1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা : দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকা
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
লোহাগাড়ায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড যুব সমাজের উদ্যোগে ব্যাটমিন্টন টুনামেন্ট উদ্ভোধন নরসিংদীর শিবপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বক্তব্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন শ্রীনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানঃ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শৈলকুপা শাহী মসজিদের ৩০ লাখ টাকা গায়েব! মোতাওয়াল্লির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নওগাঁ জেলা সদর মডেল থানায় নতুন অফিসার (ওসির)যোগদান বটিয়াঘাটায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত। কটিয়াদীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন । বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

কুড়িগ্রামের কোদালকাটি ব্রহ্মপুত্রের পেটে বিলীন হচ্ছে আবাদি জমি ও বসতভিটা

আরমান হোসেন রাজু রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার।
  • Update Time : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬২ Time View
107

আরমান হোসেন রাজু
রংপুর বিভাগীয় ক্রাইম রিপোর্টার।
০১৭১৭৭৭৬৯৭২

ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত ভাঙনে ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়ন। গত মঙ্গলবার থেকে ইউনিয়নের কোদালকাটি, উত্তর কোদালকাটি, পাইকেনটারী ও বল্লভপাড়া এলাকায় ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলছে নদীভাঙন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত তিন দিনে শুধু উত্তর কোদালকাটি গ্রামেই অন্তত ১৬টি বসতভিটা নদে বিলীন হয়েছে। একই সময়ে ২০০ বিঘার বেশি আবাদি জমি হারিয়েছেন কৃষকেরা। ভাঙনের মুখে রয়েছে আরও কয়েকশ বিঘা আবাদি জমি ও দুই শতাধিক বসতভিটা।
কোদালকাটি, পাইকেনটারী ও বল্লভপাড়া গ্রামেও একের পর এক ফসলি জমি নদে বিলীন হচ্ছে। ভাঙনকবলিত অনেক পরিবার বসতভিটা ও আবাদি জমি হারিয়ে অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়েছে। কেউ কেউ আবার ঘরবাড়ি সরিয়ে অন্য এলাকায় চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

উত্তর কোদালকাটি গ্রামের ভাঙনকবলিত কৃষক মকবুল হোসেন (৬৫) বলেন, ‘আমার বসতভিটা ও তিন বিঘা আবাদি জমি ব্রহ্মপুত্রের পেটে চলে গেছে। এখন পাঁচ বিঘা জমি রয়েছে। সেটিও ভাঙনের ঝুঁকিতে। এই জমিটুকুও নদে চলে গেলে পরিবার নিয়ে একেবারে ভূমিহীন হয়ে যাব।’
তিনি বলেন, ‘কৃষিকাজ করেই সংসার চালাই। জমি না থাকলে কীভাবে বাঁচব, জানি না।’

বল্লভপাড়া গ্রামের কৃষক আকবর আলী (৬০) বলেন, প্রতিবছরই তাদের এলাকায় নদীভাঙন দেখা দেয়। ‘ব্রহ্মপুত্র আমাদের বসতভিটা ও আবাদি জমি গিলে খাচ্ছে। এভাবেই প্রতি বছর আমরা নিঃস্ব হচ্ছি,’ তিনি বলেন।
তার অভিযোগ, ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

কোদালকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়নের চারদিকই ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত। নৌকা ছাড়া উপজেলা ও জেলা সদরে যাতায়াতের সুযোগ নেই। নদীভাঙন, বন্যাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে এখানকার মানুষকে প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয়।’
তিনি বলেন, কৃষিই ইউনিয়নের মানুষের প্রধান জীবিকা। আবাদি জমিই তাদের বেঁচে থাকার প্রধান অবলম্বন। কিন্তু প্রতিনিয়ত সেই জমি নদে বিলীন হওয়ায় ইউনিয়নের আয়তনও ধীরে ধীরে কমছে।
‘গত কয়েকদিনে ইউনিয়নের চারটি এলাকায় তিন শতাধিক বিঘা আবাদি জমি ব্রহ্মপুত্রের পেটে চলে গেছে। বেশ কয়েকটি বসতভিটাও ভাঙনের শিকার হয়েছে,’ তিনি বলেন।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সামান্য কিছু জিও ব্যাগ দেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে এত বড় এলাকায় ভাঙন ঠেকানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়।’

তবে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, কোদালকাটিতে ভাঙন ঠেকাতে তিন দফায় দুই হাজারের বেশি জিও ব্যাগ সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘কোদালকাটি ইউনিয়নটি নদীর মাঝখানে হওয়ায় সেখানে স্থায়ীভাবে ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ ধরনের স্থায়ী প্রকল্পের জন্য সরকারি বরাদ্দ পাওয়ারও সুযোগ নেই।’
‘জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে যতটুকু ভাঙন ঠেকানো সম্ভব, আমরা ততটুকুই করার চেষ্টা করছি,’ তিনি বলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026