ভূরুঙ্গামারীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান নিয়ে ক্ষোভ, উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার | কুড়িগ্রাম
Update Time :
শুক্রবার, আগস্ট ৭, ২০২৬,
4 Time View
ভূরুঙ্গামারীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান নিয়ে ক্ষোভ, উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার | কুড়িগ্রাম কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠান নিয়ে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সংগঠক এবং ‘দ্য রেড জুলাই ভূরুঙ্গামারী’-এর আহ্বায়ক মো. হাসান মাহমুদ জয়। শনিবার (৫ আগস্ট) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তবে অনুষ্ঠানের ব্যানার ও সার্বিক আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এক লিখিত প্রতিবাদে হাসান মাহমুদ জয় বলেন, অনুষ্ঠানের ব্যানারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কোনো প্রতীক বা স্মারক উপস্থাপন করা হয়নি। বিশেষ করে রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার প্রতীকী উপস্থাপনাও অনুপস্থিত ছিল, যা তাঁকে হতাশ করেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া এবং ভূরুঙ্গামারীতে আন্দোলনের সূচনালগ্ন থেকে ভূমিকা রাখা অনেক শিক্ষার্থী ও কর্মীকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের ন্যূনতম সৌজন্যও দেখানো হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। প্রতিবাদপত্রে তিনি আরও বলেন, প্রকৃত আন্দোলনকারীদের বাদ দিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন, জুলাইয়ের চেতনার অবমূল্যায়ন এবং আন্দোলনের সময় সক্রিয় ভূমিকা না রাখা ব্যক্তিদের সামনে নিয়ে আসা—এসব বিষয় আন্দোলনের আত্মত্যাগকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তিনি উপজেলা প্রশাসনের প্রতি প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, ছাত্র-জনতার রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ঘিরে কোনো ধরনের প্রহসন বা অবমূল্যায়ন মেনে নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
7
স্টাফ রিপোর্টার | কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠান নিয়ে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সংগঠক এবং ‘দ্য রেড জুলাই ভূরুঙ্গামারী’-এর আহ্বায়ক মো. হাসান মাহমুদ জয়।
শনিবার (৫ আগস্ট) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তবে অনুষ্ঠানের ব্যানার ও সার্বিক আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এক লিখিত প্রতিবাদে হাসান মাহমুদ জয় বলেন, অনুষ্ঠানের ব্যানারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কোনো প্রতীক বা স্মারক উপস্থাপন করা হয়নি। বিশেষ করে রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার প্রতীকী উপস্থাপনাও অনুপস্থিত ছিল, যা তাঁকে হতাশ করেছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া এবং ভূরুঙ্গামারীতে আন্দোলনের সূচনালগ্ন থেকে ভূমিকা রাখা অনেক শিক্ষার্থী ও কর্মীকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের ন্যূনতম সৌজন্যও দেখানো হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
প্রতিবাদপত্রে তিনি আরও বলেন, প্রকৃত আন্দোলনকারীদের বাদ দিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন, জুলাইয়ের চেতনার অবমূল্যায়ন এবং আন্দোলনের সময় সক্রিয় ভূমিকা না রাখা ব্যক্তিদের সামনে নিয়ে আসা—এসব বিষয় আন্দোলনের আত্মত্যাগকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
তিনি উপজেলা প্রশাসনের প্রতি প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, ছাত্র-জনতার রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ঘিরে কোনো ধরনের প্রহসন বা অবমূল্যায়ন মেনে নেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।