পোরশা উপজেলা শিশু ও গণশিক্ষা অফিসে অনিয়মের অভিযোগ: দিনের পর দিন তালাবদ্ধ, দেখার কেউ নেই!
মো: মোস্তাকিম বিল্লাহ নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
Update Time :
বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬,
1 Time View
পোরশা উপজেলা শিশু ও গণশিক্ষা অফিসে অনিয়মের অভিযোগ: দিনের পর দিন তালাবদ্ধ, দেখার কেউ নেই!
মো: মোস্তাকিম বিল্লাহ নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি নওগাঁর পোরশা উপজেলা শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম অফিসে ব্যাপক অনিয়ম ও দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। দিনের পর দিন অফিসটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকলেও যেন দেখার কেউ নেই। এতে ব্যাহত হচ্ছে অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সরকারি সেবা। জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ের অফিস সহায়ক জাহাঙ্গীর আলম ওই অফিসে দাপ্তরিক চিঠিপত্র পৌঁছে দিতে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে তিনি অফিসটিতে তালা ঝুলতে দেখেন। জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিনি প্রায়ই সরকারি চিঠিপত্র দিতে এসে অফিসটি এভাবে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। অফিস তালাবদ্ধ থাকার বিষয়ে জানতে ওই অফিসের কেয়ারটেকার মোহসেন আলীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর দেননি এবং এ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। অন্যদিকে, অফিসের সুপারভাইজার জাফর আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, "আমি একটু নওগাঁ জেলা অফিসে কাজে ব্যস্ত আছি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করব।" সরকারি একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দিনের পর দিন তালা ঝুললেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এমন খামখেয়ালিপূর্ণ আচরণে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিশু ও গণশিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি কার্যক্রম কীভাবে মাসের পর মাস এভাবে চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। এ বিষয়ে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
2
মো: মোস্তাকিম বিল্লাহ
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
নওগাঁর পোরশা উপজেলা শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম অফিসে ব্যাপক অনিয়ম ও দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। দিনের পর দিন অফিসটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকলেও যেন দেখার কেউ নেই। এতে ব্যাহত হচ্ছে অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সরকারি সেবা।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ের অফিস সহায়ক জাহাঙ্গীর আলম ওই অফিসে দাপ্তরিক চিঠিপত্র পৌঁছে দিতে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে তিনি অফিসটিতে তালা ঝুলতে দেখেন। জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিনি প্রায়ই সরকারি চিঠিপত্র দিতে এসে অফিসটি এভাবে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান।
অফিস তালাবদ্ধ থাকার বিষয়ে জানতে ওই অফিসের কেয়ারটেকার মোহসেন আলীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর দেননি এবং এ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
অন্যদিকে, অফিসের সুপারভাইজার জাফর আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি একটু নওগাঁ জেলা অফিসে কাজে ব্যস্ত আছি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করব।”
সরকারি একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দিনের পর দিন তালা ঝুললেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এমন খামখেয়ালিপূর্ণ আচরণে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিশু ও গণশিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি কার্যক্রম কীভাবে মাসের পর মাস এভাবে চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। এ বিষয়ে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।