1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. mdrouf834@gmail.com : dailybangladeshpatrika :
১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| দুপুর ২:২২|
Title :
ডাঃ শেখ ফরহাদ হোসেন অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়ায় মুন্সিগঞ্জ জেলা ৯৩ বন্ধুদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন দিনাজপুরের হিলিতে নিজ মেয়েকে ভুট্টার ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে পিতা গ্রেফতার পীরগাছায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ মেলার উদ্বোধন- সুন্দরগঞ্জের জহুরুল হাট হাজী এলাহী উচ্চ বিদ্যালয়ের (জাতীয় শ্রেষ্ঠ পুরুষ্কার প্রাপ্ত) এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক সাতক্ষীরায় বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর শিক্ষক দম্পতিকে ইট ছুড়ে গুরুতর জখম   বিএনপির নাম ব্যবহার করে পটিয়া কাঁচাবাজার দখলের চেষ্টা কুকুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে হাজী মো. রুহুল আমিনের দোয়া ও সমর্থন কামনা: শ্রীমঙ্গল কালাপুর ইউনিয়ন পুত্রের হাতে পিতা খুন বড় ভাই গুরুতর আহত

কাল্পনিক গল্প গল্পের নাম: “জেলে ডিঙ্গির টোপর।

লেখক সৈয়দ রাহিম উদ্দিন রেদওয়ান
  • Update Time : রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬,
  • 155 Time View

অনেক, অনেক বছর আগে, সিলেটের এক নির্জন হাওরে, যেখানে চাঁদ উঠলে কুয়াশা ঢেকে যায়, আর হাওরের বুক কাঁপে অজানা সুরে, সেখানে বাস করত এক ভয়ঙ্কর জেলে। কিন্তু সে ছিল মানুষ নয়, ছিল অর্ধেক কুমির আর অর্ধেক মানুষ—তাকে সবাই ডাকত “ডিঙ্গির টোপর” নামে।

লোককথা বলে, সে জন্মেছিল চাঁদের অমাবস্যা রাতে, যখন এক পাগল জেলে তার নৌকায় এক অলৌকিক ডিম পায়। সেই ডিম ফাটার পর জন্ম নেয় এক শিশু, যার মাথা ছিল কুমিরের মতো, চোখ জ্বলজ্বলে, আর শরীরে মানুষের মতো দগদগে চামড়া। লোকেরা ভয় পেয়ে শিশুটিকে ফেলে দেয় হাওরে। কিন্তু হাওর তাকে গ্রহণ করে, আর কালক্রমে সে হয়ে ওঠে “হাওরের অভিশাপ।”

দিনে সে ঘুমাত পচা কাদায়, আর রাতে উঠে পড়ত—তার লম্বা দন্তযুক্ত মুখে লেগে থাকত হাওরের কাঁকড়ার রক্ত। কিন্তু সে শুধু মাছ নয়, মানুষও শিকার করত। যারা চুপিচুপি রাতের বেলায় হাওরে অবৈধভাবে মাছ ধরতে যেত, তাদের আর ফিরে আসা হতো না। টোপরের লাঠির মাথায় ছিল এক জাদু পাথর, যা মৃত মানুষের আত্মাকে শুষে নিত, আর টোপর হয়ে উঠত আরও শক্তিশালী।

একবার এক বাউল দরবেশ টোপরের কাছে যায়—সে বলে, “তুই অভিশপ্ত, টোপর। তোর মুক্তি হোক।”
টোপর হাসে, এক গা-জোড়া কুমিরি হাসি, “মুক্তি চাই না আমি, চাই প্রতিশোধ। তোমরা যারা আমায় ফেলে দিয়েছিলে, তোমাদের সন্তানদের কেউ যেন হাওরের দিকেও না তাকায়!”

দরবেশ জানত, টোপরকে থামাতে হলে তার দৃষ্টিতে চোখ রেখে “মৃত্যুর নাম” বলতে হয়। কিন্তু সেই নাম জানে না কেউ—শুধু এক পুরনো পান্ডুলিপিতে লেখা ছিল, যা এখন কাদার নিচে হারিয়ে গেছে।

তখন থেকেই প্রতি অমাবস্যা রাতে, যখন বাতাসে শীতল হাহাকার শোনা যায়, কেউ কেউ দেখে—এক কুমিরমুখো দানব, ভাঙা এক ডিঙ্গি নিয়ে হাওরের বুকে ঘুরে বেড়ায়, লাঠি ঠুকিয়ে ঠুকিয়ে খুঁজে ফেরে তার পরবর্তী শিকার।

আর হ্যাঁ, যদি কেউ ভুল করেও হাওরের জলে “টোপর” বলে ডাক দেয়, সে আর কখনও জেগে ওঠে না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
All rights reserved ©2026