রাজিবপুরে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মোখলেছুর রহমান, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম)
Update Time :
শনিবার, আগস্ট ৮, ২০২৬,
49 Time View
রাজিবপুরে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মোখলেছুর রহমান, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার নদীভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং কুড়িগ্রাম-৩/৪ সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জারিন রনি। শনিবার (৮ আগস্ট) নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নদীভাঙনে সৃষ্ট পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি ও ভুক্তভোগীদের নানা সমস্যার কথা শোনেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নদীভাঙনে বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা তুলে ধরে দ্রুত কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন সফরকারীরা। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক , কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সদস্য সচিব আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু ও মো. হাশিবুর রহমান হাসিব। এ ছাড়া রাজিবপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভুমি সহকারী কমিশনার সায়েকুল হাসান খান, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান, সদস্য সচিব আব্দুল হাই সরকার, যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজিবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরন মো. ইলিয়াস, অধ্যাপক মাহবুবুর রশিদ মন্ডল, কোদালকাটি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব, রাজিবপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রুস্তম মাহমুদ লিখন, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মিজানুর রহমান লিমন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোখলেছুর রহমান, সদস্য সচিব নাজমুল মাহমুদসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় নদীভাঙনকবলিত এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা নদীভাঙনে তাঁদের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরে দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান। স্থানীয়রা বলেন, প্রতিবছর নদীভাঙনে নতুন নতুন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে অনেক পরিবার বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে। তাই শুধু সাময়িক প্রতিরোধ নয়, নদীভাঙন রোধে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি নদীশাসন ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তাঁদের। স্থানীয়দের আশা, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দ্রুত কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে চর রাজিবপুরের নদীভাঙনকবলিত মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে।
61
মোখলেছুর রহমান, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম)
কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার নদীভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং কুড়িগ্রাম-৩/৪ সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জারিন রনি।
শনিবার (৮ আগস্ট) নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নদীভাঙনে সৃষ্ট পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি ও ভুক্তভোগীদের নানা সমস্যার কথা শোনেন।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নদীভাঙনে বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা তুলে ধরে দ্রুত কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন সফরকারীরা।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক , কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সদস্য সচিব আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু ও মো. হাশিবুর রহমান হাসিব।
এ ছাড়া রাজিবপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভুমি সহকারী কমিশনার সায়েকুল হাসান খান, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান, সদস্য সচিব আব্দুল হাই সরকার, যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজিবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরন মো. ইলিয়াস, অধ্যাপক মাহবুবুর রশিদ মন্ডল, কোদালকাটি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব, রাজিবপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রুস্তম মাহমুদ লিখন, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মিজানুর রহমান লিমন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোখলেছুর রহমান, সদস্য সচিব নাজমুল মাহমুদসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় নদীভাঙনকবলিত এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা নদীভাঙনে তাঁদের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরে দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।
স্থানীয়রা বলেন, প্রতিবছর নদীভাঙনে নতুন নতুন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে অনেক পরিবার বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে। তাই শুধু সাময়িক প্রতিরোধ নয়, নদীভাঙন রোধে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি নদীশাসন ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তাঁদের।
স্থানীয়দের আশা, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দ্রুত কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে চর রাজিবপুরের নদীভাঙনকবলিত মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে।