গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।। গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিদ্যমান পরিচালনা কমিটি বহাল থাকা অবস্থায় তথাকথিত ‘নবনির্বাচিত কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটি’ শিরোনামে সভা আহ্বানের অভিযোগ উঠেছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় মন্দির প্রাঙ্গণে ওই সভা আয়োজনের কথা প্রচার করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মন্দির কমিটি। এ বিষয়ে ফুলছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি শ্রী মিলন কুমার বর্মন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মন্দিরটি একটি নিয়মিত পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে এবং ওই কমিটির মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত বহাল রয়েছে। মন্দিরের ধর্মীয় কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন সময় ভক্তদের সমাগমও হচ্ছে। অভিযোগে দাবি করা হয়, অশ্বিনী কুমার বর্মন ও হেমবাবু দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মন্দির ও স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এর ফলে মন্দিরের ধর্মীয় পরিবেশ ও ভক্তদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে বলেও অভিযোগকারীর দাবি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও থানায় পূর্বেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, সম্প্রতি মন্দিরের নিয়মিত কমিটি বহাল থাকা সত্ত্বেও তথাকথিত ‘নবনির্বাচিত কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটি’ নামে একটি সভা আহ্বানের প্রচার করা হয়। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় মন্দির প্রাঙ্গণে সভাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভার আহ্বায়কের নাম উল্লেখ না থাকলেও একটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে, যা হেমবাবুর ব্যবহৃত নম্বর বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। মন্দির কমিটির সভাপতি অভিযোগ করেন, বিদ্যমান কমিটির অনুমোদন ছাড়া মন্দির প্রাঙ্গণে কোনো কথিত নতুন কমিটির সভা আয়োজন করা হলে তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা তৈরি হতে পারে। এতে মন্দিরের স্বাভাবিক ধর্মীয় পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় উপাসনালয়কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিরোধ বা সংঘাত তৈরি হলে তা স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগাম আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অভিযোগে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের কথিত ওই সভা বন্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মন্দির ও এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
46
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।।
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিদ্যমান পরিচালনা কমিটি বহাল থাকা অবস্থায় তথাকথিত ‘নবনির্বাচিত কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটি’ শিরোনামে সভা আহ্বানের অভিযোগ উঠেছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় মন্দির প্রাঙ্গণে ওই সভা আয়োজনের কথা প্রচার করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মন্দির কমিটি।
এ বিষয়ে ফুলছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি শ্রী মিলন কুমার বর্মন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মন্দিরটি একটি নিয়মিত পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে এবং ওই কমিটির মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত বহাল রয়েছে। মন্দিরের ধর্মীয় কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন সময় ভক্তদের সমাগমও হচ্ছে।
অভিযোগে দাবি করা হয়, অশ্বিনী কুমার বর্মন ও হেমবাবু দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মন্দির ও স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এর ফলে মন্দিরের ধর্মীয় পরিবেশ ও ভক্তদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে বলেও অভিযোগকারীর দাবি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও থানায় পূর্বেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, সম্প্রতি মন্দিরের নিয়মিত কমিটি বহাল থাকা সত্ত্বেও তথাকথিত ‘নবনির্বাচিত কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটি’ নামে একটি সভা আহ্বানের প্রচার করা হয়। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় মন্দির প্রাঙ্গণে সভাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভার আহ্বায়কের নাম উল্লেখ না থাকলেও একটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে, যা হেমবাবুর ব্যবহৃত নম্বর বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
মন্দির কমিটির সভাপতি অভিযোগ করেন, বিদ্যমান কমিটির অনুমোদন ছাড়া মন্দির প্রাঙ্গণে কোনো কথিত নতুন কমিটির সভা আয়োজন করা হলে তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা তৈরি হতে পারে। এতে মন্দিরের স্বাভাবিক ধর্মীয় পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় উপাসনালয়কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিরোধ বা সংঘাত তৈরি হলে তা স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগাম আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
অভিযোগে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের কথিত ওই সভা বন্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মন্দির ও এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।