1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| সোমবার| সকাল ৬:২৭|
Title :
নওগাঁয় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা শুরু শ্রীনগর পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন বিশিষ্ট লেখক ও শিক্ষক “মোহাম্মাদ আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল” কালিয়াকৈরে ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে বকনা গরু বিতরণ অনুষ্ঠিত পোরশায় অসুস্থ ও অসহায়দের মাঝে সমাজকল্যাণ পরিষদের চেক বিতরণ। ময়মনসিংহে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘ক্লিন ময়মনসিংহ’ কর্মসূচি পালিত কাউখালীতে বিশেষ অভিযানে গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা বদলগাছী মডেল মসজিদের মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে অভিযোগ। ওসি জায়েদ নুরের নেতৃত্বে অভিযানে ০৫টি সাজাসহ ০৭টি পরোয়ানাভূক্ত ০১জন আসামী গ্রেফতার পোরশায় সার মোকাবিলায় বিএডিসি ও বিসিআইসি ডিলারদের সাথে মতবিনিময় বিশ্বনাথে ‘প্রবাসী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন’র পক্ষ থেকে নগদ অর্থ বিতরণ।

সেতু নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে তদন্তে গিয়ে সত্যতা পায়নি নির্বাহী প্রকৌশলী

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬,
  • 27 Time View
38

মো.নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়নের ডহরশংকর এলাকায় একটি সেতু নির্মাণের জন্য বালু, পাথর ও রড দিয়ে প্রস্তুত করার সময় স্থানীয়রা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে ভুল আখ্যা দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে সরেজমিনে পরিদর্শনে যায় উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ। পরিদর্শনে গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী অভিযোগের কোনো সত্যতা পাননি।
জানা গেছে, মঠবাড়ী ইউনিয়নের ডহরশংকর এলাকায় একটি সেতু নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স খায়রুল কবির রানা। সেতুটি নির্মাণের কাজের দায়িত্ব পালন করেন ঠিকাদার ও রাজাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম মৃধা। নির্মাণকাজ শুরুর আগে বালু, পাথর ও রড নিয়ে এসে কাজের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এ সময় একটি কুচক্রী মহল স্থানীয় কয়েকজনকে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের ভুল ধারণা দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে তারা জানতে পারে যে সেতুর মূল নির্মাণকাজ এখনও শুরু হয়নি, কেবল কাজের প্রস্তুতি চলছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা ঠিকাদারকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। এর মধ্যেই সরেজমিনে পরিদর্শনে যায় উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ। তারাও ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি।
স্থানীয় মো. খলিল হাওলাদার, আল-আমিন, মো. শহিদুল ইসলাম, মেহেদী হাসান ও মো. আমিনুল হকসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, একটি কুচক্রী মহল এলাকার কয়েকজনকে ভুল বুঝিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি করছিল। তারা ভাবছিলেন সেতুটির কাজ ঠিকমতো করা হবে না। পরে ঠিকাদার এসে তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি বুঝিয়ে দেন। তখন তারা বুঝতে পারেন যে তাদের ভুল হয়েছিল। তারা বলেন, “বালু, রড ও পাথর ঠিক আছে। এখন আবার কাজ শুরু হয়েছে। আমরা তাদের কাজে সন্তুষ্ট। এভাবে কাজ চললে সেতুটি ভালোভাবে নির্মাণ হবে।”
কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রকৌশলী (এসও) আবুল বাসার বলেন, “এতদিন কাজ বন্ধ থাকার পর আজকে কাজ চালু হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার আজকে পরিদর্শন করেছেন এবং রড, সিমেন্ট, বালুর মান যাচাই করে কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। পূর্বে জনগণের মনে একটা ভুল ধারণা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই জায়গা থেকে কাজ বন্ধ করতে হয়। তারা দাবি করেছিল রড এবং কাজের গুণগত মান সঠিক নিয়মে হচ্ছে না। আসলে তথ্যটি ছিল ভুল। কারণ আমাদের কাজের জন্য সব নির্মাণসামগ্রী সম্পূর্ণ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ল্যাব টেস্ট করে আনা হয় এবং স্টিমেট ও নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা হয়। এলাকার মানুষ তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে এবং এখন তারা কাজের মানে খুশি।”
কাজের ঠিকাদার ও রাজাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম মৃধা বলেন, “বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমাকে নিয়ে মিথ্যা প্রচারণা চলছে যে আমি সঠিকভাবে কাজ করছি না। কিন্তু আমাদের একটি কাজ করতে হলে সেখানে অনেক নিয়ম থাকে এবং সেই নিয়ম অনুযায়ী কাজ করতে হয়। একটি হাউস করে সেখানে খাঁচা বসিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ম মেনে সেই পদ্ধতিতে ঢালাই দিতে হয়। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে এলাকার মানুষ নিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সংবাদ প্রচার করা হয়। আজকে ইঞ্জিনিয়ার কাজ পরিদর্শন করেছেন এবং কাজের মানে কোনো ত্রুটি ছিল না। এলাকার মানুষ তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। আশা করি ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ আর হবে না।”
এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার বলেন, “ডহরশংকর এলাকায় আমি যে কাজটি পরিদর্শন করেছি সেখানে কাজের মান ছিল সন্তোষজনক। রড, সিমেন্ট ও বালুর ফিল্ড টেস্ট এবং ল্যাব টেস্ট—দুটোই করা হয়েছে। রডের যে ডায়া, সেই অনুযায়ী স্টিল কেজ তৈরি করা হয়েছে। আমার সঙ্গে আমার দপ্তরের কর্মকর্তা, অফিসার ও ইঞ্জিনিয়াররা ছিলেন। আমরা সবাই পরিদর্শন করেছি এবং সব ধরনের টেস্ট সম্পন্ন করে দেখেছি যে সব নির্মাণসামগ্রী সন্তোষজনক রয়েছে। এলাকার মানুষ তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে এবং তারা কাজের মানে যথেষ্ট খুশি।”
‎মো. নাঈম হাসান ঈমন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
মোবাইল ০১৭৪৭-৯৮৬৩৫৮ /০১৭৫৬-৫৫৫৩২১
তারিখ: ১৪জুলাই ২০২৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026