মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য উদঘাটনের দাবি পুলিশের
Reporter Name
Update Time :
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
৫০
Time View
মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য উদঘাটনের দাবি পুলিশের
সাব্বির আহমেদ মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি।। মাদারীপুর শহরের একটি ফ্ল্যাট বাসা থেকে আট মাসের শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রাথমিক রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। স্ত্রীর চিকিৎসাজনিত ঋণের চাপ থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে স্ত্রীকে হত্যার পর সন্তানকে নিয়ে চিন্ময় দাস আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। পুলিশ জানায়, শহরের আমিরাবাদ এলাকায় সান্তনা রানী চন্দ্রের বাসায় প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে ভাড়া থাকতেন মাদারীপুর সদর উপজেলার পূর্ব কলাগাছিয়া এলাকার যতিন দাস ও তার স্ত্রী মিষ্টি বাড়ৈ। রবিবার বিকেলে যতিনের প্রথম স্ত্রীর ছেলে চিন্ময় দাস তার স্ত্রী ইসরাত জাহান সাউদা ও আট মাসের কন্যাসন্তানকে নিয়ে ঢাকা থেকে সেখানে আসেন। রাতের খাবার শেষে তারা একটি কক্ষে অবস্থান নেন। পরে দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে সোমবার ভোরে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চিন্ময়ের স্ত্রী শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। তার চিকিৎসায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হওয়ায় ঋণের চাপে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন চিন্ময়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি প্রথমে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে আট মাসের সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আত্মহত্যা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
99
সাব্বির আহমেদ
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি।।
মাদারীপুর শহরের একটি ফ্ল্যাট বাসা থেকে আট মাসের শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রাথমিক রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। স্ত্রীর চিকিৎসাজনিত ঋণের চাপ থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে স্ত্রীকে হত্যার পর সন্তানকে নিয়ে চিন্ময় দাস আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার দুপুরে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, শহরের আমিরাবাদ এলাকায় সান্তনা রানী চন্দ্রের বাসায় প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে ভাড়া থাকতেন মাদারীপুর সদর উপজেলার পূর্ব কলাগাছিয়া এলাকার যতিন দাস ও তার স্ত্রী মিষ্টি বাড়ৈ। রবিবার বিকেলে যতিনের প্রথম স্ত্রীর ছেলে চিন্ময় দাস তার স্ত্রী ইসরাত জাহান সাউদা ও আট মাসের কন্যাসন্তানকে নিয়ে ঢাকা থেকে সেখানে আসেন।
রাতের খাবার শেষে তারা একটি কক্ষে অবস্থান নেন। পরে দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে সোমবার ভোরে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চিন্ময়ের স্ত্রী শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। তার চিকিৎসায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হওয়ায় ঋণের চাপে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন চিন্ময়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি প্রথমে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে আট মাসের সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আত্মহত্যা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।