1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বৃহস্পতিবার| বিকাল ৪:০৬|
Title :
নওগাঁর পোরশায় কাতকইল বিলপাড়া গ্রামে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২ যুবকের মৃত্যু আমতলীতে খাল থেকে অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের মরদেহ উদ্ধার দুই বাংলা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিষ্টি তুলতুল নেত্রকোনা সদর সিংহের বাংলা ইউনিয়ন’র চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোখলেছুর রহমান খান খসরু নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করতে গিয়ে ত্রিশালে দুই শ্রমিকের করুণ মৃত্যু হাটহাজারীতে ইটভাটার মালিক চাঁদা না দেওয়ায় গাড়িতে গুলি জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাতক্ষীরা সদর বৈচানায় দা ও লোহার রডের হামলার অভিযোগে,থানায় মামলা ঈশা খাঁ মোড়ে সড়ক দুর্ঘটনা দুমড়ে-মুচড়ে গেল সিএনজি, আহত ৬ ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করবো, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী সাঘাটায় এলজিইডি’র রাস্তার কাজে শুভঙ্করের ফাঁকি

শহীদ আরমানের পরিবারের সাথে কিশোরগঞ্জ জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ।

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, জুন ৩০, ২০২৬,
  • 29 Time View
53

আনিসুজ্জামান,জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ :(৩০ জুন,মঙ্গলবার) শহীদ আরমানের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ জেলার নেতৃবৃন্দ। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মোঃ আজিজুল হক, জেলা সেক্রেটারি মাও. নাজমুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি কাজী মোঃ সাইফুল্লাহ, সদর উপজেলা আমীর মাও. নজরুল ইসলাম, শহর আমীর মাও. আ. ম. ম. আব্দুল হক, আইনজীবী থানা সভাপতি মুসলেহ উদ্দিন সুমন শহর নায়েবে আমীর বদরুজ্জামান রুবেল, শহর সেক্রেটারি আবু নাসের মোঃ নয়িম, সদর সহকারী সেক্রেটারি মোস্তাকিম বিল্লাহ সহ আরও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আজ শহীদ আরমান দিবস: কী ঘটেছিল সেদিন কিশোরগঞ্জে?
১৯৯৪ সালের ৩০ জুন। কিশোরগঞ্জে নাস্তিক-মুরতাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদ হন ছাত্র মজলিস কর্মী ও স্কুলপড়ুয়া তরুণ শহীদ আরমান।
১৯৯৪ সালের সেই সময় ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সারাদেশে তৌহিদি জনতার আন্দোলন চলছিল। ৩০ জুন বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী হরতালের ডাক দেওয়া হয়। কিশোরগঞ্জেও আলেম-উলামা ও তৌহিদি জনতার অংশগ্রহণে ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
সেদিন দুপুরের পর শহরের গৌরাঙ্গ বাজার এলাকায় মিছিল চলাকালে পুলিশ গুলি চালায়। পুলিশের সেই গুলিতে লুটিয়ে পড়েন কিশোর আরমান। তার তাজা রক্তে রঞ্জিত হয় কিশোরগঞ্জের রাজপথ। অল্প বয়সেই দ্বীনের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে তিনি হয়ে যান শহীদের কাতারে অমর এক নাম।
শহীদ আরমান ছিলেন শহরের আজিম উদ্দিন সরকারি হাইস্কুলের শিক্ষার্থী। তার বাসা ছিল পুরান থানা এলাকায়, শহীদি মসজিদের পাশে। ছোট বয়স থেকেই তিনি নামাজের প্রতি যত্নশীল ছিলেন এবং দ্বীনি পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। জামিয়া ইমদাদিয়ার শিক্ষার্থী ও আলেমদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। সেই সূত্রেই তিনি ছাত্র মজলিসের সঙ্গে যুক্ত হন।
শহীদ হওয়ার আগের দিন তিনি জামিয়া ইমদাদিয়ার মুহাদ্দিস মাওলানা সালাহুদ্দিন সাহেবের কাছে জানতে চেয়েছিলেন—দ্বীনের পক্ষে আন্দোলনে গিয়ে মৃত্যুবরণ করলে কী শহীদের মর্যাদা পাওয়া যাবে? উত্তরে তিনি আশ্বস্ত হন। সেই কথাই তার অন্তরে গভীর প্রভাব ফেলে।
পরদিন মায়ের বাধা উপেক্ষা করেও তিনি মিছিলে অংশ নেন। শেষ পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন। সেদিন তার পাশেই ছিলেন জামিয়া ইমদাদিয়ার ফারেগ আলেম মাওলানা গাজী আশরাফ আলী, যিনিও গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।
শহীদ আরমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে। সেখানে কিশোরগঞ্জের আলেম-উলামাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ অংশগ্রহণ করেন। আজও শহীদি মসজিদের পাশে চিরনিদ্রায় আছেন এই সাহসী তরুণ।
আনিসুজ্জামান
জেলা প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জ
মোবাইল নাম্বার ০১৬৮৯৮৫৮৪২৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026