দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ, আতঙ্কে পরিবার
Reporter Name
Update Time :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
৫৪
Time View
দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ, আতঙ্কে পরিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ৪নং শমসেরনগর ইউনিয়নের ভাদাইর দেউল গ্রামে(মাস্টার বাড়ি) দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল লোকের প্রকাশ্যে হামলার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৫ জুলাই ২০২৬ (শনিবার) সকাল আনুমানিক ১১টায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারী পরিবারের দাবি, বাড়ির পুরুষ সদস্যরা অনুপস্থিত থাকায় নারীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে একই ইউনিয়নের দক্ষিণ কেচুলুটি গ্রামের কামরান হোসেন বদর (পিতা: মৃত আব্দুর রহিম)-এর নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে হামলা চালায়। অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন— ১. কামরান হোসেন বদর ২. মানিক মিয়া ৩. জহির মিয়া ৪. সৌরভ ৫. রিয়াজ ৬. শুকুর এছাড়াও আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি হামলায় অংশ নেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হামলাকারীরা বাড়ির আঙিনায় থাকা মৌসুমি জাতের প্রায় ১০০টিরও বেশি ফলদ গাছ কেটে ফেলে। একই সঙ্গে তারা শাজাহান মিয়ার স্ত্রী ও কন্যাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সময় আতঙ্কিত হয়ে পরিবারের সদস্যরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে কমলগঞ্জ থানার শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই হামিমের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাজাহান মিয়াকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্বেই আদালতে দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগকারীদের দাবি, ওই মামলার নোটিশ পাওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্তরা এ হামলা চালায়। পরিবারের আরও অভিযোগ, কামরান হোসেন বদর বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে স্বল্পমূল্যে জমি ক্রয়ের পর অতিরিক্ত জমি দখলের চেষ্টা করেন। শাজাহান মিয়ার বোনদের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি দখলের উদ্দেশ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। এদিকে, মাস্টারবাড়ির ক্লোজড সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরায় দেশীয় অস্ত্র হাতে কয়েকজন ব্যক্তির চলাচলের দৃশ্য ধারণ হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। শাজাহান মিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
96
নিজস্ব প্রতিবেদক
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার
৪নং শমসেরনগর ইউনিয়নের ভাদাইর দেউল গ্রামে(মাস্টার বাড়ি) দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল লোকের প্রকাশ্যে হামলার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৫ জুলাই ২০২৬ (শনিবার) সকাল আনুমানিক ১১টায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগকারী পরিবারের দাবি, বাড়ির পুরুষ সদস্যরা অনুপস্থিত থাকায় নারীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে একই ইউনিয়নের দক্ষিণ কেচুলুটি গ্রামের কামরান হোসেন বদর (পিতা: মৃত আব্দুর রহিম)-এর নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে হামলা চালায়।
অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন— ১. কামরান হোসেন বদর
২. মানিক মিয়া
৩. জহির মিয়া
৪. সৌরভ
৫. রিয়াজ
৬. শুকুর
এছাড়াও আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি হামলায় অংশ নেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হামলাকারীরা বাড়ির আঙিনায় থাকা মৌসুমি জাতের প্রায় ১০০টিরও বেশি ফলদ গাছ কেটে ফেলে। একই সঙ্গে তারা শাজাহান মিয়ার স্ত্রী ও কন্যাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার সময় আতঙ্কিত হয়ে পরিবারের সদস্যরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে কমলগঞ্জ থানার শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই হামিমের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাজাহান মিয়াকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্বেই আদালতে দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগকারীদের দাবি, ওই মামলার নোটিশ পাওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্তরা এ হামলা চালায়।
পরিবারের আরও অভিযোগ, কামরান হোসেন বদর বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে স্বল্পমূল্যে জমি ক্রয়ের পর অতিরিক্ত জমি দখলের চেষ্টা করেন। শাজাহান মিয়ার বোনদের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি দখলের উদ্দেশ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
এদিকে, মাস্টারবাড়ির ক্লোজড সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরায় দেশীয় অস্ত্র হাতে কয়েকজন ব্যক্তির চলাচলের দৃশ্য ধারণ হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। শাজাহান মিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।