
মোঃ জমির উদ্দিন,
পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। এরই ধারাবাহিকতায় রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ২ নম্বর পারুল ইউনিয়নেও বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার ও জনসমাগমস্থলগুলোতে এখন আলোচনার প্রধান বিষয় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।
সম্ভাব্য এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন ২ নম্বর পারুল ইউনিয়নের ২০১৬ সালে ধানের শীষ মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের আহবায়ক,পীরগাছা উপজেলা শাখা, সাবেক একাধিক বার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের সাধারণ সম্পাদক,ও খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি ২ নম্বর পারুল ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক, জাহাঙ্গীর আলম।
স্থানীয়দের কাছে তিনি একজন জনবান্ধব ও পরোপকারী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তিনি জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি মোহাম্মদ আমির হোসেন পুত্র। দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য। ইউনিয়নের জনগণ অতীতে আমাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুব দল সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। আমি সেই আস্থার প্রতিদান দিতে চাই।”বিগত সরকারের সময় বিভিন্ন মামলায় একাধিক বার জেল হাজতে খেটেছি”
তিনি আরও বলেন, “আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবার জন্য কাজ করতে চাই। ন্যায়, অধিকার ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় অতীতেও আপস করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না। ইউনিয়নের উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”
নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন নাগরিক সেবা বিনামূল্যে দেওয়ার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, “কোনো সেবার জন্য জনগণকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হবে না। সকল ধরনের ভাতা কার্যক্রম স্বচ্ছ ও বিনামূল্যে সম্পন্ন করা হবে। আমি ২ নম্বর পারুল ইউনিয়নকে পীরগাছা উপজেলার একটি মাদক মুক্ত ও রোল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তার এ ঘোষণাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দল-মত নির্বিশেষে অনেকেই জাহাঙ্গীর আলমকে একজন সৎ, কর্মঠ ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে মূল্যায়ন করেন।
স্থানীয়দের মতে, খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি সাধারণ সম্পাদক, থাকাকালীন সময়েও তিনি ইউনিয়নের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। এ কারণে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখছেন অনেকেই।