1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
লালমনিরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৫ জন নিহত, আহত ৩ চোখের ক্যান্সারে আক্রান্ত ছোট্ট আসিক, চিকিৎসায় সহযোগিতার আকুতি পটিয়ায় বাইক ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিতার সামনে কন্যার মৃত্যু। কক্সবাজার মহিলা হোস্টেলে বিশ হাজার পিস ইয়াবা সহ এক ছাত্রী আটক কালুরঘাট শিল্প এলাকায় ওসি জসিমের নেতৃত্বে ছিনতাইকারী আটক ভোর হতে না হতেই কক্সবাজারে জেগে ওঠে সিএনজি, সাথে সাথে ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজি ছনবাড়ি থেকে ঢাকার বাসভাড়া ৭০ না ৬০ টাকা করার দাবী নবীনগরে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি গ্রেপ্তার! বাকলিয়া থানার নবাগত ওসি শাহিনুরের প্রথম অভিযানে ১৫ জন গ্রেফতার পানিসারা কুলিয়ার ভুক্তভুগির সংবাদ সম্মেলন

নবীনগরের লাউর ফতেপুর গুচ্ছগ্রাম,২৭ বছর ধরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ১১০০ মানুষ, প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় এমপির শরণাপন্ন এলাকাবাসী

সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯ Time View
18

সাধন সাহা জয়
স্টাফ রিপোর্টার

কবি গুরু বা পল্লিগীতির সেই পঙ্‌ক্তি
“আসমানিদের দেখতে যদি তোমরা সবে যাও, রহিম মুদির চুট্র বাড়ি রসুলপুরে যাও। বাড়ি তো নয়, পাখির বাসা—ভিন্ন পাতার ছানি; একটুখানি বৃষ্টি হলে গড়িয়ে পড়ে পানি।” কবি জসীমউদ্দীনের ‘আসমানী’ কবিতার সেই অসহায় মানুষের জীবন যেন বাস্তবে পরিণত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ১২ নং লাউরফতেপুর ৫ নং ওয়ার্ড ইউনিয়নের একটি গুচ্ছগ্রামে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার ১২ নং লাউর ফতেপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের নতুন গুচ্ছগ্রামের প্রায় ২০০ পরিবার ও প্রায় ১১০০ মানুষ দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে চরম অবহেলা ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। নানা সমস্যায় জর্জরিত এই অবহেলিত জনপদের বাসিন্দাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আজ ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সরজমিন এ গিয়ে ​জানা যায়, ২০০০ সালে তৎকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে এই গুচ্ছগ্রামটি তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর পেরিয়ে গেলেও সরকারি এই জায়গাটিতে ন্যূনতম নাগরিক সুবিধার ছোঁয়া লাগেনি।

গুচ্ছগ্রামে যাতায়াতের জন্য ভালো কোনো রাস্তাঘাট এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেন নেই। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে নর্দমার দূষিত পানির পাশেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাদের বসবাস করতে হয়। এর প্রভাবে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

​এলাকায় সুপেয় পানির জন্য ভালো কোনো টিউবওয়েল নেই। এছাড়া গ্রামের একমাত্র পুকুরটিতে গোসল করার জন্য কোনো পাকা ঘাটলা না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় নারী ও শিশুদের।

গ্রামের বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরের চাল ভেদ করে অঝোর ধারায় পানি পড়ে পুরো ঘর ভেসে যায়। অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি এক সুড়ু দিয়ে যাওয়ার সময় মাটি সরে গিয়ে অনেক ঘর চরম বিপদের মুখে রয়েছে। একটু ঝড়ো হাওয়ায় ঘরের ছাউনি উড়ে যাওয়ার ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটে তাদের।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, বিগত দিনে স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা শুধু আশার বাণী শুনিয়ে গেলেও কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। এছাড়া সরকারের দেওয়া এই ঘরগুলো থেকে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক হোল্ডিং ট্যাক্স বা ফি হিসেবে রসিদের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে। সরকারি নিয়মে হোল্ডিং স্মার্ট কার্ডের ফি ২০০ টাকা লেখা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে প্রতিটি ঘর থেকে জোরপূর্বক ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে বলে সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে।

অসহায় এসব মানুষের ওপর এমন জুলুম কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

​দীর্ঘদিনের এই পুঞ্জীভূত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এবং মাথার ওপর একটি নিরাপদ ছাদ, পাকা ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানীয় জল ও রাস্তাঘাট নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026