নতুন পরিচয়ে মাঠে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতারা, জনমনে আতঙ্ক ও পুলিশের বক্তব্য!
সাধন সাহা জয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
Update Time :
শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২৬,
21 Time View
নতুন পরিচয়ে মাঠে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতারা, জনমনে আতঙ্ক ও পুলিশের বক্তব্য!
সাধন সাহা জয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চিহ্নিত নেতারা নতুন কৌশলে মাঠে নেমেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পেশা পরিবর্তন করে ঠিকাদার, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী বা দালাল সেজে তারা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে জানা গেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে থাকা ছাত্রলীগ নেতারা এখন ভোল পাল্টে বিভিন্ন পেশার সাইনবোর্ড ব্যবহার করছেন। উপজেলা পরিষদ, ভূমি অফিস ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে নিয়মিত যাতায়াত করে তারা প্রভাব বিস্তার এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, তারা কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি দেখানো, ফাইল আটকে ফায়দা লোটা এবং সাধারণ সেবা প্রার্থীদের নানাভাবে হয়রানি করছেন। সচেতন মহলের শঙ্কা: স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এটি বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট ও প্রশাসনকে অকার্যকর দেখানোর একটি গভীর ষড়যন্ত্র। এ ধরনের অপতৎপরতা যেকোনো সময় বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার জন্ম দিতে পারে। এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পুলিশ সাদা পোশাকে কাজ করছে এবং মোবাইল টিম মাঠে রয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, সবকিছু প্রশাসনের নজরদারিতে রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বাঞ্ছারামপুরের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
37
সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চিহ্নিত নেতারা নতুন কৌশলে মাঠে নেমেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পেশা পরিবর্তন করে ঠিকাদার, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী বা দালাল সেজে তারা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে জানা গেছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে থাকা ছাত্রলীগ নেতারা এখন ভোল পাল্টে বিভিন্ন পেশার সাইনবোর্ড ব্যবহার করছেন।
উপজেলা পরিষদ, ভূমি অফিস ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে নিয়মিত যাতায়াত করে তারা প্রভাব বিস্তার এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।
অভিযোগ রয়েছে, তারা কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি দেখানো, ফাইল আটকে ফায়দা লোটা এবং সাধারণ সেবা প্রার্থীদের নানাভাবে হয়রানি করছেন।
সচেতন মহলের শঙ্কা: স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এটি বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট ও প্রশাসনকে অকার্যকর দেখানোর একটি গভীর ষড়যন্ত্র।
এ ধরনের অপতৎপরতা যেকোনো সময় বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার জন্ম দিতে পারে।
এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পুলিশ সাদা পোশাকে কাজ করছে এবং মোবাইল টিম মাঠে রয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, সবকিছু প্রশাসনের নজরদারিতে রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বাঞ্ছারামপুরের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।