ইকরামুল হক বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানাধীন সরল ইউনিয়নের উত্তর সরল বেরিবাঁধ এলাকা সংলগ্ন তাজুরঘোনা নামক চিংড়ি মাছের প্রজেক্টের দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে কবির গ্রুপ ও মনসুর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে এক পক্ষের এলোপাতাড়ি গুলিতে কয়েকজন ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার এবং ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে একাধিক পুলিশ টিম অভিযান পরিচালনা করছে। ইতোমধ্যে ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে ৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সকলকে শান্ত ও সংযত থাকা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য আন্তরিকভাবে আহ্বান জানাচ্ছে।
9
ইকরামুল হক বিশেষ প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানাধীন সরল ইউনিয়নের উত্তর সরল বেরিবাঁধ এলাকা সংলগ্ন তাজুরঘোনা নামক চিংড়ি মাছের প্রজেক্টের দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে কবির গ্রুপ ও মনসুর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে এক পক্ষের এলোপাতাড়ি গুলিতে কয়েকজন ব্যক্তি গুরুতর আহত হন।
ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার এবং ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে একাধিক পুলিশ টিম অভিযান পরিচালনা করছে।
ইতোমধ্যে ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে ৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বর্তমানে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সকলকে শান্ত ও সংযত থাকা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য আন্তরিকভাবে আহ্বান জানাচ্ছে।