সোনাইমুড়ীতে নবধারা প্রপার্টিজ নামে ভূয়া প্রতিষ্ঠান খুলে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
তা :- নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ বাজারে রাজকীয় অফিস কিনে ‘মহাপ্রতারণা’র ফাঁদ পেতে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা।এর মধ্যে এই এলাকার প্রবাসী ও স্বল্প আয়ের মানুষের সব সঞ্চয়, শেষ সম্বল তুলে দিয়েছেন এদের হাতে। গত ১৯ জুলাই ২০২৬ সালে ভুক্তভোগী উপজেলার জয়াগ গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের পুত্র আব্দুল কুদ্দুস প্রতারণার শিকার হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় নবধারা প্রপার্টিজের পরিচালক ও ক্যাশিয়ারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন,নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন,পরিচালক আমির হোসেন ও ক্যাশিয়ার আবুল কালাম আজাদের প্রতারণা শিকার হয়েছেন ২৭০ ব্যক্তি। তাদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। কথার জাদুতে আকৃষ্ট করে ক্রেতাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়ার পর অধরা হয়ে যান প্রতিষ্ঠানটির মালিক-কর্মকর্তারা। ভুক্তভোগী আব্দুল কুদ্দুস অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় জয়াগ বাজারে ৩১ জুলাই ২০১২ সালে ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে শেয়ার ক্রয় করে। এর কিছুদিন পর আরও ২ লক্ষ টাকা দিয়ে আরো শেয়ার ক্রয় করেন।নবধারা এস আর এস এস লিমিটেড নামক নব দ্বারা মাসিক ডিপোজিট খুলে। তাদের আশ্বাসে তিনি সেখানেও ডিপোজিট করেন। তিনি পর্যায়ক্রমে ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জমা রাখেন। উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা নিয়ে রশিদ প্রদান করেন।গত দুই বছর থেকে নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের লোকজন অফিস গুছিয়ে ঘা ঢাকা দেন। তাদের বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরত চাইলে উল্টো হুমকি-ধমকি দেয়। ভুক্তভোগী দিদার হোসেন, ফিরোজ আলম ও মোশারফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, তারাও একইভাবে নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন,পরিচালক আমির হোসেন ও ক্যাশিয়ার আবুল কালাম আজাদ থেকে জমির শেয়ার কিনেছেন। প্রতি শেয়ার ১ লক্ষ টাকা করে। একেক জন ভুক্তভোগীর ১০ লাখ ১২ লাখ করে নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা আত্মগোপনে রয়েছেন। অনুসন্ধানে যাওয়া যায়,নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ বাজারে "নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেড" নামে কোনো নিবন্ধিত বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নেই। এমন কি জয়েন স্টোকেও কোন নিবন্ধন কিংবা অনুমোদন পাওয়া যায় নাই। ষ্স্থানীয় আওয়ামীগ নেতা মহিউদ্দিন ও আমির হোসেনসহ একটি চক্র মিলে এ প্রতিষ্ঠানটি দিয়ে প্রতারণা করেছে। জয়াগ বাজার ২০ শতাংশ, চাটখিল বাজার ২৪ শতাংশ,নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের অফিস ৭ শতাংশ জমি ক্রয় করে শেয়ার বিক্রির টাকা দিয়ে।এই জমি ইতিমধ্যেই পরিচালক আমির হোসেন নিজেই বিক্রি করে টাকা নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন। নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের পরিচালক আমির হোসেন মুঠোফোনে বলেন,২০১২ সালে এ প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় জয়াগ বাজারে দিয়েছেন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই। তবে অনেকেই শেয়ার বিক্রির টাকা পাবেন এটা সত্য। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন জানেন বলে এড়িয়ে যান। নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মুঠোফোনে জানান, এ প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদন জয়েন্টস্টেক থেকে নিয়েছেন। তবে অনুমোদনের কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। এ প্রতিষ্ঠানের বিপুল সম্পত্তি পরিচালক আমির হোসেন বিক্রি করেছেন। তাকে বিষয়টি অবগত করেননি। অনেকে শেয়ার বিক্রির টাকা পাবেন এটা সত্য। সোনাইমুড়ী থানার ওসি কবির হোসেন বলেন,নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের পরিচালকদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত চলছে। তবে তারা শেয়ার বিক্রির নামে বিপুল টাকা হাতে নিয়েছেন। সামছুল আরেফিন জাফর সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী তাং ১১/০৮/২৬ মোবাইল ০১৮১৯৬৭০৮৪৩
