1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা : দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকা
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
মদনে ইজি বাইক উল্টে এক নারী নিহত। কটিয়াদীতে গভীর রাতে মালবাহী ট্রাক উল্টে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, আহত চালক-হেলপার নবীনগরে অ্যাডভোকেট রফিকুল হোসেনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত কটিয়াদীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে উপজেলা জামায়াতের গণসংবর্ধনা কালুরঘাট সেতুর দুই পাড়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে অবৈধ বালুর কারবার চন্দনাইশের মাজার পয়েন্ট সেতুর ওপর (বরুমতি ব্রিজ) থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় এক ব্যক্তি কে উদ্ধার জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পীরগাছায় ভাবীর চুল ছিঁড়ে গলা টিপে হত্যাচেষ্টা, আহত ৩, থানায় এজাহার সন্ত্রাস , মাদক, কিশোর গ্যাং দমন করতে বাকলিয়া থানায় ওসি শাহিনুরের জোরদার অভিযান নওগাঁয় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রান গেল অনার্স পড়ুয়া এক মেধাবী ছাত্রের। নিষিদ্ধ যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে স্লোগান

জলঢাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ ফ্যান চুরি, শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ

মোঃ জামিয়ার রহমান নীলফামারী:
  • Update Time : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৯ Time View
65

মোঃ জামিয়ার রহমান নীলফামারী:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার পূর্ব শিমুলবাড়ী উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪টি সিলিং ফ্যান চুরির ঘটনা ঘটেছে। কোনো প্রকার তালা ভাঙা কিংবা ভাঙচুরের চিহ্ন ছাড়াই ঘটে যাওয়া এই রহস্যজনক চুরির ঘটনা এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দায়িত্বহীন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
​বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার পাঠদান শেষে শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে চলে যান। পরবর্তীতে রবিবার এসে শ্রেণি কক্ষের ১৪টি সিলিং ফ্যান গায়েব দেখতে পান। তালা না ভেঙে কীভাবে ফ্যান চুরি হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও এ বিষয়ে এখনো থানা পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি।
​ফ্যান চুরির বিষয়টি স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিমাংশু কুমার রায় বলেন, “আমরা নিজেদের উদ্যোগে ফ্যানগুলো উদ্ধারের চেষ্টা করছি। উদ্ধার করতে না পারলে পরবর্তীতে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হবে।”
​এদিকে ঘটনার বিষয়ে জানতে সরজমিনে বিদ্যালয়ে গেলে সেখানকার সহকারী শিক্ষিকা পল্লবী রানী সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে বলেন, “আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক বিষয় আমরা দেখছি, এখানে সংবাদকর্মীদের কী কাজ?” শিক্ষিকার এমন বক্তব্যে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও অভিভাবকদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
​স্কুলের নথিপত্র অনুযায়ী মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১১৫ জন দেখানো হলেও সরজমিনে উপস্থিতি দেখা গেছে মাত্র ২৯ জন। বিদ্যালয়ের পড়াশোনার চরম মানহীনতা ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অলসতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় কোনো সচেতন অভিভাবক এখানে সন্তানকে ভর্তি করান না। দিনের পর দিন শিক্ষকদের খামখেয়ালিপনায় প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
​চুরি ও অন্যান্য অনিয়মের বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও লাইন ব্যস্ত থাকায় তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
​শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে এবং সরকারি সম্পদ রক্ষায় অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কড়া নজরদারি দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026