কুলিয়ারচরে স্বামীর বাড়িতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, দুই শিশুকন্যাকে রেখে না ফেরার দেশে সুবর্ণা
মাহিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
Update Time :
শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
৩৩
Time View
কুলিয়ারচরে স্বামীর বাড়িতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, দুই শিশুকন্যাকে রেখে না ফেরার দেশে সুবর্ণা
মাহিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় স্বামীর বাড়ি থেকে সুবর্ণা (২৪) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের ভিটিগাঁও গ্রামের সওদাগর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে কুলিয়ারচর থানা পুলিশ। নিহত সুবর্ণা নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার ওলিপুরা ইউনিয়নের নবীয়াবাজ গ্রামের আব্দুল রউফ ভূঁইয়া ও শিল্পী বেগমের মেয়ে। প্রায় নয় বছর আগে পারিবারিকভাবে কুলিয়ারচরের ভিটিগাঁও গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মোমেন মিয়া (২৮)-এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বড় মেয়ে সিন্থিয়ার বয়স পাঁচ বছর এবং ছোট মেয়ে সারা মনির বয়স মাত্র ছয় মাস। মোমেন মিয়া পেশায় একজন সিএনজি অটোরিকশাচালক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরের দিকে স্বামীর বাড়ির একটি কক্ষে সুবর্ণাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হলে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে কুলিয়ারচর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এদিকে, গৃহবধূর এমন আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরাও ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক বলে উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে ছয় মাস বয়সী শিশুসন্তান ও পাঁচ বছরের কন্যাকে রেখে সুবর্ণার মৃত্যু এলাকাবাসীকে আবেগাপ্লুত করেছে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে রাজি হয়নি পুলিশ। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ধরনের মন্তব্য করা সমীচীন হবে না বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যদি মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ বা কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় এলাকায় নানা ধরনের আলোচনা চললেও পুলিশ সবাইকে গুজব বা যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্বজনরা সুবর্ণার মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
64
মাহিন আহমেদ
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় স্বামীর বাড়ি থেকে সুবর্ণা (২৪) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের ভিটিগাঁও গ্রামের সওদাগর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে কুলিয়ারচর থানা পুলিশ।
নিহত সুবর্ণা নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার ওলিপুরা ইউনিয়নের নবীয়াবাজ গ্রামের আব্দুল রউফ ভূঁইয়া ও শিল্পী বেগমের মেয়ে। প্রায় নয় বছর আগে পারিবারিকভাবে কুলিয়ারচরের ভিটিগাঁও গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মোমেন মিয়া (২৮)-এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বড় মেয়ে সিন্থিয়ার বয়স পাঁচ বছর এবং ছোট মেয়ে সারা মনির বয়স মাত্র ছয় মাস। মোমেন মিয়া পেশায় একজন সিএনজি অটোরিকশাচালক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরের দিকে স্বামীর বাড়ির একটি কক্ষে সুবর্ণাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হলে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে কুলিয়ারচর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, গৃহবধূর এমন আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরাও ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক বলে উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে ছয় মাস বয়সী শিশুসন্তান ও পাঁচ বছরের কন্যাকে রেখে সুবর্ণার মৃত্যু এলাকাবাসীকে আবেগাপ্লুত করেছে।
তবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে রাজি হয়নি পুলিশ। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ধরনের মন্তব্য করা সমীচীন হবে না বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যদি মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ বা কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় নানা ধরনের আলোচনা চললেও পুলিশ সবাইকে গুজব বা যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বজনরা সুবর্ণার মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।