
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।
চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড উপজেলা সরকারি খাল দখল করে গাইড ওয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বিএস আর এম এর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
খাল দখল করে গার্ড ওয়ান নির্মাণ করছে উপজেলা জোড়ামতল এলাকায় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে রাস্তার পূর্বপাশে পানি চলাচলের যে সরকারি খালটি রয়েছে সে খালটিকে প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে খালের বেশ কিছু অংশ দখল করা হয়েছে এমটি অভিযোগ স্থানীয়দের।
এবং খাল দখল করে গাইড ওয়াল নির্মাণ কাজ চলছে এবং খালের অংশে বেশ কয়েকটি, ফাইলিং করে ফিলার করা হয়েছে, এতে খালে পানি প্রবাহিত হতে বাধার সৃষ্টি হবে এমনটি মনে করেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তারা বলেন এমনভাবে খাল দখল হতে থাকলে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে।
পানির প্রবাহিত না হলে ময়লা আবর্জনা পচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হবে, জন্ম নেবে প্রাণঘাতী ডেঙ্গু মশা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এলাকাবাসী বলেন, শত বছরের খালটি এখান সরকারি খাল দখল হচ্ছে, আমরা খাল দখল করার পক্ষে না আমরা দখলদারদের বিভিন্নভাবে বাধা দিও থামাতে পারছি না, আমরা এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উপর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
জানা যায় খাল দলকারী বিএস আর এম একটি প্রতিষ্ঠান গাড়ির ডিপো করার জন্য তাদের নিজস্ব জাগার সাথে সরকারি খালের কিছু অংশ মিলিয়ে তারা ফাইলিং করে,ওয়াল নির্মাণের এই অভিযোগটি উঠেছে, সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়, জোড়ামতল বাজার এলাকায়, ঠিক রাস্তার পূর্বপাশে, পানি চলাচলের যে সরকারি খালটি রয়েছে, তার বেশি অংশ, বিএসআরএম এর প্রতিষ্ঠা গাড়ি ডিপো করার লক্ষ্যে, তাদের জাগার সাথে খালের কিছু অংশ কাজ চলমান দেখা গেল,
এবিষয়ে বিএস আর এম এর কর্মকর্তা মোঃ, ইসমাইল হোসেন বলেন,আমরা আমাদের সার্বিয়ার দিয়ে মেপে কাজ চালাচ্ছে,আমরা সরকারি খাল দখলকরিনি।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডে উভ বিভাগীয় প্রকৌশলী কর্মকর্তা সৈয়দ আশরাফ আলী, বলেন,খাল ভরাটের বিষয়ে আমাদের কোন সার্বিয়া যায়নি,এবং আমরা শুনিনি, এ বিষয়ে আমরা তদন্ত করে দেখব।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে সীতাকুন্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফখরুল ইসলাম বলেন,খাল দখলের বিষয়টি আমরা জানি না, আমরা এই বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।