
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
চট্টগ্রাম (সিএমপি) মেট্রোপলিটন পাহাড়তলী থানা একটা জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও স্বুনাম ছড়িয়ে পড়েছে । সাধারণ মানুষের অভিযোগ গ্রহণ, অপরাধ দমন এবং বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় পাহাড়তলী থানার সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুরুল আবছারের ভূমিকার কথা বলছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সেবা প্রত্যাশীদের একাংশ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি), মামলা কিংবা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে আসা মানুষের কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনা এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সাহসী চৌকষ ক্যাডেট ওসি নুরুল আবছারের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যদের তৎপরতা বেড়েছে। এতে থানায় সেবা নিতে আসা মানুষের হয়রানি কমেছে বলেও দাবি তাঁদের।
অভিযোগ শুনে দ্রুত ব্যবস্থা নেন সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি নুরুল আবছার পাহাড়তলী থানার আওতাধীন এলাকায় নানা ধরনের অপরাধের পাশাপাশি জনসংখ্যার ঘনত্ব ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী পুলিশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ পরিস্থিতিতে অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
স্থানীয় কয়েকজন সেবা প্রত্যাশীর মতে, থানায় এসে অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে আগের তুলনায় স্বস্তি বোধ করছেন তাঁরা। তবে পুলিশের সেবার মান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সামগ্রিক মূল্যায়নে পরিসংখ্যান ও মামলার তথ্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন পাহাড়তলী থানা এলাকায় মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও দখলবাজির মতো অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি নুরুল আবছারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ার কথা জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সচেতন মহলের কয়েকজনের দাবি, অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান এবং দৃশ্যমান পুলিশি তৎপরতা এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে কিশোর গ্যাং ও মাদক সংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানকে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন।
অপপ্রচারের অভিযোগ, পুলিশের বক্তব্য কী?
অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পুলিশি তৎপরতার কারণে ওসি নুরুল আবছার কে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের স্বুনাম ও একজন ধার্মিক,সৎ , সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি হিসেবেই পাহাড়তলী এলাকায় আলোচনার শীর্ষে রয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্রগুলোর মতে, কোনো কর্মকর্তা বা পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করে তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়াই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া কিন্তু এখনো পর্যন্ত পাহাড়তলী থানা এলাকায় ওসি নুরুল আবছার কে নিয়ে গনমাধ্যমে এবং এলাকায় সুনাম শুনতে পেয়েছি কিন্তু আল্লাহর রহমতে কোন ধরনের বদনাম বা সমালোচনা শুনতে পাইনি বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। একইভাবে পুলিশের কর্মকাণ্ডের ইতিবাচক দিকও তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন মহল।
মানবিক পুলিশিংয়ে গুরুত্ব
আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের আচরণ কেমন—তা একটি থানার সামগ্রিক সেবার গুরুত্বপূর্ণ সূচক পাহাড়তলী থানায় মানুষের অভিযোগ শোনা, প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেওয়া এবং অপরাধ দমনে সক্রিয় থাকার মাধ্যমে জনবান্ধব পুলিশিং আরও জোরদার করার চেষ্টা চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অপরাধ দমনের পাশাপাশি নাগরিক সেবা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। একই সঙ্গে যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। পাহাড়তলী থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির টেকসই উন্নয়নে পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা
সাধারণ মানুষের অভিযোগে দ্রুত সাড়া, মাদক-কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযানে আলোচনায় ও পুলিশ বিভাগের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন পাহাড়তলী থানার সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি নুরুল আবছার।