কোম্পানীগঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ওয়াকফ সম্পত্তি দখলের অভিযোগ
কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :
Update Time :
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
৫
Time View
কোম্পানীগঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ওয়াকফ সম্পত্তি দখলের অভিযোগ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা মসজিদের ওয়াকফ ও ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতা মাওলানা মিজানুর রহমান রাজুর বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রাজু বলেছেন, তিনি তাঁর নিজের মালিকানাধীন জায়গায় মাটি ও বালু দিয়ে ভরাট করছেন। বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া বাইপাস সড়কসংলগ্ন সুলতান আহমদ জামে মসজিদের মোতওয়াল্লী নুরুর রহমান এ অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, গত ১ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে বহিরাগত লোকজন নিয়ে মসজিদের ওয়াকফ সম্পত্তি ও তাঁর ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে মাটি ও বালু ফেলে ভরাট করে দখলের চেষ্টা করা হয়। নুরুর রহমান বলেন, নালিশি সম্পত্তি নিয়ে ২০০৬ সালে নোয়াখালীর আদালতে তিনি দেওয়ানি মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ৪৮। পরে ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ৫৭/২০০৭ নম্বর নিষেধাজ্ঞার মামলার আবেদন করা হয়। ২০০৮ সালের ১ জুলাই আদালত মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নালিশি সম্পত্তিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন। মোতওয়াল্লী নুরুর রহমানের অভিযোগ, আদালতের ওই আদেশ থাকার পরও মাওলানা মিজানুর রহমান রাজু ও তাঁর সহযোগীরা গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে নালিশি সম্পত্তিতে মাটি ও বালু ফেলে ভরাট করেন। এ ঘটনায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেন। পরে ২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে সালিস বৈঠক হয়। তবে সালিস বৈঠকের পরও ওই সম্পত্তিতে মাটি-বালু ভরাটের কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন নুরুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতের আদেশ অমান্য করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা বন্ধে তিনি প্রশাসন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে মাওলানা মিজানুর রহমান রাজু বলেন, জবরদখলের অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি তাঁর নিজ মালিকানাধীন জায়গায় মাটি ও বালু দিয়ে ভরাট করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাওলানা মিজানুর রহমান রাজু বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে রাজুর দাবি, তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি থেকে মৌখিকভাবে পদত্যাগ করেছেন।
7
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা মসজিদের ওয়াকফ ও ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতা মাওলানা মিজানুর রহমান রাজুর বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রাজু বলেছেন, তিনি তাঁর নিজের মালিকানাধীন জায়গায় মাটি ও বালু দিয়ে ভরাট করছেন।
বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া বাইপাস সড়কসংলগ্ন সুলতান আহমদ জামে মসজিদের মোতওয়াল্লী নুরুর রহমান এ অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, গত ১ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে বহিরাগত লোকজন নিয়ে মসজিদের ওয়াকফ সম্পত্তি ও তাঁর ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে মাটি ও বালু ফেলে ভরাট করে দখলের চেষ্টা করা হয়।
নুরুর রহমান বলেন, নালিশি সম্পত্তি নিয়ে ২০০৬ সালে নোয়াখালীর আদালতে তিনি দেওয়ানি মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ৪৮। পরে ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ৫৭/২০০৭ নম্বর নিষেধাজ্ঞার মামলার আবেদন করা হয়। ২০০৮ সালের ১ জুলাই আদালত মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নালিশি সম্পত্তিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন।
মোতওয়াল্লী নুরুর রহমানের অভিযোগ, আদালতের ওই আদেশ থাকার পরও মাওলানা মিজানুর রহমান রাজু ও তাঁর সহযোগীরা গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে নালিশি সম্পত্তিতে মাটি ও বালু ফেলে ভরাট করেন। এ ঘটনায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেন।
পরে ২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে সালিস বৈঠক হয়। তবে সালিস বৈঠকের পরও ওই সম্পত্তিতে মাটি-বালু ভরাটের কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন নুরুর রহমান।
তিনি বলেন, আদালতের আদেশ অমান্য করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা বন্ধে তিনি প্রশাসন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে মাওলানা মিজানুর রহমান রাজু বলেন, জবরদখলের অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি তাঁর নিজ মালিকানাধীন জায়গায় মাটি ও বালু দিয়ে ভরাট করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাওলানা মিজানুর রহমান রাজু বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে রাজুর দাবি, তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি থেকে মৌখিকভাবে পদত্যাগ করেছেন।