
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
হাইওয়ে সড়কে অবাধে চলছে সিএনজি ও অটোরিকশা , লেগুনা গাড়ি গুলো হাইওয়ে সড়কে চলাচল নিষিদ্ধ অথচ এই অবৈধ গাড়ি গুলো তাদের টার্মিনাল গড়ে তুলেছে পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে থানার সামনে। এইখান থেকে পরিচালিত হয় আনোয়ারা সহ চট্টগ্রাম দক্ষিণের সকল উপজেলার সিএনজি টার্মিনাল, আপনারা যারা চোখ মেলে যাতায়াত করেন তারা দেখতে পাবেন পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে থানার সামনে সারি সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে যায় নীল-সবুজ রঙের সিএনজি অটোরিকশা। যাত্রী ওঠানামার এই চেনা দৃশ্যের আড়ালে প্রতিদিন ঘটে যাই কালো টাকার লেনদেন, যার হিসাব রাখা হয় খাতা-কলমে । এই অবৈধ গাড়ি গুলো যাঁরা পরিচালনা করে তাদের সাথে পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে থানার সাথে মাসিক চুক্তি একেকটি গাড়ির চালক বা মালিককে গুনতে হয় নির্দিষ্ট অঙ্কের ‘টোকেন’ টাকা। কাউকে এক হাজার, কাউকে দুই হাজার। বিনিময়ে মেলে সড়কে নির্বিঘ্নে চলাচলের অলিখিত অনুমতি যেই অনুমতির কারণে এই অবৈধ গাড়ি গুলো গড়ে তুলেছে অবৈধ সিএনজি টার্মিনাল, লাইসেন্স থাকুক বা না থাকুক টোকেন থাকলে হয়।
কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম হাইওয়ে সড়কে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি, জড়িত পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশ।
পটিয়া, আনোয়ারা, বাঁশখালী, পেকুয়া সহ সব যায়গায় অবৈধ সিএনজি গুলো সার্ভিস দিচ্ছে হাইওয়ে থানা পুলিশের সামনে অথচ কালো টাকার লেনদেনের কারণে হাইওয়ে পুলিশ নিরব। এই সড়কে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি, জড়িত পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশ
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সিএনজি অটোরিকশা, ডাম্পার, বাস, রেন্ট-এ-বাইক, টমটম-মিশুকসহ প্রায় সব ধরনের পরিবহনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে সুসংগঠিত টোকেন বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক। বিচ্ছিন্ন হিসাবগুলো একসঙ্গে মেলালে দেখা যাচ্ছে, প্রতি মাসে এই খাত থেকে উঠে আসছে কয়েক কোটি টাকা। আর এই বিশাল অঙ্কের নিয়ন্ত্রণ রেখা গিয়ে ঠেকেছে পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশের হাতে।
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের সড়কে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি, জড়িত হাইওয়ে পুলিশের কর্মরত ওসি দ্বায়িত্বে যিনি আসেন তিনি বিশেষ
সূত্রের তথ্য মতে জানাযায় বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে সংগৃহীত চাঁদার টাকা প্রথমে পৌঁছায় নির্দিষ্ট কয়েকজন হাইওয়ে পুলিশের সদস্যের হাতে, এরপর তা বুঝিয়ে দেওয়া হয় পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ের ইনচার্জের দ্বায়িত্বে যিনি থাকেন উনাকে। অভিযোগ অনুযায়ী তিনিই এই টাকা জুনিয়র সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দেন, একটি অংশ পৌঁছায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও।
এই চাঁদাবাজির হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অন্তত ১০টি স্টেশনকে ঘিরে সক্রিয় একাধিক সিন্ডিকেট। অবৈধ প্রতিটি গাড়ি থেকে মাসে প্রায় ১ হাজার টাকা, লাইসেন্সবিহীন গাড়ি থেকে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা। জেলায় অন্তত প্রায় ১০ হাজার অবৈধ সিএনজির হিসাবে শুধু এই খাত থেকেই মাসে ওঠে প্রায় কোটি টাকা। একটি সিন্ডিকেট থেকেই মাসে প্রায় ৯০ লাখ টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষ সূত্র মতে জানাযায় প্রতি সিএনজি ১৮০০ টাকা করে আদায় হয়, নিয়ন্ত্রণে রয়েছে জৈনক ব্যক্তি, টাকা তোলেন আনোয়ার নামের আরেক জন। আমানুল্লাহর অধীনে , মজ্যার টেক থেকে এই সিএনজি, গুলো সার্ভিস দিচ্ছে আনোয়ারা, বাঁশখালী, পেকুয়া, সহ স্থানীয় বিভিন্ন জায়গায় জৈনক ব্যক্তি নিজেকে পরিচয় দেন সিএনজি সংগঠনের নেতা হিসেবে। হাইওয়ে পুলিশের জন্য তিনি নেন আরও ৫০০ টাকা করে।
আনোয়ারা সিএনজি সমিতির সভাপতি পরিচয়ে এবং সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে পরিচালনা করেছেন। তাদের অধীনে প্রায় সহস্রাধিক সিএনজি, প্রতিটি থেকে মাসে ১৮০০ টাকা করে হাইওয়ে পুলিশের নামে আদায় হয়। দায়িত্বশীল আজিম, হাজারখানেক সিএনজি থেকে ১৮০০ টাকা করে তোলেন তিনি।