আখাউড়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ: ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিন রেস্টুরেন্টকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা**
** **জাহাঙ্গীর আলম** **জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া** ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশনের দায়ে তিনটি রেস্টুরেন্টকে মোট ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকানে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযান চলাকালে কয়েকটি রেস্টুরেন্টে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণ, ফ্রিজে অনুপযুক্তভাবে রান্না করা খাবার রাখা, মেয়াদোত্তীর্ণ ও বাসি খাবার সংরক্ষণ, রান্নাঘরের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং খাদ্য নিরাপত্তা বিধিমালা লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এছাড়াও কিছু প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার পরিবেশন না করার বিষয়টিও আদালতের নজরে আসে। এসব অনিয়মের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ও প্রচলিত আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তিনটি রেস্টুরেন্টকে মোট ৬৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট রেস্টুরেন্ট মালিকদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয় এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাবার প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশন নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, **"জনস্বাস্থ্য রক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা খাদ্য নিরাপত্তা আইন ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করবে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"** তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে শুধু প্রশাসনের অভিযানই যথেষ্ট নয়, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা—উভয় পক্ষকেই সচেতন হতে হবে। খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে। স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য বিক্রি বন্ধ হবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ ও মানসম্মত খাবার গ্রহণের সুযোগ পাবেন। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশনের দায়ে তিনটি রেস্টুরেন্টকে মোট ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকানে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযান চলাকালে কয়েকটি রেস্টুরেন্টে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণ, ফ্রিজে অনুপযুক্তভাবে রান্না করা খাবার রাখা, মেয়াদোত্তীর্ণ ও বাসি খাবার সংরক্ষণ, রান্নাঘরের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং খাদ্য নিরাপত্তা বিধিমালা লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এছাড়াও কিছু প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার পরিবেশন না করার বিষয়টিও আদালতের নজরে আসে।
এসব অনিয়মের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ও প্রচলিত আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তিনটি রেস্টুরেন্টকে মোট ৬৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট রেস্টুরেন্ট মালিকদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয় এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাবার প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশন নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, **”জনস্বাস্থ্য রক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা খাদ্য নিরাপত্তা আইন ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করবে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”**
তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে শুধু প্রশাসনের অভিযানই যথেষ্ট নয়, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা—উভয় পক্ষকেই সচেতন হতে হবে। খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য বিক্রি বন্ধ হবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ ও মানসম্মত খাবার গ্রহণের সুযোগ পাবেন। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানান।