‘রাজনীতি শুরু হলে মানবতা শেষ হয়ে যায়, এটা হৃদয়বিদারক’
Reporter Name
Update Time :
শনিবার, আগস্ট ২, ২০২৫,
249 Time View
‘রাজনীতি শুরু হলে মানবতা শেষ হয়ে যায়, এটা হৃদয়বিদারক’
জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে নিয়ে শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকারাই ট্রল করছেন। যা নজর এড়ায়নি অভিনেত্রীর। এবার ট্রলের বিষয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। বৃহস্পতিবার সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, আমার কিছু সহকর্মী আমার ওপর ব্যক্তিগতভাবে, নির্মম ও নির্দয়ভাবে আক্রমণ চালাতে শুরু করেছে। তারা ইন্টারনেটের অচেনা মানুষ নয়। সেইসব মানুষ, যাদের সঙ্গে আমি একসময় কাজ করেছি। একসঙ্গে মঞ্চে দাঁড়িয়েছি। যাদের আমি বিশ্বাস করতাম। তাদের কথাগুলো ছিল অমানবিক, উদ্দেশ্য ছিল অপমান করা। বাঁধন বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া আমার ছবি দিয়ে ভরে উঠেছিল। রুমিন ফারহানা আর ভিপি নূরের পাশে দাঁড়িয়ে আছি। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে যেন আমি কোনো অপরাধ করে ফেলেছি! এমনকি শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীদের সঙ্গে তোলা আমার পুরোনো ছবিগুলো ছড়িয়ে দিল। গল্পকে ঘুরিয়ে বোকাদের মতো কথা বলছে! তিনি আরও বলেন, তারা আমাকে গালি দিয়েছে, আমি যা কিছুর পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম তার সব কিছুকে অসম্মান করার চেষ্টা করেছে এবং এখনও তা করছে। তাদের অনেকে আবার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত। কিন্তু সবচেয়ে বেশি যেটা কষ্ট দেয়, তাহলো এই ট্রোল বা অপরিচিত মানুষদের আক্রমণ নয় বরং যারা একসময় আমার পাশে ছিলেন, আমায় চেনেন। তারাই যখন আমার পথ আলাদা হতেই হিংস্র হয়ে উঠলেন। তারা ঘৃণা এতটাই অন্ধ হয়ে গেছে যেন বিষ না উগড়ে দিলে নিজেরাই দমবন্ধ হয়ে মারা যাবে।
169
জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে নিয়ে শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকারাই ট্রল করছেন। যা নজর এড়ায়নি অভিনেত্রীর।
এবার ট্রলের বিষয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী।
বৃহস্পতিবার সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, আমার কিছু সহকর্মী আমার ওপর ব্যক্তিগতভাবে, নির্মম ও নির্দয়ভাবে আক্রমণ চালাতে শুরু করেছে। তারা ইন্টারনেটের অচেনা মানুষ নয়। সেইসব মানুষ, যাদের সঙ্গে আমি একসময় কাজ করেছি। একসঙ্গে মঞ্চে দাঁড়িয়েছি। যাদের আমি বিশ্বাস করতাম। তাদের কথাগুলো ছিল অমানবিক, উদ্দেশ্য ছিল অপমান করা।
বাঁধন বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া আমার ছবি দিয়ে ভরে উঠেছিল। রুমিন ফারহানা আর ভিপি নূরের পাশে দাঁড়িয়ে আছি। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে যেন আমি কোনো অপরাধ করে ফেলেছি! এমনকি শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীদের সঙ্গে তোলা আমার পুরোনো ছবিগুলো ছড়িয়ে দিল। গল্পকে ঘুরিয়ে বোকাদের মতো কথা বলছে!
তিনি আরও বলেন, তারা আমাকে গালি দিয়েছে, আমি যা কিছুর পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম তার সব কিছুকে অসম্মান করার চেষ্টা করেছে এবং এখনও তা করছে। তাদের অনেকে আবার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত। কিন্তু সবচেয়ে বেশি যেটা কষ্ট দেয়, তাহলো এই ট্রোল বা অপরিচিত মানুষদের আক্রমণ নয় বরং যারা একসময় আমার পাশে ছিলেন, আমায় চেনেন। তারাই যখন আমার পথ আলাদা হতেই হিংস্র হয়ে উঠলেন। তারা ঘৃণা এতটাই অন্ধ হয়ে গেছে যেন বিষ না উগড়ে দিলে নিজেরাই দমবন্ধ হয়ে মারা যাবে।