নওগাঁ থেকে এসে চাঁদা দাবি: তথাকথিত দুই ‘সাংবাদিকের’ বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার প্রস্তুতি।
মো:মোস্তাকিম বিল্লাহ নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
Update Time :
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
১৩
Time View
নওগাঁ থেকে এসে চাঁদা দাবি: তথাকথিত দুই ‘সাংবাদিকের’ বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার প্রস্তুতি।
মো:মোস্তাকিম বিল্লাহ নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি নওগাঁ থেকে এসে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিস, খাদ্য গুদাম, সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী এবং ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ‘সাংবাদিক’ পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। নওগাঁর পোরশা উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ওই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে অভিযুক্ত নওগাঁর কথিত সাংবাদিক সবুজ ও মমিন আলী নামের দুই ব্যক্তি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আইনি প্রতিকার চেষ্টার প্রস্তুতি চলছে। স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী ও ভুক্তভোগী সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নওগাঁ এলাকা থেকে এসে সবুজ ও মমিন আলী নিজেদের তথাকথিত সংবাদকর্মী দাবি করে নানা অনিয়ম তুলে ধরার হুমকি দেয়। পরে বিষয়টির ‘রফা’ করার নামে তারা নিয়মিত খাদ্য গুদাম, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক দোকান, এমনকি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে ভয়ভীতি ছড়িয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, তাদের অপতৎপরতায় ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই প্রতারক চক্রের হাত থেকে বাঁচতে এবং এদের আইনের আওতায় আনতে ভুক্তভোগীরা একাট্টা হচ্ছেন। ইতোমধ্যে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় সাংবাদিকেরা প্রতিবাদ করলে, স্থানীয় তাদর কিছু ফেসবুক পার্টি দালাল ও ওই দুজন মিলে স্থানীয় সাংবাদিকদের নামে ফেসবুকে বিভিন্ন অসত্য লিখছেন। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে স্থানীয় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, "সাংবাদিকতার আড়ালে কোনো ধরণের চাঁদা বা ব্ল্যাকমেইলিং বরদাশত করা হবে না। লিখিত অভিযোগ পেলে বা প্রমাণ সাপেক্ষে ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।" প্রকৃত সাংবাদিক ও স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, এ ধরনের ভুয়া ও ধান্দাবাজ সাংবাদিকদের কারণে মূলধারার সৎ সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। দ্রুত এদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।
25
মো:মোস্তাকিম বিল্লাহ
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
নওগাঁ থেকে এসে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিস, খাদ্য গুদাম, সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী এবং ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ‘সাংবাদিক’ পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে।
নওগাঁর পোরশা উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ওই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে অভিযুক্ত নওগাঁর কথিত সাংবাদিক সবুজ ও মমিন আলী নামের দুই ব্যক্তি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আইনি প্রতিকার চেষ্টার প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী ও ভুক্তভোগী সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নওগাঁ এলাকা থেকে এসে সবুজ ও মমিন আলী নিজেদের তথাকথিত সংবাদকর্মী দাবি করে নানা অনিয়ম তুলে ধরার হুমকি দেয়। পরে বিষয়টির ‘রফা’ করার নামে তারা নিয়মিত খাদ্য গুদাম, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক দোকান, এমনকি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে ভয়ভীতি ছড়িয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, তাদের অপতৎপরতায় ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এই প্রতারক চক্রের হাত থেকে বাঁচতে এবং এদের আইনের আওতায় আনতে ভুক্তভোগীরা একাট্টা হচ্ছেন। ইতোমধ্যে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় সাংবাদিকেরা প্রতিবাদ করলে, স্থানীয় তাদর কিছু ফেসবুক পার্টি দালাল ও ওই দুজন মিলে স্থানীয় সাংবাদিকদের নামে ফেসবুকে বিভিন্ন অসত্য লিখছেন।
এ বিষয়ে ইতিমধ্যে স্থানীয় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, “সাংবাদিকতার আড়ালে কোনো ধরণের চাঁদা বা ব্ল্যাকমেইলিং বরদাশত করা হবে না। লিখিত অভিযোগ পেলে বা প্রমাণ সাপেক্ষে ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
প্রকৃত সাংবাদিক ও স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, এ ধরনের ভুয়া ও ধান্দাবাজ সাংবাদিকদের কারণে মূলধারার সৎ সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। দ্রুত এদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।