30
তা :- নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ বাজারে রাজকীয় অফিস কিনে ‘মহাপ্রতারণা’র ফাঁদ পেতে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা।এর মধ্যে এই এলাকার প্রবাসী ও স্বল্প আয়ের মানুষের সব সঞ্চয়, শেষ সম্বল তুলে দিয়েছেন এদের হাতে।
গত ১৯ জুলাই ২০২৬ সালে ভুক্তভোগী উপজেলার জয়াগ গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের পুত্র আব্দুল কুদ্দুস প্রতারণার শিকার হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় নবধারা প্রপার্টিজের পরিচালক ও ক্যাশিয়ারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন,নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন,পরিচালক আমির হোসেন ও ক্যাশিয়ার আবুল কালাম আজাদের প্রতারণা শিকার হয়েছেন ২৭০ ব্যক্তি। তাদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। কথার জাদুতে আকৃষ্ট করে ক্রেতাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়ার পর অধরা হয়ে যান প্রতিষ্ঠানটির মালিক-কর্মকর্তারা।
ভুক্তভোগী আব্দুল কুদ্দুস অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় জয়াগ বাজারে ৩১ জুলাই ২০১২ সালে ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে শেয়ার ক্রয় করে। এর কিছুদিন পর আরও ২ লক্ষ টাকা দিয়ে আরো শেয়ার ক্রয় করেন।নবধারা এস আর এস এস লিমিটেড নামক নব দ্বারা মাসিক ডিপোজিট খুলে। তাদের আশ্বাসে তিনি সেখানেও ডিপোজিট করেন। তিনি পর্যায়ক্রমে ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জমা রাখেন। উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা নিয়ে রশিদ প্রদান করেন।গত দুই বছর থেকে নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের লোকজন অফিস গুছিয়ে ঘা ঢাকা দেন। তাদের বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরত চাইলে উল্টো হুমকি-ধমকি দেয়।
ভুক্তভোগী দিদার হোসেন, ফিরোজ আলম ও মোশারফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, তারাও একইভাবে নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন,পরিচালক আমির হোসেন ও ক্যাশিয়ার আবুল কালাম আজাদ থেকে জমির শেয়ার কিনেছেন। প্রতি শেয়ার ১ লক্ষ টাকা করে। একেক জন ভুক্তভোগীর ১০ লাখ ১২ লাখ করে নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা আত্মগোপনে রয়েছেন।
অনুসন্ধানে যাওয়া যায়,নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ বাজারে “নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেড” নামে কোনো নিবন্ধিত বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নেই। এমন কি জয়েন স্টোকেও কোন নিবন্ধন কিংবা অনুমোদন পাওয়া যায় নাই। ষ্স্থানীয় আওয়ামীগ নেতা মহিউদ্দিন ও আমির হোসেনসহ একটি চক্র মিলে এ প্রতিষ্ঠানটি দিয়ে প্রতারণা করেছে। জয়াগ বাজার ২০ শতাংশ, চাটখিল বাজার ২৪ শতাংশ,নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের অফিস ৭ শতাংশ জমি ক্রয় করে শেয়ার বিক্রির টাকা দিয়ে।এই জমি ইতিমধ্যেই পরিচালক আমির হোসেন নিজেই বিক্রি করে টাকা নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন।
নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের পরিচালক আমির হোসেন মুঠোফোনে বলেন,২০১২ সালে এ প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় জয়াগ বাজারে দিয়েছেন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই। তবে অনেকেই শেয়ার বিক্রির টাকা পাবেন এটা সত্য। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন জানেন বলে এড়িয়ে যান।
নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মুঠোফোনে জানান, এ প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদন জয়েন্টস্টেক থেকে নিয়েছেন। তবে অনুমোদনের কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। এ প্রতিষ্ঠানের বিপুল সম্পত্তি পরিচালক আমির হোসেন বিক্রি করেছেন। তাকে বিষয়টি অবগত করেননি। অনেকে শেয়ার বিক্রির টাকা পাবেন এটা সত্য।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি কবির হোসেন বলেন,নবধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের পরিচালকদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত চলছে। তবে তারা শেয়ার বিক্রির নামে বিপুল টাকা হাতে নিয়েছেন।