আরও প্রশ্ন আসে, স্থানীয় সরকারি দলের নেতাদের অপকর্ম দেখেও প্রশাসনের লোকজন কীভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছেন? কীভাবে এ ধরনের অপরাধমূলক কাজ দিনের পর দিন সেখানে চলতে পারে? এ ধরনের অপরাধমূলক কাজ স্থানীয় থানা পুলিশ ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের প্রশ্রয় ছাড়া এই অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন করা সম্ভব নয়।
স্থানীয় জনসাধারণ আরো বলেন আমরা মনে করি, পরিবেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে গুরুত্ব না দেওয়ার কারণে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে। বালু ও মাটি উত্তোলকদের কাছে ব্যবসা আর টাকাই প্রধান। কিন্তু স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কীভাবে এহেন অপকর্মের সহযোগী হতে পারেন?
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে উচ্চ আদালত বিভিন্ন সময় নির্দেশনা দিয়েছেন, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পরও কেন অবৈধ দখলদার-বালু উত্তোলকদের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা নেওয়া হয় না, তা আমাদের বোধগম্য নয়।
যারা এই ঘটনার হর্তাকর্তা, তাদের সবাইকে দেশের প্রচলিত আইনে বিচারের আওতায় আনার কোনো বিকল্প নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026