
খ,ম,জায়েদ হোসেন,নাসিরনগর,
(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি) এবং “এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম”এর আওতায় দিনব্যাপী “স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন কর্মসূচি”অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার ১২ জুন সকালে “মেধা, বিজ্ঞান, উদযোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এই প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনা নাছরীনের সভাপতিত্বে ও একাডেমিক সুপারভাইজার রহিমা খাতুনের সঞ্চালনায়
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ নাসিরনগর সংসদীয় ২৪৩ আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি জননেতা এম এ হান্নান এমপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে বতর্মান সরকার নতুন এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জীবন চন্দ্র ভট্টাচার্য্য।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নাসিরনগর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ রমজান আলী,চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওমর আলী,উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কেএম বসির উদ্দিন তুহিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গোকর্ণ স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সঞ্জিত কুমার দেব,চাতলপাড় কলেজের প্রভাষক মনিরুল হোসাইন মনির। প্রদর্শনে অংশগ্রহণকারী ৩ জন শিক্ষার্থী এবং ২ জন শিক্ষকের সমন্বয়ে গঠিত দলগুলো নিজেদের প্রজেক্ট বিচারকদের সামনে প্রদর্শন করেন। পরে “স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার, ক্রেষ্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি) এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ‘পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস (পিবিজিএসআই) স্কিম’-এর আওতায় দেশব্যাপী আয়োজন করা হচ্ছে ‘স্টার্টআপ,সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং ফর সেকেন্ডারি লেভেল স্টুডেন্টস অ্যান্ড টিচার্স’ কর্মসূচি। এ প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। উপজেলা ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনজন শিক্ষার্থী ও দুইজন শিক্ষক নিয়ে একটি দল গঠন করে উপজেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনীতে অংশ নেন।
স্টার্টআপ বিভাগে শিক্ষার্থীরা সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে নতুন ব্যবসায়িক বা সেবাধর্মী ধারণা উপস্থাপন করেন। বিজ্ঞান প্রকল্প বিভাগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন তত্ত্ব ও সূত্রের ব্যবহারিক প্রয়োগভিত্তিক মডেল প্রদর্শন করা হয় । অন্যদিকে ইনোভেশন আইডিয়া বিভাগে মানুষের জীবনকে সহজ ও কার্যকর করতে বাস্তবসম্মত নতুন উদ্ভাবনী ধারণা তুলে ধরা হয় ।