
বিশেষ প্রতিনিধি: কামরুল ইসলাম, টেকনাফ, কক্সবাজার
টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কৃতী সন্তান, মরহুম জমিদার আলী মিয়া চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান, গণমানুষের প্রিয় নেতা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী এবং টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী আজ আমাদের মাঝে নেই। তবে তাঁর কর্মময় জীবন, রাজনৈতিক আদর্শ এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা আজও অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে অম্লান।
তাঁর মৃত্যুর পর তাঁরই সন্তান জুনাইয়েদ আলী চৌধুরী হোয়াইক্যং ইউনিয়নে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি বর্তমানে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য এবং টেকনাফ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
একজন ভাগ্নে ও পরিবারের সদস্য হিসেবে আমার হৃদয়ে আজও গভীর বেদনা রয়ে গেছে। কারণ অভিযোগ রয়েছে, বিগত স্বৈরশাসনের সময় তৎকালীন টেকনাফ থানার ওসির নেতৃত্বে জুনাইয়েদ আলী চৌধুরীর বাড়িতে ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। পরিবারের দাবি, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার এখনো হয়নি।
আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না। আমরা কোনো নিরপরাধ ব্যক্তির হয়রানিও চাই না। আমরা শুধু চাই, অতীতে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হোক এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
আজ আমি আমার প্রিয় মরহুম মামা মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ তাআলা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত আবেদন, জুনাইয়েদ আলী চৌধুরীর পরিবারের উত্থাপিত ভাঙচুর, লুটপাট ও নির্যাতনের অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক। যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে তিনি অন্যায়ের শিকার হয়েছেন, তাহলে আইন অনুযায়ী তাঁকে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক।
অন্যায় যত পুরোনোই হোক, ন্যায়বিচারের দাবি কখনো পুরোনো হয় না।
আল্লাহ মরহুম মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীকে জান্নাতবাসী করুন এবং তাঁর পরিবারকে ধৈর্য ও শক্তি দান করুন। আমিন।