
মোঃ কামাল উদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানাধীন মৌলভীপুকুরপাড় এর বাসিন্দা মোঃ আব্দুল মান্নান এবং তার প্রতিবেশী মোঃ জনি দ্বয়ের ছেলে যথাক্রমে সোহান (১৭) এবং ইসমাইল @ সাগর (১৬)। তারা দুইবন্ধু পড়াশুনার পাশাপাশি স্থানীয় একটি গ্যারেজে কাজ করত। গত ০১/০২/২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ০৫:০০ ঘটিকার সময় সোহান এবং ইসমাইল সাগর দ্বয়কে বাসায় না পেয়ে উভয়ের পিতা প্রথমে চান্দগাঁও থানায় একটি নিখোজ ডায়রী করেন।
স্থানীয়ভাবে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারে তাদের ছেলে মালয়শিয়া পাচার হয়েছে। এমতাবস্থায় তারা গত ২৬/০২/২০২৬ইং তারিখ চান্দগাঁও থানায় একটি মানব পাচার আইনে মামলা দায়ের করেন। অফিসার ইনচার্জ, চান্দগাঁও থানার নেতৃত্বে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জায়েদ আব্দুল্লাহ বিন ছরওয়ার চট্টগ্রামে আত্মগোপনে থাকা এজাহারনামীয় আসামী ১। মোঃ আব্দুল কাদের মামুন এবং ২। মোঃ ইয়াছিন আরাফাত কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে এসআই জায়েদ আব্দুল্লাহ বিন ছরওয়ার অত্যন্ত দক্ষতার সহিত সনাক্ত করে উক্ত চক্রের অপর সদস্য মোঃ মিলন কে চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিন থানা এলাকা হতে এবং মোঃ মোস্তফাকে কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করেন।
আসামী মোস্তফা মালয়শিয়ায় শিশু পাচারকারী চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য এবং এই মামলার ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃকাঃবিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদান করে। তার দেওয়া জবানবন্দী বিশ্লেষন ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার জেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান পরিচালনা করেন। এসআই জায়েদ এর তৎপরতায় এবং পুলিশি কৌশলে চাপের মুখে বাধ্য হয়ে নিজেদের রক্ষার্থে চক্রটি শিশু দুটিকে মালয়শিয়া হতে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। এসআই জায়েদ আব্দুল্লাহ বিন সরওয়ার সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ উক্ত চক্রটির গতিবিধি অনুসরন করে ১৭/০৩/২০২৬ ইং তারিখ টেকনাফ থানাধীন বড়ইতলী পাহাড়ের উপর ভোর অনুমান ০৫:০৫ ঘটিকায় রোহিঙ্গা ১) সাব মিয়া (৩৫) ২) শাহ আলম (৩৫) ৩) মোহাম্মদ হোসেন (৪১) দেরকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের হেফাজত হতে ভিকটিম সোহান এবং ইসমাইল দ্বয়কে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে গ্রহণ করে।