মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ঔষধ রোগীদের না দিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ।
Reporter Name
Update Time :
বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৬,
4 Time View
মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ঔষধ রোগীদের না দিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ।
মোঃ মোশারফ হোসেন। মদন (নেত্রকোনা)প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরাদ্দকৃত ঔষধ রোগীদেরকে না দিয়ে ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রী পুড়িয়ে বিনষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ঔষুধ ষ্ঠোরম্যান তৌকির চৌধুরীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত তৌকির চৌধুরী টিএলসিএ যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত।বর্তমানে হাসপাতালের ঔষদের ভারপ্রাপ্ত ষ্ঠোর কিপারের দায়িত্ব পালন করছেন। হাসপাতালের রোগী সেবা বঞ্চিত ঔষধ না দিয়ে বাড়তি ঔষধ অনিয়ম ও দুর্নীতি ঢাকার জন্য লোক সমাজের চোখ আড়াল করে ২৫০/৩০০ বক্স বস্তাবন্দি ঔষুধ পোড়ানোর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৌকির চৌধুরীর বিরুদ্ধে। তৌকির চৌধুরী ২০১৫ সালের নভেম্বরে টিএলসিএ পদে মদন উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন।২০২৫ সালের নভেম্বরে তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ষ্টোর কিপারের।অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি ষ্টোরের সরকারি ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রী গোপনে সরিয়ে বিক্রি করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। সরকারের দেওয়া বরাদ্দের বাহিরে ঠিকাদারের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য কিছু ঔষুধ সংগ্রহ করা হতো তার মাধ্যমে। রোগীদের ঔষধ না দেওয়ার কারণে অনেক ঔষুধ উদ্বৃত্ত হয়ে যায়।এ ঔষুধ কোন জায়গা না দেখাতে পেরে অনিয়ম দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোন অনুমতি ছাড়াই হাসপাতালের একটি কক্ষে শত শত বোতল সরকারি ঔষধ ভেঙে ও অন্যান্য ঔষধ সামগ্রী আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করেন তৌকির চৌধুরী। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ঔষধের ষ্টোর রুম থেকে নিজ হাতে বিনা অনুমতিতে ঔষধ বের করে ভাঙতে ও পোড়াতে দেখা যাচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন , অনেক কষ্টে রিক্সা অটো ভাড়া দিয়ে আমরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলাম,আসার পরে ডাক্তারের অনেক ওষুধ লিখেছে কিন্তু আমরা একটা প্যারাসিটামল পাইলাম না। ডাক্তারের কাছে জানাইলে ডাক্তাররা বলেন, বাইরে থেকে কিনতে। আর হাসপাতালে সরকারি ঔষধ পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। আমরা গরীব মানুষ সরকারের কাছে দাবি এর একটা সুষ্ঠু তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক সরকারে ঔষুধ পোড়ানোর কারণে। ঔষুধ পোড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত ষ্টোর কিপার তৌকির বলেন, আমি না বুঝেই ঔষধ গুলো পুড়িয়ে ফেলেছি। ঔষধ পুরানো জন্য যে সরকারের কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগে তা আমার জানা নেই। আমি নতুন দায়িত্ব নিয়েছি। ২৫০-৩০০ শত বোতল ঔষধ ভেঙেছি এবং কিছু ঔষধ সামগ্রী পুড়িয়েছি। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডাক্তার তায়েফ হোসেন বলেন, ষ্টোর কিপার আমাদের কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই সে নিজে নিজে এ কাজ করেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাদির হোসেন শামীম বলেন, ঔষধ আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করতে হলে সরকারের কিছু বিধি-বিধান রয়েছে তা মেনেই তা বাস্তবায়ন করতে হবে। কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে ঔষধ পুড়িয়ে বিনষ্ট করা যাবে না । বিষয়টা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
11
মোঃ মোশারফ হোসেন।
মদন (নেত্রকোনা)প্রতিনিধিঃ
নেত্রকোনার মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরাদ্দকৃত ঔষধ রোগীদেরকে না দিয়ে ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রী পুড়িয়ে বিনষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ঔষুধ ষ্ঠোরম্যান তৌকির চৌধুরীর বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত তৌকির চৌধুরী টিএলসিএ
যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত।বর্তমানে হাসপাতালের ঔষদের ভারপ্রাপ্ত ষ্ঠোর কিপারের দায়িত্ব পালন করছেন।
হাসপাতালের রোগী সেবা বঞ্চিত ঔষধ না দিয়ে বাড়তি ঔষধ অনিয়ম ও দুর্নীতি ঢাকার জন্য লোক সমাজের চোখ আড়াল করে ২৫০/৩০০ বক্স বস্তাবন্দি ঔষুধ পোড়ানোর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৌকির চৌধুরীর বিরুদ্ধে।
তৌকির চৌধুরী ২০১৫ সালের নভেম্বরে টিএলসিএ পদে মদন উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন।২০২৫ সালের নভেম্বরে তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ষ্টোর কিপারের।অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি ষ্টোরের সরকারি ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রী গোপনে সরিয়ে বিক্রি করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে।
সরকারের দেওয়া বরাদ্দের বাহিরে ঠিকাদারের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য কিছু ঔষুধ সংগ্রহ করা হতো তার মাধ্যমে।
রোগীদের ঔষধ না দেওয়ার কারণে অনেক ঔষুধ উদ্বৃত্ত হয়ে যায়।এ ঔষুধ কোন জায়গা না দেখাতে পেরে অনিয়ম দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোন অনুমতি ছাড়াই হাসপাতালের একটি কক্ষে শত শত বোতল সরকারি ঔষধ ভেঙে ও অন্যান্য ঔষধ সামগ্রী আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করেন তৌকির চৌধুরী।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ঔষধের ষ্টোর রুম থেকে নিজ হাতে বিনা অনুমতিতে ঔষধ বের করে ভাঙতে ও পোড়াতে দেখা যাচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন ,
অনেক কষ্টে রিক্সা অটো ভাড়া দিয়ে আমরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলাম,আসার পরে ডাক্তারের অনেক ওষুধ লিখেছে কিন্তু আমরা একটা প্যারাসিটামল পাইলাম না।
ডাক্তারের কাছে জানাইলে ডাক্তাররা বলেন, বাইরে থেকে কিনতে। আর হাসপাতালে সরকারি ঔষধ পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে।
আমরা গরীব মানুষ সরকারের কাছে দাবি এর একটা সুষ্ঠু তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক সরকারে ঔষুধ পোড়ানোর কারণে।
ঔষুধ পোড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত ষ্টোর কিপার তৌকির বলেন, আমি না বুঝেই ঔষধ গুলো পুড়িয়ে ফেলেছি। ঔষধ পুরানো জন্য যে সরকারের কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগে তা আমার জানা নেই। আমি নতুন দায়িত্ব নিয়েছি।
২৫০-৩০০ শত বোতল ঔষধ ভেঙেছি এবং কিছু ঔষধ সামগ্রী পুড়িয়েছি।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও
ডাক্তার তায়েফ হোসেন বলেন,
ষ্টোর কিপার আমাদের কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই
সে নিজে নিজে এ কাজ করেছে।
বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাদির হোসেন শামীম বলেন, ঔষধ আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করতে হলে সরকারের কিছু বিধি-বিধান রয়েছে তা মেনেই তা বাস্তবায়ন করতে হবে। কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে ঔষধ পুড়িয়ে বিনষ্ট করা যাবে না । বিষয়টা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।