। মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ নওগাঁ প্রতিনিধি নওগাঁর পোরশা উপজেলায় গত সাত মাসে ১৯ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যা, আত্মহত্যা, সড়ক দুর্ঘটনা, সাপের কামড়, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ও পানিতে ডুবে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। জানাগেছে, গত সাত মাসে সর্বোচ্চ ৬ জন আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। এর মধ্যে তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের পলাশ ডাঙ্গা গ্রামের অতুল বর্মন (৬০), বড় রনাইল গ্রামের প্রশান্ত বর্মন (২৫), মশিদপুর ইউনিয়নের বালিচাঁদ গ্রামের জুয়েল মন্ডল (৩৯) এবং ঘাটনগর ইউনিয়নের তাঁতীপাড়া গ্রামের আইয়ুব আলী (৪৭) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এছাড়া তাঁতিপাড়া গ্রামের সুমাইয়া জান্নাত (১৮) বিষপানে এবং ছাওড় খাতিরপুর গ্রামের রাকিবুল ইসলাম রাজু (১৮) অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যা করেন। অসাবধানতা ও দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যাও কম নয়। মে মাসে ঠিকাদার সামিনুল ইসলাম শাহ (৫৫), ৮ জুলাই শিশু আবদুল্লাহ (১০), ১৭ জুলাই রাকিবুল ইসলাম (১৭) এবং ৩১ জুলাই ফাওজিয়া (৪৬) সাপের কামড়ে মারা যান। অন্যদিকে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন শোভাপুর গ্রামের তহুরুল ইসলাম (৩৬), শিশা ডাঙ্গাপাড়ার সাইদুল ইসলাম (৪০) এবং গত ২৮ জুলাই কাতকইল বিলপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজ (২৭) ও মাহবুর রহমান (২৮)। পানিতে ডুবে মারা গেছে ছাতিয়া গ্রামের শিশু ফাতেমা (৬) ও নিতপুর পূর্ব দিয়াড়াপাড়া গ্রামের শিশু মাহিম (৭)। সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান সরাইগাছি কাতিপুর গ্রামের হাফিজদ্দিন হাপি (৬৫)। এছাড়া নছিমন-ভটভটির ধাক্কায় প্রাণ হারান আদিবাসী নেতা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রামলাল কুজুর (৪০)। গত ১ এপ্রিল পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর ছোঁড়া প্রেসার কুকারের আঘাতে মর্জিনা খাতুন (২৬) নামে এক গৃহবধূ নিহত হন; এ ঘটনায় পুলিশ ঘাতক স্বামীকে আটক করে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নিতপুর ইউনিয়নের শ্রীকৃষ্ণপুর কুলাডাঙ্গা খাড়ির ধার থেকে বুলু (৫৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, প্রতিটি ঘটনার পর থানায় অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, "আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি এসব অকাল ও অস্বাভাবিক মৃত্যু রোধ করতে পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।
8
।
মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ
নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁর পোরশা উপজেলায় গত সাত মাসে ১৯ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যা, আত্মহত্যা, সড়ক দুর্ঘটনা, সাপের কামড়, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ও পানিতে ডুবে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
জানাগেছে, গত সাত মাসে সর্বোচ্চ ৬ জন আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। এর মধ্যে তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের পলাশ ডাঙ্গা গ্রামের অতুল বর্মন (৬০), বড় রনাইল গ্রামের প্রশান্ত বর্মন (২৫), মশিদপুর ইউনিয়নের বালিচাঁদ গ্রামের জুয়েল মন্ডল (৩৯) এবং ঘাটনগর ইউনিয়নের তাঁতীপাড়া গ্রামের আইয়ুব আলী (৪৭) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এছাড়া তাঁতিপাড়া গ্রামের সুমাইয়া জান্নাত (১৮) বিষপানে এবং ছাওড় খাতিরপুর গ্রামের রাকিবুল ইসলাম রাজু (১৮) অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যা করেন।
অসাবধানতা ও দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যাও কম নয়। মে মাসে ঠিকাদার সামিনুল ইসলাম শাহ (৫৫), ৮ জুলাই শিশু আবদুল্লাহ (১০), ১৭ জুলাই রাকিবুল ইসলাম (১৭) এবং ৩১ জুলাই ফাওজিয়া (৪৬) সাপের কামড়ে মারা যান।
অন্যদিকে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন শোভাপুর গ্রামের তহুরুল ইসলাম (৩৬), শিশা ডাঙ্গাপাড়ার সাইদুল ইসলাম (৪০) এবং গত ২৮ জুলাই কাতকইল বিলপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজ (২৭) ও মাহবুর রহমান (২৮)। পানিতে ডুবে মারা গেছে ছাতিয়া গ্রামের শিশু ফাতেমা (৬) ও নিতপুর পূর্ব দিয়াড়াপাড়া গ্রামের শিশু মাহিম (৭)।
সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান সরাইগাছি কাতিপুর গ্রামের হাফিজদ্দিন হাপি (৬৫)। এছাড়া নছিমন-ভটভটির ধাক্কায় প্রাণ হারান আদিবাসী নেতা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রামলাল কুজুর (৪০)।
গত ১ এপ্রিল পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর ছোঁড়া প্রেসার কুকারের আঘাতে মর্জিনা খাতুন (২৬) নামে এক গৃহবধূ নিহত হন; এ ঘটনায় পুলিশ ঘাতক স্বামীকে আটক করে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নিতপুর ইউনিয়নের শ্রীকৃষ্ণপুর কুলাডাঙ্গা খাড়ির ধার থেকে বুলু (৫৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, প্রতিটি ঘটনার পর থানায় অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি এসব অকাল ও অস্বাভাবিক মৃত্যু রোধ করতে পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।