নোয়াখালীতে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেন
মোঃ আবদুল মোতালেব নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি :
Update Time :
শুক্রবার, আগস্ট ৭, ২০২৬,
26 Time View
নোয়াখালীতে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেন
মোঃ আবদুল মোতালেব নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি :-- নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাসিন্দা ফারিয়া আক্তার মারুফা তার স্বামী, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর অপপ্রচার এবং আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকারিতায় বিলম্বের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। লিখিত বক্তব্যে ফারিয়া আক্তার মারুফা জানান, ২০২২ সালের ১৭ জুন মুসলিম শরিয়াহ মোতাবেক মাসুম উদ্দিনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই বছর বয়সী এক পুত্র সন্তান রয়েছে, যার নাম সাফওয়ান উদ্দিন। তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৫ সালের ৫ জুন তার স্বামী মাসুম উদ্দিন, শাশুড়ি পারুল বেগম ও ননদ মারজাহান আক্তার তার কাছে সাত লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। তিনি আরও বলেন, একই বছরের ১৩ জুন তার বাবার বাড়িতে গিয়ে অভিযুক্তরা পুনরায় সাত লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে আর শ্বশুরবাড়িতে নেওয়া হবে না এবং তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করবেন বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ফারিয়া আক্তার মারুফা অভিযোগ করেন, এসব ঘটনার পর তার স্বামী তার নামে ফেসবুকে একাধিক ভুয়া আইডি ব্যবহার করে অশালীন, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর পোস্ট প্রচার করছেন। একই সঙ্গে তার মা ও মামা নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধেও ভিত্তিহীন ও সম্মানহানিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, এসব অপপ্রচারের কারণে তার পরিবার সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছে। তার মা ও মামা সম্পূর্ণ নির্দোষ উল্লেখ করে তিনি এসব অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানান। ভুক্তভোগী জানান, গত ২২ জুন ২০২৫ তিনি নোয়াখালীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তার স্বামী, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ২৬৪/২৫। মামলার শুনানির সময় অভিযুক্তরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য সময় নিলেও পরে তা বাস্তবায়ন হয়নি। পরবর্তীতে আদালত তার স্বামী মাসুম উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। তার অভিযোগ, আদালতের পরোয়ানা জারির পরও দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ এখনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। কেন পরোয়ানা কার্যকর হচ্ছে না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে ফারিয়া আক্তার মারুফা তার পরিবারকে নিয়ে অপপ্রচার বন্ধ, আদালতের নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়ন এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। উল্লেখ্য, এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
30
মোঃ আবদুল মোতালেব
নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি :–
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাসিন্দা ফারিয়া আক্তার মারুফা তার স্বামী, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর অপপ্রচার এবং আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকারিতায় বিলম্বের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
লিখিত বক্তব্যে ফারিয়া আক্তার মারুফা জানান, ২০২২ সালের ১৭ জুন মুসলিম শরিয়াহ মোতাবেক মাসুম উদ্দিনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই বছর বয়সী এক পুত্র সন্তান রয়েছে, যার নাম সাফওয়ান উদ্দিন।
তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৫ সালের ৫ জুন তার স্বামী মাসুম উদ্দিন, শাশুড়ি পারুল বেগম ও ননদ মারজাহান আক্তার তার কাছে সাত লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
তিনি আরও বলেন, একই বছরের ১৩ জুন তার বাবার বাড়িতে গিয়ে অভিযুক্তরা পুনরায় সাত লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে আর শ্বশুরবাড়িতে নেওয়া হবে না এবং তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করবেন বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ফারিয়া আক্তার মারুফা অভিযোগ করেন, এসব ঘটনার পর তার স্বামী তার নামে ফেসবুকে একাধিক ভুয়া আইডি ব্যবহার করে অশালীন, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর পোস্ট প্রচার করছেন। একই সঙ্গে তার মা ও মামা নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধেও ভিত্তিহীন ও সম্মানহানিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, এসব অপপ্রচারের কারণে তার পরিবার সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছে। তার মা ও মামা সম্পূর্ণ নির্দোষ উল্লেখ করে তিনি এসব অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
ভুক্তভোগী জানান, গত ২২ জুন ২০২৫ তিনি নোয়াখালীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তার স্বামী, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ২৬৪/২৫। মামলার শুনানির সময় অভিযুক্তরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য সময় নিলেও পরে তা বাস্তবায়ন হয়নি। পরবর্তীতে আদালত তার স্বামী মাসুম উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
তার অভিযোগ, আদালতের পরোয়ানা জারির পরও দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ এখনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। কেন পরোয়ানা কার্যকর হচ্ছে না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ফারিয়া আক্তার মারুফা তার পরিবারকে নিয়ে অপপ্রচার বন্ধ, আদালতের নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়ন এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।