1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| রাত ২:১৯|
Title :
বাঁশখালীতে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ; জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত শ্রীনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণসচেতনতা বাড়াতে বিএনপি নেতাকর্মীদের এগিয়ে আসার আহ্বানঃ কালিয়াকৈরে আলোকিত পিচ্চি আব্বাস ১৮ মামলার আসামি গ্রেফতার দেশসেরা স্প্রিন্টার জাকির হোসেনকে জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও সম্মাননা স্মারক প্রদান মনোহরদীতে ঐতিহ্যবাহী কাছিটান খেলায় দর্শকদের ঢল, বিজয়ী খোটমোড়া দল গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ২-৩ বছরের এক কন্যা শিশু উদ্ধার স্বজনদের খোঁজে পুলিশ ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশায় কৃষকদলের মতবিনিময় সভা কালিয়াকৈরে চন্দ্রা-টিকেটের নামে প্রকাশ্য ডাকাতি,দালালের রাজত্ব- ক্ষুব্ধ যাত্রীরা,দেখার মত কেউ নেই জুলাই শহীদ সাব্বির হোসেনের কবর জিয়ারত ও পরিবারের খোঁজখবর নিলেন- আলী আজম এমপি গোপালগঞ্জে জেলা জার্নালিস্ট ফেডারেশনের কার্যালয় উদ্বোধন সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত উন্নয়নে পাশে থাকার আশ্বাস এমপি ডা. কে এম বাবরের

নিয়ামতপুরের ৩০ কমিউনিটি ক্লিনিকে দীর্ঘ ৭ মাস ওষুধ বন্ধ: চরম ভোগান্তিতে প্রান্তিক মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, মে ১৮, ২০২৬,
  • 28 Time View
51

জাকির হোসেন
নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম ভরসা ৩০টি কমিউনিটি ক্লিনিকে দীর্ঘ প্রায় সাত মাস ধরে সব ধরনের ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে উপজেলার প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ জনপদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। সরকারি এই চিকিৎসাকেন্দ্রে এসে ওষুধ না পেয়ে প্রতিদিন খালি হাতে ফিরছেন শত শত অসহায় ও দরিদ্র মানুষ।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিক ঘুরে দেখা যায়, চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষের চোখে-মুখে শুধু হতাশা আর ক্ষোভ। গ্রামীণ জনপদের অতিদরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষ, যারা সামান্য জ্বর-সর্দির ওষুধের জন্যও এই সরকারি কেন্দ্রগুলোর ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল, তারা এখন পড়েছেন চরম বিপাকে। বাইরে থেকে চড়া মূল্যে ওষুধ কেনার আর্থিক সামর্থ্য নেই এই অসহায় পরিবারগুলোর।
পানিহারা কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা লক্ষ্মী রানী (৬০) নামের এক বৃদ্ধা ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন,,আমি গরিব মানুষ, বাইরে থেকে ওষুধ কেনার টাকা আমার নাই। আগে এই ক্লিনিকে আসলে সপ্তাহে দু-একদিন অল্প-স্বল্প ওষুধ পেতাম, তাতেই আমার রোগবালাই চলত। কিন্তু সাত-আট মাস ধরে এখানে কোনো ওষুধই পাওয়া যাচ্ছে না। টাকার অভাবে দোকান থেকেও কিনতে পারছি না।
একই ধরনের কষ্টের কথা জানান দিনমজুর আব্দুর রশিদ (৫০)। তিনি বলেন,দিন খেটে যে টাকা পাই, তা দিয়ে কোনোমতে সংসারই চলে না। আগে নিজের বা ছেলেমেয়েদের জ্বর, সর্দি, কাশি হলে এখান থেকে ফ্রিতে কিছু সাধারণ ওষুধ পেতাম। এখন সাত মাস ধরে সব বন্ধ। ওষুধ না পেয়ে আমাদের গরিব মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন,প্রতিদিন ক্লিনিকে অসংখ্য অসহায় নারী, পুরুষ ও শিশু সুচিকিৎসার আশায় আসেন। কিন্তু ওষুধ না থাকায় নিরুপায় হয়ে তাদের খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে হয়। একজন স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে এই দৃশ্য দেখা অত্যন্ত পীড়াদায়ক, কিন্তু ওপর থেকে ওষুধ সরবরাহ না থাকায় আমাদের আসলে কিছুই করার নেই
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই তীব্র সংকটের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফয়সাল নাহিদ ওষুধ সংকটের সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি জানান,নিয়ামতপুর উপজেলার ৩০টি কমিউনিটি ক্লিনিকের সবগুলোই বর্তমানে সচল রয়েছে। তবে বেশ কিছু মাস ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ থাকায় রোগীরা সমস্যায় পড়েছেন, এটি সত্য। আমরা দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করছি। আশা করছি খুব শীঘ্রই ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং গ্রামীণ মানুষ আবার পূর্ণাঙ্গ সেবা পাবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026