নবীনগরে তিতাস নদী ভরাট, ফরিদ মিয়াকে ২ লাখ টাকা ও ১৫ দিনের আল্টিমেটাম
Reporter Name
Update Time :
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
৭৬
Time View
নবীনগরে তিতাস নদী ভরাট, ফরিদ মিয়াকে ২ লাখ টাকা ও ১৫ দিনের আল্টিমেটাম
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে তিতাস (বুড়ী) নদী ভরাট করার অপরাধে ‘আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতাল’ ও ‘আহমেদ গার্ডেন সিটি’র মালিক ফরিদ মিয়াকে ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নবীনগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান। একইসঙ্গে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অবৈধভাবে দখল করা সকল স্থাপনা ও বালু অপসারণের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ভরাট কার্যক্রম মাঝে বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি তা পুনরায় শুরু হয়। গত শনিবার পানির নিচ থেকে হঠাৎ বালু জেগে উঠলে বিষয়টি স্থানীয় সাধারণ মানুষের নজরে আসে এবং পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তিতাস নদী এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান নৌপথ। ভৈরব ও নরসিংদীর সঙ্গে যোগাযোগের এই রুটে প্রতিদিন একাধিক লঞ্চ, শতাধিক যাত্রীবাহী নৌকা, স্পিডবোট এবং পণ্যবাহী কার্গো যাতায়াত করে। বিশেষ করে নবী নগর উপজেলা খাদ্য গুদামের ধান, চাল, গম এবং সদর বাজারের ব্যবসায়ীদের মালামাল এই পথেই পরিবাহিত হয়। নদীটির নাব্যতা রক্ষার্থে ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ‘ক্যাপিটাল ড্রেজিং নৌপথ’ প্রকল্পের আওতায় ২৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে নবী নগর থেকে কসবার কুটি বাজার পর্যন্ত খননকাজ চালানো হয়েছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, এমনিতেই পলি জমে নদীটি সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এর ওপর এভাবে বালু ভরাট অব্যাহত থাকলে শুষ্ক মৌসুমে নৌযান চলাচল বন্ধ হওয়াসহ তীব্র পানি সংকট দেখা দেবে। এতে নদীনির্ভর জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের পাশাপাশি স্থানীয় জেলেরা মারাত্মক জীবিকা সংকটে পড়বেন। দ্রুত নদীর সঠিক সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে অভিযুক্ত ফরিদ উদ্দিন আহমেদ দাবি করেন, তিনি নিজের ক্রয়কৃত জায়গাতেই বালু ফেলছেন। একসময় জায়গাটি নদীভুক্ত থাকলেও বর্তমানে ভূমি অফিস থেকে শ্রেণিবদলের মাধ্যমে নাল জমি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল হাসান স্পষ্ট জানিয়েছেন, নদী দখল বা ভরাট করার কোনো আইনি সুযোগ নেই। জনস্বার্থে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
127
সাধন সাহা জয়
স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে তিতাস (বুড়ী) নদী ভরাট করার অপরাধে ‘আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতাল’ ও ‘আহমেদ গার্ডেন সিটি’র মালিক ফরিদ মিয়াকে ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নবীনগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান।
একইসঙ্গে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অবৈধভাবে দখল করা সকল স্থাপনা ও বালু অপসারণের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ভরাট কার্যক্রম মাঝে বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি তা পুনরায় শুরু হয়। গত শনিবার পানির নিচ থেকে হঠাৎ বালু জেগে উঠলে বিষয়টি স্থানীয় সাধারণ মানুষের নজরে আসে এবং পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
তিতাস নদী এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান নৌপথ।
ভৈরব ও নরসিংদীর সঙ্গে যোগাযোগের এই রুটে প্রতিদিন একাধিক লঞ্চ, শতাধিক যাত্রীবাহী নৌকা, স্পিডবোট এবং পণ্যবাহী কার্গো যাতায়াত করে। বিশেষ করে নবী নগর উপজেলা খাদ্য গুদামের ধান, চাল, গম এবং সদর বাজারের ব্যবসায়ীদের মালামাল এই পথেই পরিবাহিত হয়।
নদীটির নাব্যতা রক্ষার্থে ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ‘ক্যাপিটাল ড্রেজিং নৌপথ’ প্রকল্পের আওতায় ২৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে নবী নগর থেকে কসবার কুটি বাজার পর্যন্ত খননকাজ চালানো হয়েছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এমনিতেই পলি জমে নদীটি সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এর ওপর এভাবে বালু ভরাট অব্যাহত থাকলে শুষ্ক মৌসুমে নৌযান চলাচল বন্ধ হওয়াসহ তীব্র পানি সংকট দেখা দেবে। এতে নদীনির্ভর জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের পাশাপাশি স্থানীয় জেলেরা মারাত্মক জীবিকা সংকটে পড়বেন। দ্রুত নদীর সঠিক সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে অভিযুক্ত ফরিদ উদ্দিন আহমেদ দাবি করেন, তিনি নিজের ক্রয়কৃত জায়গাতেই বালু ফেলছেন। একসময় জায়গাটি নদীভুক্ত থাকলেও বর্তমানে ভূমি অফিস থেকে শ্রেণিবদলের মাধ্যমে নাল জমি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল হাসান স্পষ্ট জানিয়েছেন, নদী দখল বা ভরাট করার কোনো আইনি সুযোগ নেই। জনস্বার্থে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।