নেত্রকোনা আটপাড়ার দেলোয়ার এর মারামারি ঘটনা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ গ্রামবাসীর।
Reporter Name
Update Time :
রবিবার, আগস্ট ৯, ২০২৬,
7 Time View
নেত্রকোনা আটপাড়ার দেলোয়ার এর মারামারি ঘটনা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ গ্রামবাসীর।
ক্রাইম রিপোর্টার বাংলাদেশঃ। নেত্রকোনা জেলার আটপাড়ার উপজেলার স্বরমুশিয়া ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের মৃত সুরুজ আলী এর ছেলে দেলোয়ার মিয়া সাথে মারামারি ঘটনা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ গ্রামবাসীর। সূত্রে জানা যায় গত ৮/৮/২৬ ইং তারিখ দিবাগত রাতে দেলোয়ার হোসেন পাওনা টাকা চাইতে চায় একই গ্রামের মৃত শান্ত ফকির এর ছেলে মোঃ ফারুক মিয়ার কাছে পরে হামলার সিকার হতে হয়। এসময় দেলোয়ার হোসেন আহত হয়। পরে থাকে আটপাড়ার উপজেলার হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। এই নিয়ে পুরো গ্রাম ও পাড়া জোরে আলোচনা, সমালোচনার ঝড় উঠে, ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও পাড়াবাসীর কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন এই ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। তাছাড়া ফারুক মিয়া তার গলার সমস্যা। তার স্ত্রী মোছাঃ বিউটি আক্তার গর্ভবতী দু জনেই অসুস্থ। এমন ধরনের মারামারি কথা আমার শুনছি না এবং দেখছি না।এ ব্যাপারে বিউটি আক্তার এর সাথে সাংবাদিক জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা উভয়েই অসুস্থ আমাদের সাথে কোন মারামারি ঘটনা ঘটেনি এবং আমাদর বাড়িতে ও কোন জায়গায় দেখা হয়নি। আমাদের নামে যে অভিযোগ তুলেছে তা মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন। তবে দেলোয়ার হোসেন এর ভগ্নিবতী মোঃ লিটনের সাথে আমার বারবার বাড়িতে ঝগড়া হয় । এর যে ধরে আমাদের উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কিংবা নাটক সাজিয়ে সে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এই পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি রটাচ্ছে। বর্তমানে ফারুক পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে।এ ব্যাপারে জেলার পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর সুদৃষ্টি কামনা করছে। ভুক্তভোগী ফারুক পরিবারবর্গ ও গ্রামবাসী সাধারণ জনগণ।
9
ক্রাইম রিপোর্টার বাংলাদেশঃ। নেত্রকোনা জেলার আটপাড়ার উপজেলার স্বরমুশিয়া ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের মৃত সুরুজ আলী এর ছেলে দেলোয়ার মিয়া সাথে মারামারি ঘটনা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ গ্রামবাসীর। সূত্রে জানা যায় গত ৮/৮/২৬ ইং তারিখ দিবাগত রাতে দেলোয়ার হোসেন পাওনা টাকা চাইতে চায় একই গ্রামের মৃত শান্ত ফকির এর ছেলে মোঃ ফারুক মিয়ার কাছে পরে হামলার সিকার হতে হয়। এসময় দেলোয়ার হোসেন আহত হয়। পরে থাকে আটপাড়ার উপজেলার হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। এই নিয়ে পুরো গ্রাম ও পাড়া জোরে আলোচনা, সমালোচনার ঝড় উঠে, ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও পাড়াবাসীর কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন এই ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। তাছাড়া ফারুক মিয়া তার গলার সমস্যা। তার স্ত্রী মোছাঃ বিউটি আক্তার গর্ভবতী দু জনেই অসুস্থ। এমন ধরনের মারামারি কথা আমার শুনছি না এবং দেখছি না।এ ব্যাপারে বিউটি আক্তার এর সাথে সাংবাদিক জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা উভয়েই অসুস্থ আমাদের সাথে কোন মারামারি ঘটনা ঘটেনি এবং আমাদর বাড়িতে ও কোন জায়গায় দেখা হয়নি। আমাদের নামে যে অভিযোগ তুলেছে তা মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন। তবে দেলোয়ার হোসেন এর ভগ্নিবতী মোঃ লিটনের সাথে আমার বারবার বাড়িতে ঝগড়া হয় । এর যে ধরে আমাদের উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কিংবা নাটক সাজিয়ে সে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এই পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি রটাচ্ছে। বর্তমানে ফারুক পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে।এ ব্যাপারে জেলার পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর সুদৃষ্টি কামনা করছে। ভুক্তভোগী ফারুক পরিবারবর্গ ও গ্রামবাসী সাধারণ জনগণ।