1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
ফরিদগঞ্জের নবাগত ইউএনওর সঙ্গে স্বপ্ন ছায়া সামাজিক সংগঠনের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিএমপিতে রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র (অনূর্ধ্ব-১৮) ক্রিকেট লীগ ২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম (সিএমপি) পুরাতন গির্জার পাশে কাজলের নেতৃত্বে অবৈধ রিগ্যাল হোটেল ও পূর্বী হোটেলে চলছে অবৈধ দেহ ব্যবসা পীরগঞ্জে লাচ্ছি নদীর নাব্যতা দেখে ড্রেনের দেঁতো হাসি! নবীনগরে গাছের চারা লাগানো নিয়ে বিরোধ, বাক্‌প্রতিবন্ধী নারীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ সিএমপি’র ডিবি (উত্তর) বিভাগের অভিযানে ২৮,৮০০ (আটাশ হাজার আটশত) পিচ ইয়াবাসহ ০১ (এক) জন মাদক কারবারি গ্রেফতার* শ্যামনগরে পরিবারে আয় বৃদ্ধি করতে হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সিএমপি কমিশনারের ‘ওপেন হাউজ ডে’-তে সেবা নিলেন সেবাপ্রত্যাশীরা প্যারিস খাল বাঁচাতে মাঠে নামল তরুণরা: ফুটস্টেপসের সঙ্গে তিন দিনের “চলো খাল বাঁচাই” অভিযানে গো আপ ফাউন্ডেশন। সুন্দরবনে পৃথক অভিযানে ২ নৌকাসহ ৭ জেলে আটক পরিতোষ কুমার বৈদ্য

দাগনভুঁইয়া পিআইও’র বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক আবু বক্কর ছিদ্দিক ফেনী।
  • Update Time : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৬০ Time View
63

নিজস্ব প্রতিবেদক আবু বক্কর ছিদ্দিক ফেনী।
কমিশন বাণিজ্য, অনিয়ম, ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ ও অসদাচরণের অভিযোগে প্রশাসনের দ্বারস্থ ভুক্তভোগীরা
ফেনী জেলার দাগনভুঁইয়া উপজেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রবিউল হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ঠিকাদার, স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, টিআর (টেস্ট রিলিফ) ও কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) প্রকল্পে কাজ পেতে এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন নেওয়া হয়। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, পিআইও রবিউল হোসেন অফিস কার্যক্রম পরিচালনায় একটি নিজস্ব বাহিনী ব্যবহার করেন, যা প্রশাসনিক পরিবেশকে ভীতিকর করে তুলেছে। তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, অফিসে বসেই তিনি চাউলের ডিলারির মতো কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং টিআর ও কাবিখা প্রকল্পগুলো নিজেই নিয়ন্ত্রণ করেন। ফলে কোনো ঠিকাদার স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পান না। কাজ করতে গেলে তাকে বাধ্যতামূলকভাবে ১৫ শতাংশ কমিশন দিতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রকল্পের কাজ শেষে বিল উত্তোলনের ক্ষেত্রেও নতুন করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ দাবি করা হয়। অন্যথায় বিল প্রদান বিলম্বিত করা হয় এবং কখনো কখনো অকথ্য ভাষায় গালাগালির শিকার হতে হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট পিআইও’র আচরণ একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তির মতো এবং তিনি সরকারি অর্থকে নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করেন। নিয়মিত অফিস না করা এবং দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টিও অভিযোগের তালিকায় রয়েছে।
এইসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগীরা মহাপরিচালক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর (ডিডিএম), ফেনী জেলা প্রশাসক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ফেনী কার্যালয়, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা, এবং দাগনভুঁইয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিতভাবে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা আশা করছেন, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
দাগনভুঁইয়া উপজেলার উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026