
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
সিএমপি কোতোয়ালী থানার সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ’অফিসার ইনচার্জ ওসি জায়েদ নুরের নেতৃত্বে অভিযানে অগ্রনী ব্যাংক পিএলসি, লালদিঘী পূর্ব কর্পোরেট শাখার ৪,৩৮,০০,০০০/- (চার কোটি আটত্রিশ লক্ষ) টাকা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণামুলকভাবে আত্মসাৎ এর ঘটনায় জড়িত প্রতারক চক্রের মূল হোতা আসামী ১। মোঃ কামরুল হোসেন (ব্যাংকার) ও ২। মোঃ জাফরুল্লাহ তানভীর (২৫) (ব্যবসায়ী) দ্বয় গ্রেফতার ও আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজু
০১নং বিবাদী কামরুল হোসেন অগ্রনী ব্যাংক পিএলসি, লালদিঘী পূর্ব কর্পোরেট শাখা, চট্টগ্রামে ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার এবং ক্যাশ ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত থাকিয়া ০২নং বিবাদী সহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীদের পরস্পর যোগসাজশে গত ০১/০৬/২০২৫ ইং তারিখ হইতে ০৯/০৮/২০২৬ খ্রিঃ পর্যন্ত বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে ব্যাংকের ভোল্টে নগদ অর্থ জমা প্রদানকালে ১০০০/- টাকার বড় বান্ডেলের ভিতরে ১০০/- টাকা বা তাহার কম ছোট ছোট নোট বান্ডেলের ভিতরে কৌশলে প্রবেশ করাইয়া ভোল্টের ভিতরে রাখিয়া টাকার হিসাব মনগড়া মতো মিলাইয়া রাখিত এবং ব্যাংকের ভোল্টে বাহ্যিক দৃষ্টিকোণে টাকার বান্ডেলে দেখা যাইতো যে, ভোল্টে টাকা আছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ভোল্টে টাকা রাখে নাই বা প্রবেশ করায় নাই। ০১নং বিবাদী ও অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা সহ উক্ত টাকা ভোল্টে না রাখিয়া বিভিন্ন কায়দায় উক্ত টাকা সমুহ বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে ০২নং বিবাদীর মাধ্যমে টাকা গুলো স্থানান্তর করে মর্মে স্বীকার করে। ০১নং বিবাদীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, ০১নং বিবাদী বিনিয়োগে ০২নং বিবাদী দেখাশোনার শর্তে ১ ও ২নং বিবাদীদ্বয়ের সমন্বয়ে উক্ত আত্মসাৎকৃত অর্থ দ্বারা চট্টগ্রাম হাটহাজারী থানাধীন সুর আলী বাড়ী উত্তর বুড়িশ্চর এলাকায় ফজদের আলী ফকির বাড়ীতে ইশরাত এগ্রো নামে একটি গরুর খামারের কার্যক্রম শুরু করে। এইভাবে বর্ণিত বিবাদীরা পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংক হইতে ৪,৩৮,০০,০০০/- (চার কোটি আটত্রিশ লক্ষ) স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করে মর্মে বাদী ঘটনার সত্যতা পাইয়া পুলিশকে সংবাদ প্রদান করে।
পরবর্তীতে ইং ১০/০৮/২০২৬ তারিখে প্রতারক চক্রের মূল হোতা আসামী ১। মোঃ কামরুল হোসেন (৪১), ২। মোঃ জাফরুল্লাহ তানভীর (২৫) উভয়কে গ্রেফতার করা হয়। উক্ত ঘটনায় বাদী উপরোক্ত ০২ জন আসামী সহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করিলে কোতোয়ালী থানার মামলা নং-২২, তারিখ-১০/০৮/২০২৬ ইং, ধারা- ৪০৮/৪২০/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয় এবং (দুই) জন আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।