কটিয়াদীতে সামাজিক সম্প্রীতি ও রাজনৈতিক-ধর্মীয় সহনশীলতা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
আনিসুজ্জামান, জেলা প্রতিনিধি, (কিশোরগঞ্জ):
Update Time :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
৮
Time View
কটিয়াদীতে সামাজিক সম্প্রীতি ও রাজনৈতিক-ধর্মীয় সহনশীলতা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
আনিসুজ্জামান, জেলা প্রতিনিধি, (কিশোরগঞ্জ): ‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সামাজিক সম্প্রীতি, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সহনশীলতা নিশ্চিতকরণে নাগরিকদের করণীয় নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) কটিয়াদীর মন্ডলভোগ উচ্চ বিদ্যালয়ে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি), কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা, বিভিন্ন মত ও আদর্শের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি, রাজনৈতিক সহনশীলতা নিশ্চিত করা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি অটুট রাখার ক্ষেত্রে নাগরিকদের দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা জরুরি। মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে, তবে ভিন্নমতকে সম্মান করার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য যেন কোনোভাবেই সামাজিক বিভেদ বা সংঘাতের কারণ না হয়, সেদিকে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়। সভায় ধর্মীয় সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে বসবাস করে আসছে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, গুজব, উসকানি কিংবা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে যাতে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার না করা, গুজব ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকা এবং কোনো ধরনের সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হলে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত উপায়ে সমস্যা সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আয়োজক পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি), কটিয়াদীর পক্ষ থেকে বলা হয়, শান্তি ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গঠনে শুধু প্রশাসন বা নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করলে চলবে না; বরং সমাজের প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল নাগরিক আচরণই পারে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে। আলোচনা সভায় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরার পাশাপাশি কটিয়াদীতে সামাজিক ঐক্য, রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি আরও জোরদার করার বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দেন। বক্তারা সংঘাত এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত, সামাজিক ঐক্য সুদৃঢ় এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আনিসুজ্জামান জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ মোবাইল নাম্বার ০১৬৮৯৮৫৮৪২৭
11
আনিসুজ্জামান, জেলা প্রতিনিধি, (কিশোরগঞ্জ):
‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সামাজিক সম্প্রীতি, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সহনশীলতা নিশ্চিতকরণে নাগরিকদের করণীয় নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) কটিয়াদীর মন্ডলভোগ উচ্চ বিদ্যালয়ে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি), কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা, বিভিন্ন মত ও আদর্শের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি, রাজনৈতিক সহনশীলতা নিশ্চিত করা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি অটুট রাখার ক্ষেত্রে নাগরিকদের দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বক্তারা বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা জরুরি। মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে, তবে ভিন্নমতকে সম্মান করার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য যেন কোনোভাবেই সামাজিক বিভেদ বা সংঘাতের কারণ না হয়, সেদিকে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় ধর্মীয় সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে বসবাস করে আসছে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, গুজব, উসকানি কিংবা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে যাতে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার না করা, গুজব ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকা এবং কোনো ধরনের সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হলে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত উপায়ে সমস্যা সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আয়োজক পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি), কটিয়াদীর পক্ষ থেকে বলা হয়, শান্তি ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গঠনে শুধু প্রশাসন বা নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করলে চলবে না; বরং সমাজের প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল নাগরিক আচরণই পারে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে।
আলোচনা সভায় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরার পাশাপাশি কটিয়াদীতে সামাজিক ঐক্য, রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি আরও জোরদার করার বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।
বক্তারা সংঘাত এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত, সামাজিক ঐক্য সুদৃঢ় এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আনিসুজ্জামান
জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ
মোবাইল নাম্বার ০১৬৮৯৮৫৮৪২৭