
ইফতিয়াজ সুমন, স্টাফ রিপোর্টার
আগামী সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিচালিত এক সাম্প্রতিক জনমত জরিপে মেয়র পদে জনপ্রিয়তায় সবার শীর্ষে উঠে এসেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ডক্টর এম এ মোশতাক। তিনি ১৯৬৫ সালে সিলেট জেলার ঐতিহ্যবাহী বিশ্বনাথ উপজেলার চরচন্ডী গ্রামে জন্মগহন করেন তিনি এক সংক্রান্ত ও সমাজসেবা মুখী পরিবারে বেড়ে ওঠা। পিতা মরহুম আলহাজ্ব আব্দুর রউফ দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান জনপ্রতিনিধিত্ব দায়িত্ব পালন করেন,
মাতা মরহুমা পেয়ারা বেগম ছিলেন নীরব প্রেরণা যার সহানুভূতি ও উৎসাহ সমাজসেবার বীজ বপন করে সন্তানের হৃদয়ে।
ডক্টর এম এ মোশতাক কেবল রাজনীতির মানুষ নন তিনি সচেতন গণমাধ্যম কর্মীও। প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক, পিবি২৪ অনলাইন টিভি, চ্যানেল এস গ্রেটার ম্যানচেস্টার ও এটিএন বাংলায় তার কাজ প্রবাসী কমিউনিটির কথা তুলে ধরেছে বৃহত্তর পরিসরে। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক এবং সমাজসেবামূলক সংগঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের পাশাপাশি ডক্টর এম এ মোশতাক পরিচালক অ্যাকশন টুগেদার, নির্বাহী পরিচালক ও প্রশিক্ষক টাইগার ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন টিআইএ, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাইড ক্রেডিট ইউনিয়ন,প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাইড মিলেনিয়াম ট্রাস্ট, আহ্বায়ক প্রবাসী বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ও আহ্বায়ক বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পরিষদ।
তিনি জানিয়েছেন, জনপ্রতিনিধি নয়, বরং একজন সেবক হিসেবে কাজ করতেই তিনি মেয়র পদে প্রার্থী হতে চান। ডক্টর এম এ মোশতাক বলেন,সিলেট পৌরবাসীর সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে থেকেছি, ভবিষ্যতেও একজন সেবক হিসেবে তাদের জন্য কাজ করতে চাই।”তিনি আরও বলেন, সিলেট সিটির মানুষের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণে একটি সুপরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে একটি আধুনিক হাসপাতাল স্থাপন, সহ বাজারের যানযট নিরসন, জলাবদ্ধতা দূরকরণ, সড়ক উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং নাগরিক সেবা সহজীকরণ তার অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় থাকার কারণে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমেও তাকে নিয়মিত দেখা যায়, যা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত করেছে।স্থানীয়দের মতে,সেবক হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করা ডক্টর এম এ মোশতাক
দীর্ঘদিনের চর্চারই প্রতিফলন। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তার এই দৃঢ় অবস্থান ও সহমর্মিতা তাকে তৃণমূলের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।এখন দেখার বিষয়, এই সেবামূলক মনোভাব ও প্রতিশ্রুতি কতটা জনসমর্থনে রূপ নেয় তিনি বলেন,নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, পৌরবাসীর সেবা করা এবং
সিলেট সিটিকে একটি আধুনিক ‘মডেল সিটি হিসেবে উপহার দিতে আমি নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। যদি সিলেট পৌরবাসী তাদের মহামূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে মেয়র নির্বাচিত করেন, তবে আমি কথা দিচ্ছি—আমার প্রতিটি প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করব,ইনশাআল্লাহ। তার এই প্রার্থিতার ঘোষণায় পুরো পৌর এলাকায় সাধারণ ভোটার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।