জিয়াউল আহসানের বিভিন্ন কুকীর্তির জবানবন্দিতে কায়েস
Reporter Name
Update Time :
সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
৫৪
Time View
জিয়াউল আহসানের বিভিন্ন কুকীর্তির জবানবন্দিতে কায়েস
কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪ কপ্রথমে গুলির শব্দ। জঙ্গলে ঢুকতেই চোখে পড়ে দু-তিনজনের গুলিবিদ্ধ লাশ। কিছুক্ষণ পরই মেলে একটি ছাগল। আর এ ছাগলটিই লাশের পাশে জবাই দিয়ে দুপুরের খাবার সারেন কর্মকর্তারা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া এক জবানবন্দিতে সুন্দরবনের একটি অভিযানের এমনই বর্ণনা দিয়েছেন সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস। যিনি একসময় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের রানার ছিলেন। আওয়ামী লীগের আমলে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধে জিয়াউলের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল রোববার (২১ জুন)। এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ইমরুল। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। দিনভর চলা জবানবন্দিতে জিয়াউল আহসানের বিভিন্ন কুকীর্তির কথা সামনে আনেন ইমরুল কায়েস। তুলে ধরা হয় গুম-খুনের বি ভৎস বর্ণনাও। ২০০১ সালের ৫ এপ্রিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে আর্মার্ড কোরে যোগদান করেন ইমরুল। ২০১০-১২ সাল পর্যন্ত র্যাব হেডকোয়ার্টারে প্রেষণে কর্মরত ছিলেন তিনি। র্যাব হেডকোয়ার্টারে ইন্টেলিজেন্স উইংয়েও চাকরি করা হয়। ২০১০ সালের ১০ আগস্ট র্যাবে পোস্টিং হন এই সেনাসদস্য। পোস্টিংয়ের পর প্রথমে তাকে অ্যাডমিন উইংয়ে রাখা হয়। এরপর র্যাবের বিভিন্ন ইউনিট বা সংস্থায় বদলি করা হয়। বর্তমানে ওয়ারেন্ট অফিসার হিসেবে রংপুর সেনানিবাসে কর্মরত রয়েছেন তিনি।
105
কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪
কপ্রথমে গুলির শব্দ। জঙ্গলে ঢুকতেই চোখে পড়ে দু-তিনজনের গুলিবিদ্ধ লাশ। কিছুক্ষণ পরই মেলে একটি ছাগল। আর এ ছাগলটিই লাশের পাশে জবাই দিয়ে দুপুরের খাবার সারেন কর্মকর্তারা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া এক জবানবন্দিতে সুন্দরবনের একটি অভিযানের এমনই বর্ণনা দিয়েছেন সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস। যিনি একসময় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের রানার ছিলেন।
আওয়ামী লীগের আমলে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধে জিয়াউলের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল রোববার (২১ জুন)। এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ইমরুল। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
দিনভর চলা জবানবন্দিতে জিয়াউল আহসানের বিভিন্ন কুকীর্তির কথা সামনে আনেন ইমরুল কায়েস। তুলে ধরা হয় গুম-খুনের বি ভৎস বর্ণনাও।
২০০১ সালের ৫ এপ্রিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে আর্মার্ড কোরে যোগদান করেন ইমরুল। ২০১০-১২ সাল পর্যন্ত র্যাব হেডকোয়ার্টারে প্রেষণে কর্মরত ছিলেন তিনি। র্যাব হেডকোয়ার্টারে ইন্টেলিজেন্স উইংয়েও চাকরি করা হয়। ২০১০ সালের ১০ আগস্ট র্যাবে পোস্টিং হন এই সেনাসদস্য। পোস্টিংয়ের পর প্রথমে তাকে অ্যাডমিন উইংয়ে রাখা হয়। এরপর র্যাবের বিভিন্ন ইউনিট বা সংস্থায় বদলি করা হয়। বর্তমানে ওয়ারেন্ট অফিসার হিসেবে রংপুর সেনানিবাসে কর্মরত রয়েছেন তিনি।