সীতাকুণ্ডে নির্বাচন অফিসে অতিরিক্ত কাগজের চাহিদাও হয়রানীর অভিযোগ ভুক্তভোগীদের
মোঃ হোসেন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
Update Time :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
৪২
Time View
সীতাকুণ্ডে নির্বাচন অফিসে অতিরিক্ত কাগজের চাহিদাও হয়রানীর অভিযোগ ভুক্তভোগীদের
মোঃ হোসেন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি। চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাচন অফিসে নতুন ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র এনআইডি কার্ড সংক্রান্ত সেবা নিতে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে, এমনটি অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি নির্বাচন কমিশনে ইসি সরকারি গেজেটে বাধ্যতামূলক নয়, এমন অতিরিক্ত কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে, এবং এসব কাগজপত্র জমা না দিলে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে না এনআইডি পাওয়া যাবে না এমনটি অভিযোগ উঠেছে। বুধবার, (২৯ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, সেবা প্রার্থী জনপ্রতিনিধি এবং নির্বাচন অফিস, সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা যায় যে উপজেলা, নির্বাচন অফিসে নতুন ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশনা অনুসরণ করা হচ্ছে। এখানে আবেদনকারীদের নয় ধরনের কাগজপত্র সংগ্রহ করে আনতে বলা হচ্ছে, যাহা অনেক ক্ষেত্রে গেজেটের বাইরে বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্রাহকদের অভিযোগ ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন শিক্ষা কত যোগ্যতা সনদ এবং মা-বাবা জাতীয় পরিচিত পত্রসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু জমা দেওয়ার পরও আরও অতিরিক্ত সাওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে যাদের মা-বাবার এনআইডি নেই, যারা দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন, এবং যাদের অভিভাবক নেই মৃত্যুবরণ করছে তাদের জন্য আরও জটিলহয়ে পড়ছে। এক ভুক্তভোগী আরিফ হোসেন বলেন, আমার ভাবি অসুস্থ, থাকার কারণে, আমি সব কাগজপত্র নিয়ে, নির্বাচন অফিসে এসে সব জমা দিয়ে যায়, এরপরও বারবার নতুন কাগজপত্র, জমা দেওয়ার জন্য বলে, সবকিছু আবার দেওয়ার পরেও, বলেন ভাবিকে নিয়ে আসার জন্য। আমার অসুস্থ ভাবিকে তিন থেকে চার বার নিয়ে আসার পরও, এখন পাওয়া যাচ্ছে না অফিসের কর্মকর্তাদের, সকাল এগারোটা থেকে চারটা পর্যন্ত দাঁড়ায় কর রেখে, পরে এসে বলে চলে যান, এবং তিনি আরো বলেন এই হয়রানি কখন শেষ হবে, একটি সাধারন কাজ শেষ করতে আমাদের বারবার অফিসে আসতে বাধ্য করতেছে। আরেক ভুক্তভোগী বলেন, আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ নেই, কিন্তু নির্বাচন কমিশনে গেজেটে এটি বাধ্যতামূলক, নয়,তারপরে সনদ জমা দিতে বলেন, আর ওইটা জমা দিতে না পারলে দুই হাজার টাকা দাবি করেন, এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ এনও) বলেন, এই বিষয়ে একাধিক অভিযোগের কথা শুনেছি, আমি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীলের সাথে কথা বলে জানাবো, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার অফিসার, মেহেদী হাসানের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একাধিকবার অফিসে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগ পরিপ্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী নাগর ও জনপ্রতিনিধিরা এবং স্থায়ী সচেতন মহলের দাবি,করে বলেন উপর পর্যায়ে কর্মকর্তা, এবং জেলা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি দ্রুত ভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছে, তারা আরো বলেন,ভোটার নিবন্ধন ও মৌলিক নাগরি, সেবা ও সহজ ভাবে, এবং হারানিমূলক না করে নিশ্চিত করার জন্য জোর দাবি করেন।
90
মোঃ হোসেন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।
চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাচন অফিসে নতুন ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র এনআইডি কার্ড সংক্রান্ত সেবা নিতে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে, এমনটি অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি নির্বাচন কমিশনে ইসি সরকারি গেজেটে বাধ্যতামূলক নয়, এমন অতিরিক্ত কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে, এবং এসব কাগজপত্র জমা না দিলে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে না এনআইডি পাওয়া যাবে না এমনটি অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার, (২৯ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, সেবা প্রার্থী জনপ্রতিনিধি এবং নির্বাচন অফিস, সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা যায় যে উপজেলা, নির্বাচন অফিসে নতুন ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশনা অনুসরণ করা হচ্ছে।
এখানে আবেদনকারীদের নয় ধরনের কাগজপত্র সংগ্রহ করে আনতে বলা হচ্ছে, যাহা অনেক ক্ষেত্রে গেজেটের বাইরে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন শিক্ষা কত যোগ্যতা সনদ এবং মা-বাবা জাতীয় পরিচিত পত্রসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু জমা দেওয়ার পরও আরও অতিরিক্ত সাওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে যাদের মা-বাবার এনআইডি নেই, যারা দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন, এবং যাদের অভিভাবক নেই মৃত্যুবরণ করছে তাদের জন্য আরও জটিলহয়ে পড়ছে।
এক ভুক্তভোগী আরিফ হোসেন বলেন, আমার ভাবি অসুস্থ, থাকার কারণে, আমি সব কাগজপত্র নিয়ে, নির্বাচন অফিসে এসে সব জমা দিয়ে যায়, এরপরও বারবার নতুন কাগজপত্র, জমা দেওয়ার জন্য বলে, সবকিছু আবার দেওয়ার পরেও, বলেন ভাবিকে নিয়ে আসার জন্য।
আমার অসুস্থ ভাবিকে তিন থেকে চার বার নিয়ে আসার পরও, এখন পাওয়া যাচ্ছে না অফিসের কর্মকর্তাদের, সকাল এগারোটা থেকে চারটা পর্যন্ত দাঁড়ায় কর রেখে, পরে এসে বলে চলে যান, এবং তিনি আরো বলেন এই হয়রানি কখন শেষ হবে, একটি সাধারন কাজ শেষ করতে আমাদের বারবার অফিসে আসতে বাধ্য করতেছে।
আরেক ভুক্তভোগী বলেন, আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ নেই, কিন্তু নির্বাচন কমিশনে গেজেটে এটি বাধ্যতামূলক, নয়,তারপরে সনদ জমা দিতে বলেন, আর ওইটা জমা দিতে না পারলে দুই হাজার টাকা দাবি করেন,
এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ এনও) বলেন, এই বিষয়ে একাধিক অভিযোগের কথা শুনেছি, আমি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীলের সাথে কথা বলে জানাবো,
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার অফিসার, মেহেদী হাসানের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একাধিকবার অফিসে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি।
এই অভিযোগ পরিপ্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী নাগর ও জনপ্রতিনিধিরা এবং স্থায়ী সচেতন মহলের দাবি,করে বলেন উপর পর্যায়ে কর্মকর্তা, এবং জেলা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি দ্রুত ভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছে, তারা আরো বলেন,ভোটার নিবন্ধন ও মৌলিক নাগরি, সেবা ও সহজ ভাবে, এবং হারানিমূলক না করে নিশ্চিত করার জন্য জোর দাবি করেন।