বাজার ব্রিজের নিচে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড
মাহিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
Update Time :
বৃহস্পতিবার, জুলাই ৩০, ২০২৬,
16 Time View
বাজার ব্রিজের নিচে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড
মাহিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বাজার ব্রিজের নিচে পরিচালিত এ অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শাহিনুর (২৩) নামে এক যুবককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাজার ব্রিজসংলগ্ন নদী এলাকায় একটি চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সেতু ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়। বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কার্যক্রমের সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শাহিনুরকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযান চলাকালে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদন ছাড়া নদী থেকে বালু উত্তোলন দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং নদীর তলদেশের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট করে। ফলে নদীভাঙন, সেতু ও কালভার্টের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়া এবং আশপাশের কৃষিজমি ও বসতবাড়ির জন্য ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবশেষে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও নিয়মিত নজরদারির দাবি জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জলাল উদ্দিন বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। কেউ আইনের বাইরে গিয়ে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থ এবং পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, নদী দখল কিংবা পরিবেশবিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণকে এসব অনিয়মের তথ্য প্রশাসনকে জানিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। তাই এ ধরনের অপরাধ বন্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসনের এমন উদ্যোগে পরিবেশ রক্ষা ও নদী সংরক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টদের আশা।
20
মাহিন আহমেদ
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বাজার ব্রিজের নিচে পরিচালিত এ অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শাহিনুর (২৩) নামে এক যুবককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাজার ব্রিজসংলগ্ন নদী এলাকায় একটি চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সেতু ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়।
বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কার্যক্রমের সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শাহিনুরকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান চলাকালে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদন ছাড়া নদী থেকে বালু উত্তোলন দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং নদীর তলদেশের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট করে। ফলে নদীভাঙন, সেতু ও কালভার্টের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়া এবং আশপাশের কৃষিজমি ও বসতবাড়ির জন্য ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবশেষে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও নিয়মিত নজরদারির দাবি জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জলাল উদ্দিন বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। কেউ আইনের বাইরে গিয়ে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থ এবং পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, নদী দখল কিংবা পরিবেশবিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণকে এসব অনিয়মের তথ্য প্রশাসনকে জানিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। তাই এ ধরনের অপরাধ বন্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসনের এমন উদ্যোগে পরিবেশ রক্ষা ও নদী সংরক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টদের আশা।