নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে বখাটেদের মারধর এবং পরবর্তীতে পরিবারের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সইতে না পেরে মিষ্টি রানী (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের ঘুঘুমারী জেলে পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিষ্টি রানী ওই গ্রামের ননী গোপাল ওরফে পেলকা’র মেয়ে এবং ঘুঘুমারী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির নিয়মিত ছাত্রী ছিল।স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঘুঘুমারী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং একই এলাকার মোঃ আনোয়ার হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন ওরফে লিসা’র সাথে মিষ্টি রানীর দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। গত কয়েকদিন আগে তারা দুজনে স্থানীয় ঘুঘুমারী দুয়াই-সুয়াই পুকুর পাড়ে দেখা করতে গেলে এলাকার কিছু বখাটে যুবক তাদের অবরুদ্ধ করে। সেখানে বখাটেরা কিশোর ও কিশোরীকে বেধড়ক মারপিট করে আটকে রাখে। পরে স্থানীয় ‘টটে’ নামের এক ব্যক্তি মধ্যস্থতার নামে আলমগীরের বাবার কাছ থেকে নগদ ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা হাতিয়ে নিয়ে ছেলেকে ছেড়ে দেয়।ঘটনার পরদিন মিষ্টি রানী তার নিজ বাড়িতে পরিবারের কাছে আলমগীরের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে এবং তাকেই বিয়ে করার আকুতি জানায়। এ কথা শোনার পর মেয়ের বাবা-মা ক্ষিপ্ত হয়ে মিষ্টি রানীর ওপর তীব্র মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালান। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।এ বিষয়ে স্থানীয়রা বখাটেদের চাঁদাবাজি-মারধর এবং পরিবারের অতি-নিয়ন্ত্রণ ও নির্মম নির্যাতনকেই এই কিশোরীর অকাল মৃত্যুর পেছনে দায়ী করছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।নীলফামারীর জলঢাকায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে বখাটেদের মারধর ও পরিবারের নির্যাতনে মিষ্টি রানী (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মীরগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) মোঃ রাজু সরকার জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুরতহাল তৈরি করেছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তহমিদার রহমান মিলন নীলফামারী প্রতিনিধি ৩০/৭/২০২৬ খ্রিঃ
163
নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে বখাটেদের মারধর এবং পরবর্তীতে পরিবারের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সইতে না পেরে মিষ্টি রানী (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের ঘুঘুমারী জেলে পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিষ্টি রানী ওই গ্রামের ননী গোপাল ওরফে পেলকা’র মেয়ে এবং ঘুঘুমারী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির নিয়মিত ছাত্রী ছিল।স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঘুঘুমারী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং একই এলাকার মোঃ আনোয়ার হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন ওরফে লিসা’র সাথে মিষ্টি রানীর দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। গত কয়েকদিন আগে তারা দুজনে স্থানীয় ঘুঘুমারী দুয়াই-সুয়াই পুকুর পাড়ে দেখা করতে গেলে এলাকার কিছু বখাটে যুবক তাদের অবরুদ্ধ করে। সেখানে বখাটেরা কিশোর ও কিশোরীকে বেধড়ক মারপিট করে আটকে রাখে। পরে স্থানীয় ‘টটে’ নামের এক ব্যক্তি মধ্যস্থতার নামে আলমগীরের বাবার কাছ থেকে নগদ ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা হাতিয়ে নিয়ে ছেলেকে ছেড়ে দেয়।ঘটনার পরদিন মিষ্টি রানী তার নিজ বাড়িতে পরিবারের কাছে আলমগীরের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে এবং তাকেই বিয়ে করার আকুতি জানায়। এ কথা শোনার পর মেয়ের বাবা-মা ক্ষিপ্ত হয়ে মিষ্টি রানীর ওপর তীব্র মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালান। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।এ বিষয়ে স্থানীয়রা বখাটেদের চাঁদাবাজি-মারধর এবং পরিবারের অতি-নিয়ন্ত্রণ ও নির্মম নির্যাতনকেই এই কিশোরীর অকাল মৃত্যুর পেছনে দায়ী করছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।নীলফামারীর জলঢাকায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে বখাটেদের মারধর ও পরিবারের নির্যাতনে মিষ্টি রানী (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মীরগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) মোঃ রাজু সরকার জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুরতহাল তৈরি করেছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তহমিদার রহমান মিলন
নীলফামারী প্রতিনিধি
৩০/৭/২০২৬ খ্রিঃ