আস-সুমায়াত ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দক্ষিণ বানিয়াচংয়ের অসহায় দারিদ্র্য ৪০টি টি পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ-
Reporter Name
Update Time :
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬
১৪৭
Time View
আস-সুমায়াত ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দক্ষিণ বানিয়াচংয়ের অসহায় দারিদ্র্য ৪০টি টি পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ-
শাব্বীর আহমদ শিবলী বিশেষ প্রতিবেদক হবিগঞ্জ গতকাল ১৮ মার্চ আর্তমানবতার সেবা ও দাওয়া স্লোগান কে সামনে রেখে 'আস-সুমাইত ফাউন্ডেশন' দক্ষিণ বানিয়াচংয়ের ৪০টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মুখে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দেন। ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মুফতি হাসান ফেরদৌস। ঈদ উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল,চাউল,ডাউল,তেল,চিনি,পেঁয়াজ,ময়দা,সেমাইসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। প্রতিটি পেকেট প্রায় ১০০০/ টাকার সমপরিমাণ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় আইটেম দিয়ে সাজানো ছিল । ঈদ উপহার পেয়ে এলাকার অসহায় দারিদ্র্য পরিবার অত্যন্ত খুশি। তারা বলেন, অনেকেই তো আছেন। খুঁজ কবর কেউ নেইনি। মাওলানা হাসান ফেরদৌস সাহেব আল্লাহ হায়াত বৃদ্ধি করুন এবং এভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করার আরো তাওফীক দান করুন। উল্লেখ্য গত ১০ মার্চ সমাজের অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর প্রত্যয় নিয়ে আস-সুমায়াত ফাউন্ডেশন যাত্রা শুরু করেছে। বিশ্ব বিখ্যাত দাঈ হযরত মাওলানা কালীম সিদ্দিকী দা.বা. এর বিশিষ্ট খলিফা উপমহাদেশের প্রখ্যাত দাঈ মুফতি যুবায়ের আহমাদ হাফি. এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত "আস সুমাইত ফাউন্ডেশন এখন থেকে আর্তমানবতার সেবায় এবং দ্বীনি ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে নিরলস কাজ করে যাবে বলে ফাউন্ডেশনের পরিচালক আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন আমাদের ফাউন্ডেশনের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হলো— (১)অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো। (২) গৃহহীনদের জন্য মাথা গোঁজার ঠাঁই বা আবাসন সমস্যার সমাধানে কাজ করা। (৩) দরিদ্র মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত হাসপাতালের ব্যবস্থা করা। (৪)শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রচার কর (৫)মানবিক ও সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা। (৬) সুদমুক্ত ও কল্যাণমুখী অর্থব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে 'করজে হাসানা' (সুদবিহীন ঋণ) প্রবর্তন। (৭) প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যেকোনো বিপদে আক্রান্ত মানুষের পাশে দ্রুত সেবা পৌঁছে দেওয়া। (৮) অসহায় ছাত্রদের জন্য বই, খাতা এবং পড়ার ব্যবস্থা করা। (৯) বেকার যুবকদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। (১০) সবুজ পৃথিবী গড়তে বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা। (১১) যুবকদের মাঝে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করা। সমাজে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার চেতনা গড়ে তোলা। আমরা বিশ্বাস করি, ছোট ছোট ভালো কাজ একত্রিত হয়ে সমাজে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তাই আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা, সততা এবং সক্রিয় অংশগ্রহণই এই ফাউন্ডেশনের সফলতার মূল শক্তি। আপনাদের প্রত্যেকের দায়িত্বশীল ভূমিকা, সুন্দর পরামর্শ এবং সহযোগিতার মাধ্যমে আস সুমাইত ফাউন্ডেশন ইনশাআল্লাহ সমাজের জন্য একটি কল্যাণমূলক ও আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে মানবতার সেবায় একসাথে কাজ করি। মানবতার সেবাই আমাদের অঙ্গীকার।
56
শাব্বীর আহমদ শিবলী
বিশেষ প্রতিবেদক হবিগঞ্জ
গতকাল ১৮ মার্চ আর্তমানবতার সেবা ও দাওয়া স্লোগান কে সামনে রেখে ‘আস-সুমাইত ফাউন্ডেশন’ দক্ষিণ বানিয়াচংয়ের ৪০টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মুখে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দেন।
ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মুফতি হাসান ফেরদৌস। ঈদ উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল,চাউল,ডাউল,তেল,চিনি,পেঁয়াজ,ময়দা,সেমাইসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। প্রতিটি পেকেট প্রায় ১০০০/ টাকার সমপরিমাণ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় আইটেম দিয়ে সাজানো ছিল । ঈদ উপহার পেয়ে এলাকার অসহায় দারিদ্র্য পরিবার অত্যন্ত খুশি। তারা বলেন, অনেকেই তো আছেন। খুঁজ কবর কেউ নেইনি। মাওলানা হাসান ফেরদৌস সাহেব আল্লাহ হায়াত বৃদ্ধি করুন এবং এভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করার আরো তাওফীক দান করুন।
উল্লেখ্য গত ১০ মার্চ সমাজের অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর প্রত্যয় নিয়ে আস-সুমায়াত ফাউন্ডেশন যাত্রা শুরু করেছে। বিশ্ব বিখ্যাত দাঈ হযরত মাওলানা কালীম সিদ্দিকী দা.বা. এর বিশিষ্ট খলিফা উপমহাদেশের প্রখ্যাত দাঈ মুফতি যুবায়ের আহমাদ হাফি. এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত
“আস সুমাইত ফাউন্ডেশন এখন থেকে আর্তমানবতার সেবায় এবং দ্বীনি ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে নিরলস কাজ করে যাবে বলে ফাউন্ডেশনের পরিচালক আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন আমাদের ফাউন্ডেশনের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হলো—
(১)অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
(২) গৃহহীনদের জন্য মাথা গোঁজার ঠাঁই বা আবাসন সমস্যার সমাধানে কাজ করা।
(৩) দরিদ্র মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত হাসপাতালের ব্যবস্থা করা।
(৪)শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রচার কর
(৫)মানবিক ও সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।
(৬) সুদমুক্ত ও কল্যাণমুখী অর্থব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে ‘করজে হাসানা’ (সুদবিহীন ঋণ) প্রবর্তন।
(৭) প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যেকোনো বিপদে আক্রান্ত মানুষের পাশে দ্রুত সেবা পৌঁছে দেওয়া।
(৮) অসহায় ছাত্রদের জন্য বই, খাতা এবং পড়ার ব্যবস্থা করা।
(৯) বেকার যুবকদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
(১০) সবুজ পৃথিবী গড়তে বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।
(১১) যুবকদের মাঝে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করা। সমাজে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার চেতনা গড়ে তোলা।
আমরা বিশ্বাস করি, ছোট ছোট ভালো কাজ একত্রিত হয়ে সমাজে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তাই আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা, সততা এবং সক্রিয় অংশগ্রহণই এই ফাউন্ডেশনের সফলতার মূল শক্তি।
আপনাদের প্রত্যেকের দায়িত্বশীল ভূমিকা, সুন্দর পরামর্শ এবং সহযোগিতার মাধ্যমে আস সুমাইত ফাউন্ডেশন ইনশাআল্লাহ সমাজের জন্য একটি কল্যাণমূলক ও আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে।
আসুন, আমরা সবাই মিলে মানবতার সেবায় একসাথে কাজ করি।
মানবতার সেবাই আমাদের অঙ্গীকার।