1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা : দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকা
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
মুন্সীগঞ্জে ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স-২০২৬’ পেল ইউনুছ খান মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজঃ প্রবাসীদের কল্যাণ ও সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ দূতাবাসের পাশে থাকবে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাব তাহিরপুরে কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের নির্বাচনে প্রচার সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন মোক্তার আবেদীন রাজু। পটিয়ায় বিএনপির বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা। জামালগঞ্জে কারিতাসের উদ্যোগে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচি পালিত। ঝালকাঠির রাজাপুরে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউএনও রিফাত আরা মৌরি* নতুন ঘর পেয়ে আবেগে কাঁদলেন জনম দুঃখী হতদরিদ্র জবেতন বিবি* কিশোরগঞ্জে জামাত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলেকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত তাহিরপুর উপজেলা কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের নির্বাচনে সিনিয়র সহ- সভাপতি পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ। নবীনগরে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর সাপাহারে ১৬ বিজিবি’র আওতায় নতুন আদাতলা বিওপি ক্যাম্পের উদ্বোধন।

র্যোগে থেমে থাকেননি, বন্যার্ত মানুষের পাশে মানবিক শওকত হোসেন

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৪০ Time View
75

মোঃ আতিক উল্লাহ চৌধুরী চট্টগ্রাম।
প্রকৃতির নির্মম রূপে মানুষ বারবার অসহায় হয়ে পড়ে। দুর্যোগের সেই কঠিন সময়ে সবাই মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন না। কেউ আহ্বান জানান, আবার কেউ নীরবে ছুটে যান দুর্গত মানুষের কাছে। তেমনই একজন সমাজসেবক মানবিক শওকত হোসেন। মানবসেবাকে যিনি শুধু দায়িত্ব নয়, জীবনের অন্যতম অঙ্গীকার হিসেবে ধারণ করে আসছেন। চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক বন্যায় বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেলে হাজারো পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়ে। অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে কিংবা উঁচু স্থানে আশ্রয় নেন। কোথাও খাদ্য সংকট, কোথাও বিশুদ্ধ পানির অভাব, আবার কোথাও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে পুরো জনপদ। এমন সংকটময় সময়ে অপেক্ষা না করে স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে মাঠে নামেন মানবিক শওকত হোসেন।
দুর্গম এলাকায় নৌকাযোগে পৌঁছে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে ত্রাণ প্যাকেজ পৌঁছে দেন। শুধু সহায়তা প্রদান নয়, মানুষের কষ্ট কাছ থেকে দেখে তাদের সাহস জোগানো এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার চেষ্টাও ছিল তাঁর কার্যক্রমের অংশ। প্রতিকূল পরিবেশ, দীর্ঘ পথ কিংবা পানিবন্দী এলাকা—কোনো বাধাই তাঁকে থামিয়ে রাখতে পারেনি।এটি মানবিক শওকত হোসেনের প্রথম মানবিক উদ্যোগ নয়। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বেওয়ারিশ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের মাধ্যমে পরিচয়হীন, অসহায় ও পথের ধারে পড়ে থাকা অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা, আশ্রয় ও পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারের খাদ্য সহায়তা, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা সহায়তা, মাসিক খাদ্য সহায়তা, শীতবস্ত্র বিতরণ, ঈদ উপহার, হুইলচেয়ার ও কৃত্রিম পা প্রদানসহ বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ পরিচালনা করে মানবসেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগেও তিনি সবসময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে জরুরি মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি—এই বিশ্বাস থেকেই তিনি নিরলসভাবে মানবকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
মানবিক শওকত হোসেনের এই উদ্যোগে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরাও সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুর্গম এলাকায় পৌঁছে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমেও তিনি আগের মতোই মানুষের পাশে থাকবেন এবং মানবিক সহায়তার এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন।মানবিক শওকত হোসেন বলেন, সম্প্রতি বন্যার সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘চট্টগ্রামের পাশে কেউ নেই’—এমন একটি ধারণা ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। চট্টগ্রামের মানুষ যেমন নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তেমনি দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অসংখ্য মানবিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই ‘চট্টগ্রামের পাশে কেউ নেই’—এমন ধারণা সঠিক নয়। দুর্যোগের সময় সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।বন্যার্ত মানুষের পাশে তাঁর এই নিরলস পথচলা আবারও প্রমাণ করেছে—দুর্যোগ যত বড়ই হোক, মানবতার পথ কখনো থেমে থাকে না। আর সেই পথ ধরেই এগিয়ে চলেছেন মানবিক শওকত হোসেন। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো, বেওয়ারিশ রোগীদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রতিটি দুর্যোগে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়াই যেন তাঁর জীবনের ব্রত। মানবতার সেবায় তাঁর এই নিরলস পথচলা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহল ও বন্যাদুর্গত মানুষের।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026