
সাংবাদিক মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠানঃ ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলাধীন রাজিবপুর ইউনিয়নের উজান চর নওপাড়া ( খুলিয়ার চর) গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে মোঃ আঃ মতিন (৪৫) কে একই এলাকার স্বল্প চরপাড়া গ্রামের মোঃ ভূটু মিয়ার মেয়ে মোছাঃ ইয়াছমিন আক্তার ধান ব্যবসায়ীতে রুমে ঢুকে ব্ল্যাকমেইল করে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। সূত্রে জানা যায় গত ৪/৮/২৬ ইং তারিখ দিবাগত রাত প্রায় ১২.৩০ মিনিটে ধান ব্যবসাহিত আঃ মতিন দোকান খুলা রেখে চা এর দোকানে চা পান খেতে গেলে এই দূর্বলতা সুযোগে তারা ধানের ঘরে ইয়াছমিন আক্তার কোন এক সময় ভিতরে প্রবেশ করে চোখের আড়ালে চলে যায়। মালিক দোকানের বন্ধ করতে গেলে তখনই মহিলা? মহিলার বাবা সহ তার লোকজন ধানের ঘরে দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঢুকে ধান ব্যবসাহিত কে মারধর শুরু করে। তার চিৎকারে আশেপাশে লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে হামলাকারীদের কবল থেকে উদ্ধার করে। এ সময় ধানের ঘরে থাকা চাউল,পেয়াজ,রসূন, আদা বস্তা সহ নগদ টাকা হাতিয়ে ও ক্যাশ থেকে নিয়ে পালিয়ে যায় হামলা কারীগন । এই নিয়ে পুরো বাজার ও গ্রাম সহ এলাকা জুড়ে আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে বাজারে ও গ্রাম সহ এলাকাবাসী লোকজন এর কাছে ঘটনাটি জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন – আঃ মতিন এক জন ভাল মানুষ, দীর্ঘদিন ধরে বাজারে ধান চাউল পেয়াজ, রসূন, আদা ব্যবসা পরিচালনা করছে। মহিলাকে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে নাটক সাজিয়ে তার কাছ থেকে টাকা আদায়ের পাঁয়তারা সৃষ্টি কিছু সংখ্যক অসাধু মহল। তাছাড়া এলাকাবাসী আরও বলেন উল্লেখিত মহিলা দেহ ব্যবসা,মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মহিলাদের কে এনে আর নিজ বাড়িতে ও বিভিন্ন জায়গা অপকর্ম কড়িয়ে মোটা অংকে টাকা হাতে নিচ্ছে। এমনি ভাবে এলাকার যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে তেলে দিচ্ছে। কোন ব্যক্তি যদি প্রতিবাদ করতে চায় পুলিশ প্রশাসনকে দিয়ে বড় ধরনের মামলার ফাঁসিয়ে দিবে বলে হুমকি দেয়। তার অনুসারীদের সঙ্গে নিয়ে গ্রাম্য শালিসের মধ্যেমে মোটা অংকের টাকা আদারের করে । উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবসায়িক মোঃ আঃ মতিন বাদী হয়ে, ঈশ্বরগঞ্জ থানার, অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন । প্রতিপক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম মেম্বার, মোঃ ভুট্টু মিয়া, ইয়াছমিন আক্তার, মোঃ সোহেল মিয়া, মোঃ জুয়েল মিয়া নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ৩/৪ জন কে আসামী করে। এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর পদক্ষেপ কামনা করছে। এলাকাবাসী যারা তারা হলেন – অবঃ প্রাপ্ত মাস্টার মোঃ তাহের উদ্দিন ,মোঃ হাসান মাস্টার, শাহাগঞ্জ বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ আব্দুল বাতেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, ইউপি সদস্য মোঃ আবুল কালাম খান, মোঃ আবুল হাশেম, মোঃ মোশাররফ হোসেন, মোঃ সোহেল শেখ, মোস্তাক আহমেদ, আব্দুল সোবহান, চায়ের দোকানদার আবু তাহের, মোঃ জনাব আলী , আবুল কাশেম, আব্দুল সালাম, নাসির উদ্দিন, কসম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম, জুলহাস মিয়া, আব্দুল মোতালেব, কাইয়ুম মিয়া, মোঃ মিয়া হোসেন, শহীদ মিয়া, আবুল কালাম, সামাদ মিয়া , আব্দুর রহমান, স্বপন মিয়া, রুহুল আমিন, সাইফুল ইসলাম সহ আরও অনেকেই। মহিলা সহ আর পরিবারে লোকজনের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি । প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে।