শ্যামনগরে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে হাঁস-মুরগি পালনের বাস্তবমূখী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
Reporter Name
Update Time :
শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
৪
Time View
শ্যামনগরে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে হাঁস-মুরগি পালনের বাস্তবমূখী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
পরিতোষ কুমার বৈদ্য শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় গাবুরা ইউনিয়নে জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী তৈরি প্রকল্পের আওতায় বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবারে আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক দিনব্যাপী এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা 'ফেইথ ইন এ্যাকশন'-এর বাস্তবায়নে এবং কানাডিয়ান দাতা সংস্থা 'ওয়ার্ল্ড রিনিউ'-এর আর্থিক সহযোগিতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) সকাল ৯:০০ টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কারিগরি সহযোগিতায় গাবুরা ইউনিয়নের গাবুরা গোপাল লক্ষ্মী মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এই প্রকল্প বর্তমানে গাবুরা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ১৫টি গ্রামে এই জলবায়ু সহনশীল প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। আজকের এই ১ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা সুদীপ্ত কুমার বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইমাম হাসান। এছাড়াও সিআরসি প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা পরিতোষ কুমার বৈদ্য ও কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর হৈমী মন্ডল প্রমূখ। প্রশিক্ষণে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে হাঁস-মুরগি পালনের মাধ্যমে আর্থিক লাভবান হওয়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক নিয়ম মেনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে হাঁস-মুরগি পালন করলে খামারে রোগবালাই ও ক্ষতির আশঙ্কা অনেক কমে যায়। আর খামারে লোকসান না হলে এই পেশায় মানুষের আগ্রহ আরও বাড়বে, যা গ্রামীণ ও উপকূলীয় অঞ্চলের প্রান্তিক পরিবারগুলোর দ্রুত আর্থিক উন্নতি নিশ্চিত করবে। উল্লেখ্য, গাবুরা ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে মোট ৪টি ব্যাচে ৭২ জন প্রান্তিক খামারিকে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এই হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষিতদের মধ্যে ৫১ জন নারী এবং ২১ জন পুরুষ রয়েছেন। জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এই অঞ্চলের বাসিন্দারা আধুনিক প্রশিক্ষণের এই জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নিজ বাড়িতেই স্বাবলম্বী হওয়ার নতুন স্বপ্ন দেখছেন।
13
পরিতোষ কুমার বৈদ্য
শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় গাবুরা ইউনিয়নে জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী তৈরি প্রকল্পের আওতায় বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবারে আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক দিনব্যাপী এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেইথ ইন এ্যাকশন’-এর বাস্তবায়নে এবং কানাডিয়ান দাতা সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড রিনিউ’-এর আর্থিক সহযোগিতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) সকাল ৯:০০ টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কারিগরি সহযোগিতায় গাবুরা ইউনিয়নের গাবুরা গোপাল লক্ষ্মী মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এই প্রকল্প বর্তমানে গাবুরা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ১৫টি গ্রামে এই জলবায়ু সহনশীল প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
আজকের এই ১ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা সুদীপ্ত কুমার বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইমাম হাসান। এছাড়াও সিআরসি প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা পরিতোষ কুমার বৈদ্য ও কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর হৈমী মন্ডল প্রমূখ।
প্রশিক্ষণে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে হাঁস-মুরগি পালনের মাধ্যমে আর্থিক লাভবান হওয়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক নিয়ম মেনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে হাঁস-মুরগি পালন করলে খামারে রোগবালাই ও ক্ষতির আশঙ্কা অনেক কমে যায়। আর খামারে লোকসান না হলে এই পেশায় মানুষের আগ্রহ আরও বাড়বে, যা গ্রামীণ ও উপকূলীয় অঞ্চলের প্রান্তিক পরিবারগুলোর দ্রুত আর্থিক উন্নতি নিশ্চিত করবে।
উল্লেখ্য, গাবুরা ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে মোট ৪টি ব্যাচে ৭২ জন প্রান্তিক খামারিকে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এই হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষিতদের মধ্যে ৫১ জন নারী এবং ২১ জন পুরুষ রয়েছেন। জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এই অঞ্চলের বাসিন্দারা আধুনিক প্রশিক্ষণের এই জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নিজ বাড়িতেই স্বাবলম্বী হওয়ার নতুন স্বপ্ন দেখছেন।