সংবাদ প্রতিবেদন:শয়তানের নিঃশ্বাস’ প্রয়োগে অপহৃত ফুলবাড়ীর ছাত্র নোয়াখালী থেকে উদ্ধার, নেপথ্যে লোমহর্ষক নির্যাতনের চেষ্টা
Reporter Name
Update Time :
সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
৫১
Time View
সংবাদ প্রতিবেদন:শয়তানের নিঃশ্বাস’ প্রয়োগে অপহৃত ফুলবাড়ীর ছাত্র নোয়াখালী থেকে উদ্ধার, নেপথ্যে লোমহর্ষক নির্যাতনের চেষ্টা
মোঃ আজিজুল হাকিম প্রতিনিধি ,দিনাজপুর, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা এবং সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের এক শিক্ষার্থী ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ (স্কোপোলামিন) নামক মারাত্মক সম্মোহনী ড্রাগ প্রয়োগকারী চক্রের শিকার হয়ে অপহরণ ও পাশবিক নির্যাতনের হাত থেকে অলৌকিকভাবে উদ্ধার পেয়েছে। টানা ৪৮ ঘণ্টার যৌথ অভিযান চালিয়ে নোয়াখালী থেকে তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। যেভাবে ঘটে অপহরণ ও সম্মোহন তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ছুটির শেষে বাড়ি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফেরার পথে ওই শিক্ষার্থী একদল অজ্ঞাতনামা প্রতারক চক্রের নিখুঁত কৌশলের শিকার হয়। পথিমধ্যে তার ওপর ক্ষতিকারক কেমিক্যাল স্প্রে করা হলে মুহূর্তের মধ্যে সে স্বাভাবিক মানসিক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সম্পূর্ণ সম্মোহিত ও অচেতন অবস্থায় চক্রটি তাকে দিনাজপুর থেকে প্রথমে চট্টগ্রামে নিয়ে যায়। চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে পৌঁছানোর পর ভুক্তভোগীর আংশিক জ্ঞান ফিরলেও তীব্র ড্রাগের প্রভাবে তার ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা ছিল না। এই অসহায়ত্বের সুযোগ নেয় আলমগীর নামের এক টুপি বিক্রেতা। সহযোগিতার ভান করে সে তাকে নিজের হেফাজতে নেয়। নির্যাতন ও স্থান পরিবর্তন ভুক্তভোগীর জবানবন্দি অনুযায়ী, আলমগীর তার অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তাকে একাধিকবার যৌন নির্যাতনের চেষ্টা চালায়। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশ্যে তাকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আনার পথে কুমিল্লায় পুনরায় জোরপূর্বক তীব্র ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়। এরপর তাকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি বাসায় একদিন সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত আলমগীর তাকে নোয়াখালী জেলায় নিয়ে যায়। পুলিশের সফল উদ্ধার অভিযান শিক্ষার্থীর নিখোঁজের বিষয়ে পরিবার ফুলবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখতে মাঠে নামে দিনাজপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), জেলা সাইবার টিম ও ফুলবাড়ী থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টানা ৪৮ ঘণ্টার এক যৌথ চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ নোয়াখালীর মাইজদী এলাকা থেকে ভিকটিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। তবে অভিযان টের পেয়ে ধূর্ত টুপি বিক্রেতা আলমগীর কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত আলমগীরসহ এই অপহরণ ও নির্যাতন চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য অপরাধীদের গ্রেফতারে জেলা পুলিশের জোরালো অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
94
মোঃ আজিজুল হাকিম প্রতিনিধি ,দিনাজপুর,
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা এবং সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের এক শিক্ষার্থী ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ (স্কোপোলামিন) নামক মারাত্মক সম্মোহনী ড্রাগ প্রয়োগকারী চক্রের শিকার হয়ে অপহরণ ও পাশবিক নির্যাতনের হাত থেকে অলৌকিকভাবে উদ্ধার পেয়েছে। টানা ৪৮ ঘণ্টার যৌথ অভিযান চালিয়ে নোয়াখালী থেকে তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।
যেভাবে ঘটে অপহরণ ও সম্মোহন
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ছুটির শেষে বাড়ি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফেরার পথে ওই শিক্ষার্থী একদল অজ্ঞাতনামা প্রতারক চক্রের নিখুঁত কৌশলের শিকার হয়। পথিমধ্যে তার ওপর ক্ষতিকারক কেমিক্যাল স্প্রে করা হলে মুহূর্তের মধ্যে সে স্বাভাবিক মানসিক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সম্পূর্ণ সম্মোহিত ও অচেতন অবস্থায় চক্রটি তাকে দিনাজপুর থেকে প্রথমে চট্টগ্রামে নিয়ে যায়।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে পৌঁছানোর পর ভুক্তভোগীর আংশিক জ্ঞান ফিরলেও তীব্র ড্রাগের প্রভাবে তার ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা ছিল না। এই অসহায়ত্বের সুযোগ নেয় আলমগীর নামের এক টুপি বিক্রেতা। সহযোগিতার ভান করে সে তাকে নিজের হেফাজতে নেয়।
নির্যাতন ও স্থান পরিবর্তন
ভুক্তভোগীর জবানবন্দি অনুযায়ী, আলমগীর তার অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তাকে একাধিকবার যৌন নির্যাতনের চেষ্টা চালায়। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশ্যে তাকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আনার পথে কুমিল্লায় পুনরায় জোরপূর্বক তীব্র ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়।
এরপর তাকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি বাসায় একদিন সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত আলমগীর তাকে নোয়াখালী জেলায় নিয়ে যায়।
পুলিশের সফল উদ্ধার অভিযান
শিক্ষার্থীর নিখোঁজের বিষয়ে পরিবার ফুলবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখতে মাঠে নামে দিনাজপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), জেলা সাইবার টিম ও ফুলবাড়ী থানা পুলিশ।
তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টানা ৪৮ ঘণ্টার এক যৌথ চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ নোয়াখালীর মাইজদী এলাকা থেকে ভিকটিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। তবে অভিযان টের পেয়ে ধূর্ত টুপি বিক্রেতা আলমগীর কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত আলমগীরসহ এই অপহরণ ও নির্যাতন চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য অপরাধীদের গ্রেফতারে জেলা পুলিশের জোরালো অভিযান অব্যাহত রয়েছে।