
কামরুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার
শত ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক আমিরাবাদ লোহাগাড়া উপজেলার সর্ববৃহৎ ইউনিয়ন এবং উপশহর হলেও দীর্ঘদিন ধরে বরাবরের মতো উন্নয়ন বঞ্চিত থেকেছে।
ইতিপূর্বে অত্র ইউনিয়ন পরিষদে অনেক দক্ষ অদক্ষ যোগ্য অযোগ্য লোক চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আসলেও এলাকার প্রতি তাদের যথাযথ ত্যাগ ও পর্যাপ্ত পরিমাণে আন্তরিকতার অভাব এবং উন্নয়ন বরাদ্দে লোভী মানসিকতার কারণে আমিরাবাদের উন্নয়নে তারা দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি দেখাতে সমর্থ হননি।
অতচ অত্র অঞ্চলে ছয়টি উচ্চ বিদ্যালয়, একটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, একটি ট্যাকনিক্যাল কলেজ, একটি আলিয়া মাদ্রাসা, একটি বালিকা মাদ্রাসা, প্রায় চল্লিশটি ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ও হেফজখানাসহ অসংখ্য ব্যাংক, বীমা, হসপিটাল ও সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এতদ্বসত্বেও জনবহুল এই জনপদের রাস্তাঘাট, কালভার্টের উন্নয়ন এবং যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা না থাকার কারণে আমিরাবাদ ইউনিয়নের প্রায় ১০ লক্ষ অধিবাসী প্রতিনিয়ত নানান ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের ব্যাপক জনশ্রুত জনপ্রিয় এই জনপদের চরম অবহেলিত জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম এমন একজনকে বেছে নেওয়া এখন সময়ের দাবী।
এই দাবী পুরণে আমিরাবাদ গ্রামের এক নম্বর ওয়ার্ডের মৃত মাস্টার সুফি আবদুল কাদের সাহেবের সুযোগ্য নাতি এবং জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মৃত মাস্টার হারুন অর রশিদ চৌধুরীর ছোট ভাই মৃত আইয়ুব চৌধুরীর ছোট সন্তান জনাব আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শরীফ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করে নিজ ব্যবসায় সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে ইতিমধ্যে এলাকাবাসীর কাছে একজন সৎ , যোগ্য, বিনয়ী,ক্রীড়াব্যক্তিত্ব, দানশীল,উদার ও নিবেদিতপ্রান সমাজকর্মী হিসাবে নিজেকে সমাজের আলোকবর্তিকা রুপে সেবক হিসাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন।
মহান রাজাধিরাজ দয়ালু আল্লাহর নিকট আকুল চিত্তে ব্যাকুল হয়ে ফরিয়াদ করি, তিনি যেন চিরকাল অবহেলিত প্রাণপ্রিয় আমিরাবাদবাসীর সেবা ও সামগ্রিক কল্যাণে প্রিয় ভাই আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শরিফকে ইউনিয়নের আগামীর চেয়ারম্যান হিসেবে কবুল করে নেন।
প্রচারেঃ আমিরাবাদ ইউনিয়নের কল্যাণকামী জনগণ।