চোখের ক্যান্সারে আক্রান্ত ছোট্ট আসিক, চিকিৎসায় সহযোগিতার আকুতি
স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মাহাবুল ইসলাম মুন্না :
Update Time :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১৩
Time View
চোখের ক্যান্সারে আক্রান্ত ছোট্ট আসিক, চিকিৎসায় সহযোগিতার আকুতি
স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মাহাবুল ইসলাম মুন্না : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে চোখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে ছোট্ট শিশু মোঃ আসিক। অসুস্থতার কারণে তার চোখের চারপাশে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করানো না হলে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে পরিবার। আসিকের বাবা মৃত মোঃ তুরাপ আলী। বাবাকে হারিয়ে মা মোসা: ববিতা বেগমের কাছেই বেড়ে উঠছে শিশুটি। স্বামীর মৃত্যুর পর নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে সন্তানকে নিয়ে জীবনযাপন করছেন তিনি। এরই মধ্যে সন্তানের জটিল রোগের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তার জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আসিকের স্থায়ী ঠিকানা রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কুঠিপাড়া এলাকায়। বর্তমানে তারা হাটপাড়ায় অবস্থান করছেন। চোখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে সন্তানের চিকিৎসা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে মা ববিতা বেগমের। শিশুটির অসুস্থতার ছবি ও চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কথা জানতে পেরে স্থানীয়দের অনেকেই তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ ও মানবিক হৃদয়ের ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে ছোট্ট আসিকের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতে পারে। আসিকের পরিবার সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ব্যবসায়ী এবং মানবিক হৃদয়ের মানুষের কাছে তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সবার পক্ষে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করা সম্ভব না হলেও সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট ছোট সহযোগিতাও শিশুটির চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কেউ আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে না পারলেও সংবাদটি ও সহযোগিতার আবেদনটি অন্যদের কাছে পৌঁছে দিতে শেয়ার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সহযোগিতা ও যোগাযোগ রোগীর নাম: মোঃ আসিক পিতা: মৃত মোঃ তুরাপ আলী মাতা: মোসা: ববিতা বেগম স্থায়ী ঠিকানা: কুঠিপাড়া, গোদাগাড়ী, রাজশাহী বর্তমান ঠিকানা: হাটপাড়া যোগাযোগ: মোসা: ববিতা বেগম (শিশুটির মা) ০১৭৬১-৯২৬১৯৪ — মোঃ কাওসার (শিশুটির দুলাভাই) যোগাযোগ: ০১৭৭৫-৩৪৫৪৬ পরিবারের পক্ষ থেকে প্রদত্ত নম্বরে সরাসরি যোগাযোগ করে সহযোগিতার পদ্ধতি জেনে নেওয়ার অনুরোধ করা হলো। একটি শিশুর চোখের আলো ও জীবন রক্ষায় মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন আসিকের পরিবার। তাদের প্রত্যাশা, সম্মিলিত সহযোগিতায় ছোট্ট আসিক প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুযোগ পাবে এবং ফিরে পাবে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের স্বপ্ন।
18
স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মাহাবুল ইসলাম মুন্না :
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে চোখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে ছোট্ট শিশু মোঃ আসিক। অসুস্থতার কারণে তার চোখের চারপাশে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করানো না হলে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে পরিবার।
আসিকের বাবা মৃত মোঃ তুরাপ আলী। বাবাকে হারিয়ে মা মোসা: ববিতা বেগমের কাছেই বেড়ে উঠছে শিশুটি। স্বামীর মৃত্যুর পর নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে সন্তানকে নিয়ে জীবনযাপন করছেন তিনি। এরই মধ্যে সন্তানের জটিল রোগের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তার জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আসিকের স্থায়ী ঠিকানা রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কুঠিপাড়া এলাকায়। বর্তমানে তারা হাটপাড়ায় অবস্থান করছেন। চোখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে সন্তানের চিকিৎসা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে মা ববিতা বেগমের।
শিশুটির অসুস্থতার ছবি ও চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কথা জানতে পেরে স্থানীয়দের অনেকেই তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ ও মানবিক হৃদয়ের ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে ছোট্ট আসিকের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতে পারে।
আসিকের পরিবার সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ব্যবসায়ী এবং মানবিক হৃদয়ের মানুষের কাছে তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সবার পক্ষে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করা সম্ভব না হলেও সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট ছোট সহযোগিতাও শিশুটির চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কেউ আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে না পারলেও সংবাদটি ও সহযোগিতার আবেদনটি অন্যদের কাছে পৌঁছে দিতে শেয়ার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে প্রদত্ত নম্বরে সরাসরি যোগাযোগ করে সহযোগিতার পদ্ধতি জেনে নেওয়ার অনুরোধ করা হলো।
একটি শিশুর চোখের আলো ও জীবন রক্ষায় মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন আসিকের পরিবার। তাদের প্রত্যাশা, সম্মিলিত সহযোগিতায় ছোট্ট আসিক প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুযোগ পাবে এবং ফিরে পাবে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের স্বপ্ন।