টিআর প্রকল্পে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের দুই ঘণ্টার মধ্যেই সাংবাদিক রিয়াজুল ইসলাম রুহীর ওপর হামলার অভিযোগ, স্মার্টফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি
Reporter Name
Update Time :
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
১৬৩
Time View
টিআর প্রকল্পে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের দুই ঘণ্টার মধ্যেই সাংবাদিক রিয়াজুল ইসলাম রুহীর ওপর হামলার অভিযোগ, স্মার্টফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি
এস এম মনিরুজ্জামান| স্ট্যাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নে টিআর/কাবিখা প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন একটি ঢালাই রাস্তার কাজে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক রিয়াজুল ইসলাম রুহীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় আহত সাংবাদিক বর্তমানে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জানা গেছে, গত ২ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বেরুবাড়ী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিরারভিটা গ্রামে টিআর/কাবিখা প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন একটি ঢালাই রাস্তার কাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে একটি ভিডিও সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পের কাগজপত্র অনুযায়ী রাস্তার দৈর্ঘ্য ৪০০ ফুট এবং প্রস্থ ১০ ফুট হওয়ার কথা থাকলেও সরেজমিনে রাস্তার প্রস্থ প্রায় ৮ ফুট পাওয়া গেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এছাড়া ঢালাই কাজে নিম্নমানের ৩ নম্বর ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ওই সংবাদ প্রকাশের প্রায় দুই ঘণ্টা পর একই দিন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বেরুবাড়ী বাজার এলাকায় ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আশরাফুল আলম এবং তার ভাই আতাউর রহমান তার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। সাংবাদিক রিয়াজুল ইসলাম রুহী দৈনিক সরেজমিন-এর নাগেশ্বরী উপজেলা প্রতিনিধি এবং আপডেট নিউজ নাগেশ্বরী ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন। সংশ্লিষ্ট সংবাদটি ওই ফেসবুক পেজ থেকেই প্রকাশ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগীর আরও অভিযোগ, হামলার সময় হামলাকারীরা তার কাছে থাকা প্রায় ৫৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্যামসাং স্মার্টফোন, নগদ টাকাসহ মানিব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যান। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আশরাফুল আলম-এর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় নাগেশ্বরী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হীল জামান বলেন, "অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
238
এস এম মনিরুজ্জামান| স্ট্যাফ রিপোর্টার
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নে টিআর/কাবিখা প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন একটি ঢালাই রাস্তার কাজে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক রিয়াজুল ইসলাম রুহীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় আহত সাংবাদিক বর্তমানে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানা গেছে, গত ২ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বেরুবাড়ী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিরারভিটা গ্রামে টিআর/কাবিখা প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন একটি ঢালাই রাস্তার কাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে একটি ভিডিও সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পের কাগজপত্র অনুযায়ী রাস্তার দৈর্ঘ্য ৪০০ ফুট এবং প্রস্থ ১০ ফুট হওয়ার কথা থাকলেও সরেজমিনে রাস্তার প্রস্থ প্রায় ৮ ফুট পাওয়া গেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এছাড়া ঢালাই কাজে নিম্নমানের ৩ নম্বর ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ওই সংবাদ প্রকাশের প্রায় দুই ঘণ্টা পর একই দিন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বেরুবাড়ী বাজার এলাকায় ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আশরাফুল আলম এবং তার ভাই আতাউর রহমান তার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
সাংবাদিক রিয়াজুল ইসলাম রুহী দৈনিক সরেজমিন-এর নাগেশ্বরী উপজেলা প্রতিনিধি এবং আপডেট নিউজ নাগেশ্বরী ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন। সংশ্লিষ্ট সংবাদটি ওই ফেসবুক পেজ থেকেই প্রকাশ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর আরও অভিযোগ, হামলার সময় হামলাকারীরা তার কাছে থাকা প্রায় ৫৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্যামসাং স্মার্টফোন, নগদ টাকাসহ মানিব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যান।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আশরাফুল আলম-এর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় নাগেশ্বরী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হীল জামান বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।